ড. আরএম দেবনাথ
গত সপ্তাহে অর্থনীতির ওপর অনেক খবর ছিল। একটি খবর ছিল সুদের হারের ওপর। এতে বলা হয়েছে, অনেক ব্যাংক আমানতের ওপর সুদের হার বাড়িয়েছে। দ্বিতীয় খবরটি যা আমার চোখে পড়েছে তা টাকা পাচারের ওপর। আমদানি ঋণপত্রের মাধ্যমে দেশ থেকে বহু টাকা পাচার করা হচ্ছে। পরের যে খবরটি দেখলাম তা মজুরি সংক্রান্ত। তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের বেতন-মজুরি বৃদ্ধিকল্পে মজুরি বোর্ড গঠন করছে সরকার। এর পরের খবরটি ব্যাংকের মালিকদের কীর্তির ওপর। ব্যাংকের টাকা লুট করে ওই টাকাতেই ব্যাংকের মালিক হচ্ছে অনেকেই। এই খবরের পরে আরেকটি খবর দেখলাম চাকরি হারানোর ওপর। অনেক প্রাক্তন প্রধান নির্বাহী ব্যাংকার চাকরি হারিয়ে এখন বেকার জীবন কাটাচ্ছেন। বলা বাহুল্য, এমনতর খবরে দৈনিক কাগজগুলো ভর্তি। আমার সামনে এই মুহূর্তে প্রশ্ন কোন্টা ছেড়ে কোন্টার ওপর লিখি। অথচ লিখতে ইচ্ছে করে সবগুলোর ওপরই। কারণ কোন খবরই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। যেমন চাকরিহারা ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের খবর। খবরে দেখা যাচ্ছে ৮ জন ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাকরি হারিয়েছেন নানা কারণে। এতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাংকিং খাতে দক্ষ ব্যবস্থাপকের অভাব হবে। তা হতেই পারে। তবে বিবেচ্য বিষয় আরও আছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা এখন ৬৫ বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারেন। অন্যরা মোটামুটি ৬০ বছরের মধ্যেই অবসরে যান। ৬৫ বছর বেশ লম্বা সময়। অভিজ্ঞতায় দেখা যায় মালিকদের অনেক ‘প্রিয়’ ব্যবস্থাপক ৫০-৫২ বছরে এমনকি আরও আগে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন। তারপর থাকে ১৫ বছর। তিন বছরী মেয়াদে ৫টি মেয়াদ হয় পাওনা। তারা তখন বড় বেতনের চাকরির লোভে মালিকদের চাটুকারে পরিণত হন। ব্যাংকে যাচ্ছেতাই করেন। জানা দরকার ব্যাংক চলে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সইয়ে। পরিচালকদের ‘কাম কাজ’ করতে হয় ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মাধ্যমে। গড়ে ওঠে ‘সখ্য’।
এ জন্য আমি বরাবর বলে আসছি ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের ‘ফিক্স’ করুন। দেখলাম বাংলাদেশ ব্যাংক ইদানীং দু-চারজনকে চাকরিচ্যুত করছে। ভাল কাজ। এর গতি বাড়ানো দরকার। চাকরি হারানো ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের প্রতি অযথা সহানুভূতিশীল না হয়ে তারা যেসব ব্যাংক চালিয়েছেন সেখানে শ্রেণীবিন্যাসিত ঋণ কত, প্রভিশনিংয়ের অবস্থা কী, পুঁজির অবস্থা কী এসব দেখা দরকার। তারা কত জনের চাকরি দিয়েছেন এবং কত জনের চাকরি খেয়েছেন তার হিসাবও নেয়া দরকার। ব্যাংকিং খুব বেশি মেধার কাজ নয়। শ্রম সেখানে বেশি। সেখানে সবাই মিলে কাজ করে। সব ‘জয়েন্ট প্রোডাক্ট’, এ্যাসেম্বলিং প্রোডাক্ট। অতএব দরকার সকলের গুণগত মান বৃদ্ধি। দরকার সকল স্তরের