ঢাকাWednesday , 15 July 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাকায় কিশোর গ্যাং: এলাকাভিত্তিক বিস্তার, অপরাধ ও উদ্বেগ বাড়ছে

মশিউর সুমন
July 15, 2026 9:40 pm
Link Copied!

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কথিত ‘কিশোর গ্যাং’-এর তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব গোষ্ঠী ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, আধিপত্য বিস্তার, হামলা, কিশোর সংঘর্ষ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রুপভিত্তিক বিরোধে জড়িয়ে পড়ছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে ঢাকার বিভিন্ন থানায় শতাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয় থাকার তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহাম্মদপুর, আদাবর, মিরপুর, পল্লবী, কাফরুল, উত্তরা, বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা, খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, কদমতলী, সবুজবাগ, শ্যামপুর, কামরাঙ্গীরচর, কেরানীগঞ্জসংলগ্ন এলাকা, তেজগাঁও, শাহজাহানপুর ও দক্ষিণখানের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রয়েছে। তবে সব এলাকায় একই মাত্রায় অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে—এমনটি নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব গোষ্ঠীর সদস্যদের অনেকেই প্রকৃত অর্থে কিশোর নয়; অনেকের বয়স ১৮ বছরেরও বেশি। তারা স্থানীয়ভাবে ‘বড় ভাই’ বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রচ্ছায়ায় পরিচালিত হয় বলে বিভিন্ন অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। অপরাধের মধ্যে রয়েছে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, জমি দখলে সহায়তা, কেবল ও ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিপক্ষের ওপর হামলা।
অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক অবহেলা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়া, মাদকের বিস্তার, বেকারত্ব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আধিপত্যের প্রতিযোগিতা এবং অপরাধী চক্রের প্ররোচনা কিশোরদের এমন গোষ্ঠীতে জড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন গ্যাংয়ের সদস্যদের গ্রেপ্তার করছে। পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নজরদারি, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত, কেবল আইনগত ব্যবস্থা নয়, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজকর্মী ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই রাজধানীতে কিশোর গ্যাং সংস্কৃতি কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব।