দেশে দিন দিন উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা সে অনুযায়ী কম। ফলে বাধ্য হয়ে তাদেরকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে। সেখানে খরচ তুলনামূলক বেশী হওয়ায় অনেক মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনা বেসরকারিতে পড়াশোনা করার। ফলে তাদের উচ্চ শিক্ষা নেয়ার সুযোগ কমে যাচ্ছে। হয়ত এসব বিবেচনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে দরিদ্র ও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩ শতাংশ বিনাবেতনে পড়ালেখার সুযোগ রাখা হয়েছে। যদিও ৩ শতাংশ খুব বেশী না। এটা আরও বাড়ানো যেতে পারে। তাহলে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করি। এজন্য সরকারের এ বিষয়ে সুনজর দেয়া উচিত।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট আসনের ৬ শতাংশ দরিদ্র ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সম্পূর্ণ বিনা বেতনে ভর্তি করানোর কথা। এর মধ্যে ৩ শতাংশ দরিদ্র পরিবারের জন্য এবং বাকি ৩ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের জন্য বলা আছে। বিদ্যমান এ আইনে এ হার যদি আরও বাড়ানো যায় তাহলে বর্তমানের চেয়ে আরও অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা লাভের পথ তৈরি হবে।
লেখক : নোশিন ওবায়েদ, সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়।

