ঢাকাFriday , 28 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেশ-বিদেশে মানবাধিকার

Link Copied!

ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার,
প্রতি বছরের ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হচ্ছে সুদীর্ঘ ৬৫টি বছর ধরে। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গৃহীত সার্বজনীন মানবাধিকার সনদের আদর্শ ও দর্শন পরবর্তীকালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দলিলে বিস্তারিতভাবে শুধু সন্নিবেশিতই করা হয়নি বরং তা কার্যকর করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এসব দলিলে যেকোন ধরণের নির্যাতন-নিপীড়নকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক সংবির্ধি (ধারা-৭), ইউরোপীয় মানবাধিকার চুক্তি (ধারা-৩), আমেরিকার মানবাধিকার চুক্তি (ধারা-৭) এবং আফ্রিকান মানবাধিকার চুক্তি বা বানজুল চার্টার (ধারা-৭) সহ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ (ক) অনুচ্ছেদে নির্যাতনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন ইতোমধ্যে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিশ্বব্যাপী আজ মানবাধিকার লংঘনের এক ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল অমানবিকই নয়, যে কোন সময়কার বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে।
আজ বিশ্বে দু’ধরণের মানবাধিকারের কথা সকলের কাছে পরিচিত-তৃতীয় বিশ্বসহ আরব বিশ্বের মানবাধিকারকে একদিকে রাখা হয়েছে অপরদিকে উন্নত বিশ্বের মানবাধিকার আচার-আচরণকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এ ছাড়া দরিদ্র দেশগুলোর কোটি কোটি মানুষের মানবাধিকার হচ্ছে নিম্নতম আহার যোগানোর নিশ্চয়তা, কায়িক পরিশ্রমী শ্রমিক-মজুর তাদের ন্যায্য মজুরি পাওয়ার নিশ্চয়তা, অমানবিক নির্যাতন থেকে নিজেকে রক্ষা করার প্রচেষ্টা, নারীদের ধর্ষিত হওয়ার লোমহর্ষক ঘটনা এবং স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তার আকাঙ্ক্ষাই হচ্ছে মানবাধিকার দিবসে উন্নয়নশীল বা দরিদ্র দেশগুলোর মানুষের প্রত্যাশা। এ ছাড়া বাংলাদেশসহ বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কর্তৃক অসংখ্য মানুষ হতাহতের ঘটনা মানবাধিকার সম্মত সমাজ ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। শক্তিধর দেশগুলোর কাছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষার অজুহাতে অথবা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে একই অজুহাতে দেশর অভ্যন্তরে প্রবেশ করে দেশটিকে তার কব্জায় আনা এবং বিপুল পরিমাণে নিজেদের তৈরি অস্ত্র বিক্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বা তেল সম্পদ লুট করা হচ্ছে মানবাধিকার। এ ছাড়া উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফের মাধ্যমে মহাজনি ঋণ দিয়ে দেশগুলোর অর্থনীতিকে দেউলিয়া করা, কোটি কোটি মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র তৈরি করে নিজেদের শক্তির হুংকার করা হচ্ছে আরও একটি মানবাধিকার।
তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশে আজও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে সামরিক শাসন জারি রয়েছে, কোন কোন ক্ষেত্রে সামরিক শাসকরা গণতন্ত্রের লেবাস গায়ে লাগিয়ে মানবাধিকার লংঘন করেই যাচ্ছে। এ সকল দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীদের উপর ভিন্ন মতাবলম্বীর অপরাধে নির্যাতন, নিপীড়ন ও জুলুম চালিয়ে মানবাধিকারকে পদদলিত করছে। তৃতীয় বিশ্বের দেশে দেশে মানবাধিকার লংঘন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং তাদের কয়েকটি মিত্র দেশ জাতিসংঘকে ভ্রূকুটি দিয়ে ইতোপূর্বে ইরাকের উপর হামলা চালিয়ে দেশটিকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। ইরাকের কতিপয় নাগরিককে কিউবার গুয়েনতানামো কারাগারে নিয়ে কারাবন্দীদের উপর নির্যাতনের ঘটনা সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। লিবিয়ার জনক কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফীকে গণতন্ত্রের নামে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। পশ্চিমাদের