ড. মো. ফরিদ উদ্দিন
অন্ন ও বাসস্থানের পাশাপাশি বস্ত্র মানুষের একটি মৌলিক চাহিদা। সকল ফসলের মধ্যে শুধুমাত্র তুলা হতেই আঁশ ও খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যায়। তুলা হলো একটি আঁশজাতীয় ফসল যা থেকে ভোজ্য তেল ও পশুখাদ্য খৈল পাওয়া যায়। তুলার আঁশ বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে যা বিশ্ব অর্থনীতি এবং সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে ক্রান্তিয় ও উপ-ক্রান্তিয় অঞ্চলের ৭০টির বেশি দেশে ২.৫% চাষাবাদযোগ্য জমিতে তুলার আবাদ হচ্ছে।
স্বাধীনতা লাভের পর দেশীয় বস্ত্রশিল্পে তুলার মারাত্মক সংকট দেখা দেয়ার প্রেক্ষিতে দেশে তুলাচাষ সম্প্রসারণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐকান্তিকতায় ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয়। যা ১৯৭৩ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ গেজেট, পার্ট-১ এ প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯৯১ সালে তুলা গবেষণার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট হতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের ওপর ন্যস্তকরণের পর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের রেজ্যুলেশনটি সংশোধন করা হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন তুলা উন্নয়ন বোর্ড দেশে তুলার গবেষণা এবং তুলা চাষ সম্প্রসারণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে এবং বতর্মানে তৈরি পোশাক শিল্প ও জাতীয় অথর্নীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তুলা টেক্সটাইল মিলের প্রধান কাঁচামাল এবং একটি অর্থকরী ফসল। চাষীদের নিকট তুলা চাষ অধিকতর লাভজনক করার লক্ষ্যে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রধান কার্যক্রমসমূহ হলো- গবেষণা, সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ ও তুলার বাজারজাতকরণে চাষীদের সহায়তা প্রদান। বর্তমান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তুলা উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে বিগত কয়েক বছর যাবত আমাদের দেশে তুলার উৎপাদন ক্রমবর্ধনশীল। ২০১৪-১৫ সালে দেশে ৪২,৭০০ হেক্টর জমিতে তুলা আবাদ করে ১,৬১,০০০ বেল আঁশতুলার উৎপাদন করা হয়েছে, যা তুলা উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠাকালের পর থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ। দেশের ৩৯২টি স্পিনিং মিলের বার্ষিক আঁশতুলার চাহিদা প্রায় ৪৫ লাখ বেল (১ বেল = ১৮২ কেজি)। বর্তমান উৎপাদন দেশীয় চাহিদার মাত্র ৩.৬ শতাংশ। স্থানীয়ভাবে মোট চাহিদার ১৫-১৬ শতাংশ মেটানের লক্ষ্যে তুলা উন্নয়ন বোর্ড আগামী ২০২০-২০২১ সালের মধ্যে ১,০০,০০০ হেক্টর জমিতে তুলা আবাদের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশ পৃথিবীর ৫ম বৃহত্তম তুলা ব্যবহারকারী এবং ২য় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশ। বাংলাদেশ সাধারণত ভারত, সিআইএস (উজবেকিস্তান, কাজাখাস্তান ইত্যাদি) এবং আফ্রিকার দেশগুলো থেকে তুলার আমদানি করে থাকে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, আমাদের দেশে উৎপাদিত তুলার গুণগতমান আমদানীকৃত তুলার গুণগত মানের চেয়ে উৎকৃষ্ট।