ট্রেনিং যা হয় না। বিদেশ যাওয়া ছাড়া বহু ‘এমডির’ নিয়মিত প্রশিক্ষণও নেই। আর এখন ওপরে উঠছেন যারা তাদের বেশিরভাগই মালিকের ‘লোক’। ব্যতিক্রম নেই বলব না। নিচের দিকে বহু ভাল ভাল অফিসার আছেন। প্রকৃতপক্ষে তারাই ব্যাংক চালান, ব্যাংককে ধরে রাখেন। অতএব দক্ষ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অভাব হবে, আর সে কারণে ব্যাংকের সমস্যা এমন চিন্তা করা একটু বেশি চিন্তা করা হবে। আপাতত এটুকু বলেই অন্যদিকে যাচ্ছি। পরের বিষয় ব্যাংকের টাকা লুটে ব্যাংকের মালিক হচ্ছেন। আমার উল্টো প্রশ্ন এটা এ হতভাগা দেশে কবে হয়নি। প্রথম প্রজন্মের ব্যাংকগুলো কীভাবে হয়েছে? যে দেশে লোকের পুঁজির অভাব তারা নিজের পুঁজি দিয়ে কীভাবে শিল্পই করবে, কীভাবে ব্যাংকই বানাবে। একটা ব্যাংক করতে ৪০০ কোটি টাকা লাগে। তাও আবার ওই টাকা হতে হবে ‘সাদা’ টাকা অর্থাৎ কর পরিশোধিত টাকাÑ ‘ট্যাক্সপেইড’ টাকা। এটা খেলা কী কথা? কয়জনের আয়কর ফাইলে এক কোটি টাকার সম্পদ আছে যে, ৪০০ কোটি টাকা দিয়ে ব্যাংক বানাবে। অতএব অধিকাংশ ক্ষেত্রে, সিংহভাগ ক্ষেত্রে ব্যাংকের টাকা দিয়েই ব্যাংক বানাতে হবে, শিল্প করতে হবে। এটা বাস্তব সত্য কথা মতিঝিল পাড়ায় ঘুরলেই কে কীভাবে ব্যাংক পরিচালক হওয়ার জন্য টাকা যোগাড় করেছেন তার খবর পাওয়া যায়। অতএব আমার কাছে এটা কোন খবরই নয়। ১৯৭৬ সালে দেশে কোন বেসরকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছিল না। সেই দিনে যে একটি বেসরকারী বিনিয়োগ কোম্পানি সরকার উদ্যোগ নিয়ে করে দিয়েছিল তার ব্যবসায়ী উদ্যোক্তারা পুঁজি যোগাড় করেছিলেন ব্যাংক থেকে সরকারের নজরের মধ্যেই। প্রথম প্রজন্ম দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর মালিকদের পুঁজিও এভাবেই সংগৃহীত হয়েছিল। ভাল খবর দেখলাম মজুরি বৃদ্ধির ওপর। ২০১০ সালের পর ২০১৩ সালে তৈরি পোশাক খাতের জন্য মজুরি বোর্ড করে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি করা হয়। কাগজে দেখলাম বর্তমানে নি¤œতম মজুরি ৫ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৩ হাজার টাকা। অন্য দেশের হিসাব নয় নিজেদের কাছেই লজ্জা লাগে এই খবরে। চাল, ডাল, নুন, তেল, পেঁয়াজ, মরিচ ইত্যাদির দাম কত সবই জানি। এই ভরা শীতকালে সবজির দাম সব ৭০-৮০ টাকা কেজি। এ সময়ে চালের দাম থাকে নি¤œমুখী। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য এখন চালের দামেও অস্বাভাবিকতা। সরকার সমর্থক ১৪ দলও তাদের সভায় এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সামনে নির্বাচন। তাই তারা সরকারকে সাবধান হতে বলেছে। তার মানে কী? মানে দ্রব্যমূল্য উর্ধমুখী। মূল্যস্ফীতির সরকারী তথ্যও একই কথা বলছে। এই প্রেক্ষাপটে ৫ হাজার ৩০০ টাকা মাসিক মজুরি নিতান্তই কম। এর দ্বারা কোন শ্রমিকের পক্ষে ঘর-সংসার করা সম্ভব নয়। বিদেশের সঙ্গে মেলালে তো বিষয়টি হয় ভয়াবহ। দেখা যাচ্ছে প্রতিবেশী ভারতে নি¤œতম মজুরি হচ্ছে ৬ হাজার ৮৪ টাকা। ভারতের রুপি আমাদের থেকে শক্তিশালী। ইন্দোনেশিয়ায় তা ৭ হাজার ১৭৬ টাকা।