সমর্থনপুষ্ট কতিপয় বিদ্রোহীরা বর্তমানে লিবিয়া শাসন করছে এবং বর্তমানে লিবিয় জনগণ তাদের জনক মুয়াম্মার গাদ্দাফীর আমলের অবস্থা এবং বর্তমান অবস্থাকে পাশাপাশি রেখে পূর্বেকার অবস্থাকেই শ্রেষ্ঠকাল বলে বর্ণনা করছে। লিবিয়ার ন্যায় একই কায়দায় সিরিয়ায় বর্তমানে চলছে গৃহযুদ্ধ। পশ্চিমাদের সহায়তাপুষ্ট কতিপয় বিদ্রোহী বর্তমানে সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এক সমীক্ষায় দেখা যায়, গত ৬ মাসে সিরিয়ায় সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে মৃতের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সিরিয়ার বিষয়ে জাতিসংঘের ভূমিকা বিতর্কিত বলে বিশ্ববিবেক মনে করছে।
প্যালেস্টাইন মুসলিমদের উপর ইসরাইলের সাম্প্রতিক বর্বরতম হামলায় শতশত নারী ও শিশুসহ অসংখ্য মানুষ হতাহত হয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে (আমেরিকাসহ ৬টি দেশ ছাড়া) প্যালেস্টাইনকে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে অনুমোদন প্রদান করেছে। প্যালেস্টাইন জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ না পেলেও পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে অনুমোদন পেয়ে দীর্ঘদিনের প্যালেস্টাইন আন্দোলনের সফলতা বয়ে এনেছে। ভারতের কাশ্মীরে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। কাশ্মিরিরা তাদের আত্মঅধিকার লাভের ইচ্ছায় ভারতীয় সৈন্যদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কস্থ টুইন টাওয়ারে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশগুলোর উপর আল কায়েদা ও তালেবান নির্মূলের লক্ষ্যে দেশগুলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে ধ্বংসযজ্ঞ পরিচালিত হচ্ছে, যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। তালেবান ও আল কায়দা সন্ত্রাসীদের দমনের নামে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো বাহিনীসহ তাদের মিত্রদের হামলা এবং হামলা পরবর্তী অসংখ্য বেসামরিক আফগান নাগরিককে হতাহত করা মানবাধিকারের লঙ্ঘন। বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র নিজে মানবাধিকার লংঘন করলে তা মানবাধিকার লংঘনের আওতায় না এনে অপর কোন ক্ষুদ্র দেশের ছোটখাট আভ্যন্তরীণ ঘটনাকে মানবাধিকার লংঘন বলে বড় করে দেখানোর ফলে মানবাধিকার কথাটির উপর মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমার। বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক হাওয়া বয়ে গেলেও মায়ানমারে গণতন্ত্রের হাওয়া এখনো পৌঁছাতে পারেনি। মায়ানমারের সামরিক জান্তার মানবাধিকার লংঘনের কাহিনী অনেক বেশি, সেখানে কেবল গণতন্ত্রকে হত্যা করেই সামরিক জান্তা ক্ষান্ত হয়নি। বার্মার সামরিক জান্তা সে দেশের জননেত্রী অং সান সুকিকে প্রায় একযুগেরও বেশি সময় ধরে গৃহবন্দী করে রেখেছে। সম্প্রতি অং সাং সুকি মুক্তি পেয়ে মানবাধিকার আন্দোলনে সম্পৃক্ততার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী সফর করছেন এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে আওয়াজ তুলছেন। বর্তমানে বাংলাদেশে মানবাধিকার লংঘনের সবচেয়ে বড় অধ্যায়টি হচ্ছে বিনা বিচারে হত্যা, সন্ত্রাস এবং দুর্নীতি। এছাড়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, হানাহানি, লুটপাট এবং ধ্বংসযজ্ঞ ঘটনায় মানবাধিকার পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত থেকে যারা এদেশের বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে তাদের বিচার প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের প্রত্যাশা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিরপেক্ষ ও নির্ভুল হোক সেটা যেমন কাম্য, পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে কাউকে যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে সেটিও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। গত বছর জামায়াত ও শিবির কর্মীরা পুলিশের উপর আক্রমণ চালিয়ে অনেক পুলিশ সদস্যকে গুরুতর আহত করেছে। পুলিশের উপর আক্রমণ কোন গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিকের কাম্য হতে পারে না, পাশাপাশি পুলিশ কর্তৃক জনগণের উপর অজাতিক হামলা বা নির্যাতন চালানোও মানবাধিকার লঙ্ঘন। রাজনৈতিক পক্ষ প্রতিপক্ষের মধ্যে সম্মুখ আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে প্রতিনিয়ত হতাহতের ঘটনা সাধারণ মানুষকে শঙ্কিত করে তুলছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে, পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনরায় প্রবর্তন না করার বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। রাজনৈতিক এই মেরুকরণ বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতিকে ক্রমেই আচ্ছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সূত্রে দেখা যায়-২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর ১১ মাসে মোট হত্যাকা-ের শিকার ৪২৬১ জন। এর মধ্যে ক) সামাজিক সহিংসতার কারণে হত্যা ২৮৫৬ জন, খ) আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হেফাজত ও ক্রসফায়ারে নিহত ৯০ জন, গ) রাজনৈতিক ব্যক্তি হত্যার শিকার হয় ১৮৮ জন, ঘ) যৌতুকের কারণে হত্যা ২৫৯ জন, ঙ) গণপিটুনিতে নিহত ১১৪ জন, চ) ধর্ষণের পর হত্য ১৬৮ জন, ছ) গৃহপরিচারিকা মৃত্যু ৩১ জন, জ) সীমান্ত এলাকায় নিহত ৫৫ জন, ঝ) সাংবাদিক হত্যা ৪ জন। মোট ধর্ষণের শিকার ৫৭৮ জন। এর মধ্যে ক) নারী ধর্ষণ ২২১ জন, খ) শিশু ধর্ষণ ৩৭২ জন, গ) ধর্ষণের পর হত্যা ১৬৮ জন। এ ছাড়া একই সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনজনিত ঘটনায় নির্যাতনের শিকারের মধ্যে নির্যাতনে সাংবাদিক আহত ১১৭ জন, এসিড নিক্ষেপের শিকার হয় ৫৪ জন, ইভটিজিং ১৬৩, বোমায় আহত ৬৫, গৃহপরিচারিকা নির্যাতন ১১, অপহরণ ৯৫, ছিনতাই ১৩৬ জন।
সন্ত্রাস দমন করে জনগণকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, তবে সন্ত্রাস দমনের নামে যাতে করে মানবাধিকার লঙ্ঘন না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। বাংলাদেশে বর্তমানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে লাঞ্ছিত করা, বছরের পর বছর দেশ-বিদেশের কারাগারে হাজার হাজার বাংলাদেশি নাগরিক আটকে থাকা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের আইনের প্রতি ভ্রুকুটি প্রদর্শন, র‌্যাবের ক্রসফায়ারের নামে মানুষ হত্যা, পুলিশি শাসন, শতশত গার্মেন্টস শ্রমিকদের পুড়িয়ে হত্যা করা, নারী নির্যাতন-ধর্ষণ, অব্যাহত এসিড আক্রমণ, শিশুদের প্রতি অমানবিক আচরণ ও বেআইনি শিশু শ্রম প্রদানে বাধ্য করা, শ্রমজীবী মানুষের চাকরি ও জীবনের নিরাপত্তা বিধান না করা, নারী ও শিশুদের ব্যাপকহারে বিদেশে পাচার রোধে ব্যর্থ হওয়া, জনশিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের প্রতি অমার্জনীয় অবহেলার সার্বজনীন অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের নির্যাতনে থানাহাজতে ও কারাগারের অভ্যন্তরে জীবননাশের ঘটনা এ দেশে নতুন কিছুই নয়। আগের সরকারগুলোর আমলে যেমন করে এ সকল হত্যাকা- সংঘটিত হয়েছে, বর্তমান সরকারের আমলেও একইভাবে এই হত্যাকা- চলছে। মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা, দেশের বিচার বিভাগকে পরিপূর্ণভাবে প্রশাসন থেকে আলাদা করা। এছাড়া দু’টি কালো আইন যথাক্রমেঃ ১৯৭৪ সালের প্রণীত বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং বাংলাদেশ দ-বিধির ৫৪ ধারা আইন দুটি বাতিলের মাধ্যমে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের নিকট এই নিবর্তনমূলক আইন দু’টি বাতিলের দাবি জনগণেরই।
আমাদের উচিত আমরা প্রত্যেকেই যেন মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই এবং একে অপরের মানবাধিকার সংরক্ষণে সক্রিয় হই, তা না হলে মানবাধিকার ঘোষণার মূল্য থাকবে না এবং মানবাধিকার শব্দটি তাৎপর্যহীন হয়ে পরবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলসহ ব্যক্তিগত জীবনে অহিংসা, ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা, সহনশীলতা এবং প্রত্যেকেই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাভাজন হই, এটাই প্রত্যাশা করি।

লেখক : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী ও গবেষক