তুলার আবাদ বস্ত্র শিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলার আঁশ যোগানোর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের খাদ্য নিরাপত্তায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। তুলার বীজ বপন থেকে শুরু করে বীজ তুলা প্রক্রিয়াজাতকরণ পর্যন্ত মহিলা শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। উৎপাদিত বীজ তুলা থেকে ৪০% আঁশ ও ৬০% বীজ পাওয়া যায়। বীজ থেকে পুনরায় ১৫% ভোজ্য তৈল ও ৮৫% খৈল পাওয়া যায়। তুলার খৈল মাছ ও পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অপরদিকে শুকনো তুলা গাছ জ্বালানি কাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রাক্কলন করে দেখা যায় যে, ১ লাখ হেক্টর জমিতে তুলার আবাদ করা হলে তা থেকে ১,৮৪১ কোটি টাকা মূল্যমানের ৭ লাখ বেল আঁশতুলা, ৫৪০ কোটি টাকা মূল্যমানের ৪৫,০০০ টন ভোজ্য তেল, ৩৩৮ কোটি টাকা মূল্যমানের ১,৩৫,০০০ টন খৈল এবং ২৪০ কোটি টাকা মূল্যমানের ৪,৮০,০০০ টন জ্বালানি কাঠ পাওয়া যাবে অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে দেশীয় অর্থনীতিতে প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকার মূল্য সংযোজন করা সম্ভব হবে।
ইতোমধ্যে দেশে ১৫-১৮টি প্রাইভেট জিনিং মিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মিলসমূহে তুলাচাষী কর্তৃক উৎপাদিত বীজতুলা হতে প্রথম ধাপে বীজ ও আঁশতুলা আলাদা করা হয়। পরবর্তিতে, বীজ থেকে অপরিশোধিত তুলার তেল নিষ্কাশন করা হয় ও তুলা বীজের খৈল তৈরি করা হয়। অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের মাধ্যমে ভোজ্য তেলে রূপান্তরের জন্য ইতোমধ্যে দেশে একটি রিফাইনারি কারখানা স্থাপিত হয়েছে। উক্ত রিফাইনারি কারখানায় প্রাইভেট জিনিং মিল কর্তৃক নিষ্কাশিত অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে ভোজ্য তেল বাজারজাত করা হচ্ছে।
তুলা একটি খরা ও লবণাক্ত সহনশীল ফসল। এটি মধ্যম মেয়াদি জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে বিধায় বন্যামুক্ত ও উঁচু জমি তুলা চাষের উপযোগী। আমাদের দেশে চাষোপযোগী উঁচু ও উর্বর জমি চাষীরা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী শাক সবজির চাষ ও দীর্ঘ মেয়াদী ফল বাগান তৈরিতে ব্যবহার করে থাকেন। তাই খাদ্য উৎপাদনে কোন বিঘ্ন না ঘটিয়ে তুলা চাষ সম্প্রসারণের জন্য তুলা উন্নয়ন বোর্ড অপ্রচলিত অঞ্চলসমূহে যেমন: তামাক ও কৃষি বনায়ন জমিতে, খরা, লবণাক্ত, চর ও পাহাড়ি এলাকায় তুলা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে।
তামাকের জমিতে তুলা চাষ : আমাদের দেশে বিশেষ করে দৌলতপুর, কুষ্টিয়া, লালমনিরহাট, রংপুর, মেহেরপুর, বান্দরবানের লামা ও আলিকদম এবং দিঘীনালা, খাগড়াছড়িতে প্রায় ২০টি মাঠ ফসলকে প্রতিস্থাপন করে ৫০,০০০ হেক্টর জমিতে তামাকের চাষ করা হচ্ছে। তামাকের জমিতে সারা বছর শুধুমাত্র একটি ফসল করা গেলেও তামাক কোম্পানিগুলো কর্তৃক বীজ বপনের পূর্বেই নগদ টাকা প্রদান, উপকরণ সরবরাহ এবং পূর্ব নির্ধারিত মূল্যে তামাক পাতা বিক্রির নিশ্চয়তাই তামাক চাষ সম্প্রসারণের অন্যতম কারণ। বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তামাক চাষের জমিকে তুলা চাষের আওতায় নিয়ে আসার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করছে।