পাকিস্তান ও কম্বোডিয়ায় নি¤œতম মজুরি ৭ হাজার ৭২২ টাকা ও ৯ হাজার ৯৮৪ টাকা। মালয়েশিয়ায় তো মজুরি অনেক বেশি ১৭ হাজার ৫৫০ টাকা। আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার তাদের কারও চাইতে কম নয়। পোশাক রফতানি ও বৃদ্ধির দিকে পোশাক শিল্পের মালিকরা এখন ব্যাংক, বীমা লিজিং কোম্পানিরও মালিক। তারা রাজনীতিরও মালিক হচ্ছেন দেখা যাচ্ছে। তাদের মাল খোলা বাজারে বিক্রি হয়। এনবিআর বলছে বছরে তারা বন্ড সুবিধায় ফাঁকি দেন ৮০ হাজার কোটি টাকা। এমতাবস্থায় গরিব শ্রমিকদের মজুরিটা একটু ভদ্রভাবে বাড়াতে আপত্তি কোথায়। শ্রমিকরা তো প্রায় পোশাক শিল্পের শত্রুপক্ষ নয়। অবশ্য দেখা যাচ্ছে এই শিল্পেও ‘রোবট’ বসছে। তার মানে ভবিষ্যতে শ্রমিক ছাঁটাই শুরু হবে। কোথাও কোথাও হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় দেখা যাচ্ছে মালিকরা প্রতিযোগিতার কথা বলে শ্রমিকের বদলে রোবটের দিকে যাচ্ছেন। এর অর্থ তাদের কাছে। ‘মজুরি বৃদ্ধির বিকল্প পন্থা তৈরি হচ্ছে। যদি তাই হয় তাহলে তো কর্মসংস্থান সৃষ্টির আর পথ থাকে না। শত হোক এই শিল্পে ৪০ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এদের ভবিষ্যত কী? মজুরি বৃদ্ধি যেমন প্রশ্ন তেমনি প্রশ্ন কর্মংস্থানেরও। সরকারকে দুই দিকই ভাবতে হবে। এদিকে খবর হচ্ছে, তিনটি পণ্যের আমদানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। পণ্য তিনটি হচ্ছে ভোজ্যতেল, চিনি এবং কাঁচা তুলা। খবরটিতে বলা হয়েছে, এসব পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়েনি, বরং কমেছে। আবার এসব পণ্য আমদানির পরিমাণও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তুলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, যে পরিমাণ তুলা আমদানি হয়েছে সেই অনুপাতে তৈরি পোশাক রফতানি বাড়েনি। অতএব সন্দেহ করা হচ্ছে প্রচুর টাকা এই তিন পণ্যের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে শুধু তিন পণ্য নয়, আমদানি হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচারের প্রধানতম উৎস। রফতানির মাধ্যমেও টাকা পাচার হয়। স্বর্ণ ও হুন্ডির মাধ্যমে যে টাকা পাচার হয় তার পরিমাণ খুব বেশি নয়। তবু এ দুটোর আলোচনাই বেশি। এর ওপর নজরদারিও বেশি। মিডিয়া সোনা ও হুন্ডি নিয়ে যত সরব আমদানি ও রফতানির মাধ্যমে পাচারের বিষয়ে ততটা সরব নয়। অথচ এই দুটোই আদি পাপী। আমদানি ও রফতানির মাধ্যমে টাকা পাচার হয় যথাক্রমে ‘ওভার ইনভয়েসিং এবং আন্ডার ইনভয়েসিং করে। আমদানির সময়ে মালের দাম বেশি ধরে আমদানি করা হয়। টাকা চলে যায় রফতানিকারকের কাছে। রফতানিকারক পরে বাংলাদেশী আমদানিকারকের পছন্দের এ্যাকাউন্টে টাকা ফেরত দিয়ে দেয়। এর উল্টোটা ঘটে রফতানির মাধ্যমে। ব্যবসা-বাণিজ্যের বিষয়। অতএব উন্নয়নের যুক্তি তুলে কেউ ব্যবসায়ীদের ঘাটায় না। অথচ এই ঘটনা বাংলাদেশে পূর্বাপর চলে আসছে। আলোচনা হয় অব্যবসায়ীদের ওপর। ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী। তারা এখন রাজনীতিবিদ। একদিকে ব্যবসা এবং অন্যদিকে রাজনীতি। অর্থাৎ একদিকে অর্থ সম্পদ এবং অন্যদিকে ‘পাওয়ার’। দুইয়ে মিলে মারাত্মক ঘটনা। যে কারণে কেউ কথা বলে না। অথচ প্রায় সকল আমদানির মাধ্যমেই লোকে টাকা পাচার করে। এই পাচারের মাধ্যমে আবার অনেকেই প্রাথমিক পুঁজি গঠন করে। এক শ’ টাকার মেশিনারি আমদানি ঋণপত্র হলো দেড় শ’ টাকায়। পঞ্চাশ টাকা চীনা রফতানিকারক পেল। তিনি টাকাটা বাংলাদেশী আমদানিকারকের হিসাবে পাঠিয়ে দেয়ার ‘ব্যবস্থা’ করলেন। বাংলাদেশী ব্যবসায়ীর ৫০ টাকা ‘পুঁজি’ তৈরি হলো। এই পথ চিরায়ত পথ। এই পথেই লোকে টাকা বানাচ্ছে।
অতএব শুধু ভোগ্যপণ্য আমদানি নয়, যাবতীয় আমদানি ব্যবসাই টাকা পাচার ও পুঁজি তৈরির বড় মাধ্যম। এর বিচার কী? বিচার কঠিন। কারণ ব্যাংকাররা এই কা-ের ‘দোসর’। বিদেশী সরকাররা রফতানি ব্যবসার উন্নয়নের নামে এসব সহ্য করে, উৎসাহ যোগায়। অধিকন্তু তারা ‘মানি লন্ডারিং’-এ সম্মতি দেয়। বিদেশী মানে রফতানিকারকরা যদি মানি লন্ডারিংয়ে কড়াকড়ি দেখাত, ওইসব দেশের ব্যাংকাররা যদি কড়াকড়ি করত তাহলে টাকা পাচারের কাজ কঠিন হতো। টাকা পাচার হয়ে যেসব জায়গায় যায় তার নাম আমরা এখন জানি। ওদেরকে সব দেশ মিলে ধরে না কেন? যারা আমাদের গলায় ধরে ‘মানি লন্ডারিং প্রিভেনশন’ আইন বাস্তবায়িত করায় তারা ওইসব দেখে না? যদি ওদের সঙ্গে না পারে তাহলে আমাদের ওপর এত অত্যাচার কেন? যতদিন পর্যন্ত বাইরে টাকা রাখার নিরাপদ জায়গাগুলো থাকবে, সুইস ব্যাংক থাকবে এবং যতদিন রফতানিকারকদের দেশ ও ব্যাংক এসবে উৎসাহ যোগাবে ততদিন বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচার হবে। এবার আসা যাক সুদের প্রশ্নে। আশার কথা আমানতের ওপর সুদের হার বাড়ছে। ব্যাংকগুলোর এখন আমানত (ডিপোজিট) দরকার। তারা ঋণ দিচ্ছে বেশি। এটা আবার খারাপ লক্ষণ। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঋণ দেয়া হলে তা আদায় করা কঠিন। আর যদি ঋণ বেশি দেয়া হয় তাহলে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি থাকে। বেশি বেশি ঋণ মানে, বেশি বেশি আমদানি। এতে টাকা পাচারের ঘটনাও বাড়ে যদি না’ মনিটরিং ব্যবস্থা শক্ত হয়। বর্তমান অবস্থায় আমানতকারীরা একটু উপকৃত হবে। আমানত মানে সঞ্চয়। বাংলাদেশ আমেরিকা নয় যা বানানোর জন্য অনেকেই চেষ্টারত। আমেরিকা একটি ধনী দেশ। সবচেয়ে বড় ঋণ দেয়। তাদের সঞ্চয় লাগে না। তাদের পরিবার নেই। আমরা পরিবার ভিত্তিক সমাজ। এ দেশের গরিবরাও কিছু না কিছু সঞ্চয় করতে চায় দুর্দিনের জন্য। এই সঞ্চয়ী মানুষকে দুর্দিনে বাঁচায়। কারণ সরকার মানুষের দুর্দিনে কাজে আসে না। অতএব সঞ্চয়কে উৎসাহিত করা দরকার। ভোগ বাড়াও, ভোগ বাড়াও বলে সঞ্চয়কে কুড়াল মারা ঠিক হবে না। চীন ও ভারত যারা উন্নতি করছে তারা সঞ্চয়ী দেশ। সঞ্চয় মানেই ব্যাংক। আর চীন, ভারতসহ প্রায় সব দেশই ‘ব্যাক ফিন্যান্সে’ উন্নয়ন করছে। এখানে ‘ক্যাপিটেল মার্কেটের অবদান সামান্য। এ কথাটা মনে রাখা দরকার।
লেখক : সাবেক শিক্ষক, ঢাবি

