ঢাকাSunday , 11 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় কামরুল ইসলাম

Link Copied!

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা, ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা করছেন কামরুল ইসলাম। ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া তার রাজনৈতিক পথচলায় রয়েছে সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন কমিটিতে দায়িত্ব পালন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতা।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতিতে কামরুল ইসলামের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৯ সালে। ওই বছর তিনি কাফরুল থানার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বি-ব্লক ইউনিটের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক পথচলা আরও বিস্তৃত হয়।

ছাত্রদলের রাজনীতিতে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা
২০০৪ সালে তিনি কাফরুল থানা ছাত্রদলের ৪ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসএম জাহাঙ্গীর ও ইয়াসিন আলীর নেতৃত্বাধীন কমিটিতে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে ছাত্রসংগঠনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন তিনি। কামরুল ইসলামের দেওয়া তথ্যমতে, ২০০৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশেষ কারণে কাফরুল থানা ছাত্রদলের কোনো কমিটি গঠিত হয়নি। এ সময়ে তিনি কাফরুল থানা ছাত্রদলের নেতৃত্বের জন্য প্রার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। এ দায়িত্ব তার রাজনৈতিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। ছাত্রদলের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় সম্পৃক্ত থাকার পর যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমেও সক্রিয় হন কামরুল ইসলাম। তৃণমূল থেকে মহানগর পর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন বলে তাঁর দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলে সাংগঠনিক দায়িত্ব
২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কামরুল ইসলাম। ওই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ও মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল। এ ছাড়া তিনি মিরপুর জোনের সাংগঠনিক টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ টিমের আওতায় মিরপুর, শাহ আলী ও দারুস সালাম থানা যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
তার দেওয়া জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, ২০২৫-২০২৬ মেয়াদে শরীফউদ্দীন জুয়েল ও সাজ্জাদুল মিরাজের নেতৃত্বাধীন কমিটিতেও আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সংগঠনকে আরও গতিশীল করা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যাশা নিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনে আগ্রহী তিনি।

৩ বার কারাবরণ, ২৩ মামলার কথা উল্লেখ
নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রতিকূল পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ১৯৯৯, ২০১৪ ও ২০২৩ সালে তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে। এ ছাড়া নিজের বিরুদ্ধে মোট ২৩টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই যুবদল নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় নানা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতাকে নিজের রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখেন কামরুল ইসলাম। তার মতে, সংগঠনের জন্য কাজ করতে হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের সমন্বয় প্রয়োজন।

শিক্ষাজীবন ও ব্যক্তিগত পরিচয়
কামরুল ইসলাম শহীদ আবু তালেব উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে সরকারি বাঙলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক (ডিগ্রি) সম্পন্ন করেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি বিবাহিত।

সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে কামরুল ইসলাম তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চান। ছাত্রদল থেকে যুবদল পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তার রাজনৈতিক পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি।

তৃণমূল পর্যায়ের রাজনীতি দিয়ে যাত্রা শুরু করে মহানগর পর্যায়ে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি এখন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসার প্রত্যাশা করছেন। তার এই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নির্ভর করবে দলীয় সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার ওপর।