খরাপ্রবণ অঞ্চলে তুলা চাষ : বাংলাদেশে তুলা চাষ সম্প্রসারণের অন্যতম সম্ভবনাময় এলাকা হলো রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত উঁচু বরেন্দ্র ভূমি। বরেন্দ্র ভূমিতে মোট ৫.৮২ লাখ হেক্টর আবাদযোগ্য জমি রয়েছে। যার ৮৪ ভাগ একফসলি। উক্ত অঞ্চলে ফসলের নিবিড়তা মাত্র ১১৭ শতাংশ। বৃষ্টিপাত কম হওয়া এবং সঠিক সময়ে বৃষ্টিপাত না হওয়াই বরেন্দ্র অঞ্চল খরা প্রবণতার প্রধান কারন। তুলার চাষোপযোগী সময় অর্থাৎ খরিফ-২ (জুলাই-অক্টোবর) মাসে বৃষ্টি নির্ভর আমনের চাষ করা হয়ে থাকে। বীজ বপনের পর থেকে ফুল আসা এবং দানা বৃদ্ধির পর্যায়ে খরার কারণে আমনের ফলন অত্যন্ত কম হয়ে থাকে। মাঠ প্রদর্শনী থেকে দেখ যায়, উক্ত সময়ে তুলা চাষের ফলে চাষীদের আয় অনেক বৃদ্ধি পায়।
পাহাড়ি অঞ্চলে তুলা চাষ : বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল বাংলাদেশের এক দশমাংশ হলেও বিদ্যমান পাহাড়ের কারণে এ অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠের আয়তন অনেক বেশি। উক্ত অঞ্চলে ১১টি বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠী বসবাস করে। কৃষি হলো উপজাতি গোষ্ঠীগুলোর অন্যতম পেশা। ঐতিহ্যগতভাবে পাহাড়ের ঢালে চাষীরা জুম পদ্ধতিতে ফসল চাষ করে আসছে। সনাতন পদ্ধতিতে জুম চাষে ৭-৮টি ফসল মিশ্র প্রক্রিয়ায় চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। জুম ফসলের মধ্য অন্যতম হলো ধান ও তুলা। সনাতন পদ্ধতিতে ধান ও তুলা উভয়ের ফলন কম হয়। তুলা উন্নয়ন বোর্ড বিগত কয়েক বছর গবেষণার মাধ্যমে পাহাড়ের ঢালে আন্তঃফসল পদ্ধতিতে সারি করে ধান ও তুলা চাষের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। আন্তঃফসল চাষে ধান ও তুলা উভয়েরই ফলন বেশি হয়।
পাহাড়ের ঢালে জুম পদ্ধতিতে চাষীরা সাধারণত পাহাড়ি তুলার চাষ করে থাকে। উক্ত তুলা সমভূমির অঞ্চলে চাষকৃত তুলার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। হেক্টর প্রতি এর গড় ফলন যেমন অত্যন্ত কম তেমনি এর আঁশের দৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এটিকে স্পিনিং মিলে ব্যবহার করা যায় না। বর্তমান সরকারের সময়কালে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের অন্যতম সাফল্যের মধ্যে অন্যতম হলো পাহাড়ের ঢালে সমভূমির তুলা চাষ পদ্ধতি উদ্ভাবন করা। গবেষণায় দেখা গেছে, আন্তঃফসল পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে আমেরিকান তুলা চাষ করে অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব।
লবণাক্ত এলাকায় তুলা চাষ : বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলের ২০ শতাংশ হলো উপকূলীয় এলাকা যার আয়তন ২৮.৫ লাখ হেক্টর। উক্ত উপকূলীয় এলাকায় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮.৩ লাখ হেক্টর। লবণাক্ততার কারণে কৃষিকাজে উক্ত ভূমির ব্যবহার খুবই নগণ্য। বাংলাদেশের প্রধান ফসলগুলো লবণাক্ততা সংবেদনশীল হওয়ার কারণে অধিকাংশ জমিই সারাবছর পতিত পড়ে থাকে। তুলা লবণাক্ত অঞ্চলে চাষাবাদ উপযোগী একটি ফসল। তবে খরিফ মৌসুমে তুলা বপনকালীন সময়ে জলাবদ্ধতার কারণে উক্ত অঞ্চলে সমতল ভূমির অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় খরিফ-২ মৌসুমে তুলা আবাদের উপযোগিতা কম। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সুন্দরবন অঞ্চলে হাই ডেনসিটি প্রান্টিং সিস্টেমের মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন সময়ে তুলার চাষ করা হয়ে থাকে, যা আমাদের দেশের জন্যও প্রযোজ্য হবে।
চরাঞ্চলে তুলা চাষ : নদীমাতৃক বাংলাদেশে ব্যাপক চর অঞ্চল রয়েছে। চরাঞ্চলে মাটির গঠন বেলে প্রকৃতির, মাটির উর্বরতা ও পানি ধারণ ক্ষমতা কম হওয়ার কারণে ফসলের নিবিড়তা অনেক কম। বাংলাদেশের চরাঞ্চল তুলাচাষ সম্প্রসারণের সম্ভাবনাময় এলাকা। কারণ তুলার মূল মাটির অনেক গভীর থেকে রস ও খাদ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। এ ছাড়া চরাঞ্চলে তুলা চাষের ফলে ঐ জমিতে তুলার পাতা যোগ হয়ে মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে মাটির উর্বরতা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশে এমন অনেক চরাঞ্চল রয়েছে যেখানে প্রথম পর্যায়ে শুধুমাত্র তুলার আবাদ হতো সেখানে বর্তমানে বহুবিধ ফসলের আবাদ হচ্ছে।
কৃষি বনায়ন জমিতে তুলা চাষ : বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আম, পেঁপে এবং লিচু বাগানের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৭০,০০০ হেক্টর জমি ফলজ ও বনজ বাগানের আওতাভুক্ত। উক্ত ফলজ বা বনজ জমিতে বৃক্ষরাজি বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ে সফলভাবে তুলা চাষের লক্ষ্যে তুলা উন্নয়ন বোর্ড বিগত কয়েক বছর যাবত গবেষণা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
তুলাভিত্তিক শস্যবিন্যাস : তুলাগাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। আামাদের দেশে সমভূমির অঞ্চলগুলোর মধ্যে ৩৪টি জেলার উঁচু জমিতে তুলা চাষ করা হয়। এসব জমিতে চাষ উপযোগী শস্যবিন্যাস হলো: তুলা-পাট, তুলা-তিল, তুলা-মিষ্টিকুমড়া, তুলা-তরমুজ, তুলা-মুগ, তুলা-ভুট্টা, তুলা-গম, তুলা-আলু ইত্যাদি। এরূপ ৭০,০০০ হেক্টর জমি রয়েছে যা তুলার আবাদ উপযোগী; যার মধ্যে ১৫,০০০ হেক্টর জমিকে তুলা চাষের আওতায় নিয়ে আসার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড।
উপসংহার : তুলা খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল একটি ফসল। তবে বন্যামুক্ত ও উঁচু জমি তুলা চাষের উপযোগী। খাদ্য উৎপাদনে কোন বিঘ্ন না ঘটিয়ে তুলা চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে অপ্রচলিত অঞ্চলগুলোতে যেমন: তামাক ও কৃষি বনায়ন জমিতে, খরা, লবণাক্ত, চর ও পাহাড়ি এলাকায় তুলা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সমতল ভূমিতে তুলা চাষের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে এবং তা চাষীদের দোরগোড়ায় পৌঁছানো হয়েছে। তবে অপ্রচলিত অঞ্চলগুলোর জন্য লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গবেষণা কার্যক্রম জোরদারকরণে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
(লেখক : নির্বাহী পরিচালক, তুলা উন্নয়ন বোর্ড)

