মানুষের সৌন্দর্যের অনেকাংশে নির্ভর করে চুলের উপর। সেই চুল যখন ঝরে পড়ে তখন কষ্টের যেন শেষ থাকে না। চুল কিন্তু এমনি এমনি পড়ে না। কিছু কিছু অজানা বদ অভ্যাসের কারণে চুল পরে। বদ অভ্যাস গুলো দূর করলে সহজেই বন্ধ হবে চুল পড়া।
চুল আটসাট করে বাধলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়, চুল টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙ্গে যায়, চুল ঝরে পড়ে। চুল টান টান করে বেধে রাখলে চুল যেমন ক্ষতির সম্মুখীন হয়, তেমনি স্বাস্থের জন্যও ক্ষতিকর। চুল ভালো রাখতে যতটা সম্ভব আলতো করে বাধুন।
গরম হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকালে এবং হেয়ার স্ট্রেইনার দিয়ে চুল আয়রন করলেও চুল পরার পরিমাণ বেড়ে যায়। ভেজা চুল শুকাতে ফ্যানের বাতাস ব্যবহার করুন। আর যদি হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকাতেই হয় তাহলে যতটা সম্ভব তাপ কমিয়ে নিন। তাপ চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এছাড়া যারা গোসলের সময় গরম পানি ব্যবহার করেন তারা চুলে ঠাণ্ডা পানি দেয়ার চেষ্টা করবেন।
প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়, একইসঙ্গে চুল পরার পরিমাণও বেড়ে যায়। যতটা সম্ভব শ্যাম্পু কম করার চেষ্টা করুন। তবে চুলে ধুলোবালি লেগে গেলে অবশ্যই শ্যাম্পু করবেন। প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুল যতটা না ক্ষতি হয়, ধুলোবালি ও ময়লা তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করে।
চুল নানা ঢংয়ে সাজাতে যে স্প্রে ব্যবহার করা হয় সেই স্প্রেতে প্রচুর পরিমানে রাসায়নিক পদার্থ বিশেষ করে অ্যালকোহল থাকায় চুলের ক্ষতি হয়। এছাড়া ঘন ঘন আয়রন এবং বেশি সময় নিয়ে আয়রন করলেও চুলের ক্ষতি হয়। চুল ভালো রাখতে চুলে জেল, স্প্রে ও আয়রন না করাই ভালো।
প্যাডল ব্রাশ দিয়ে চুল ব্রাশ করলে বিশেষ করে ভেজা চুল ব্রাশ করলে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায় কয়েকগুন। চুল আঁচড়াতে সবসময় মোটা দাতের কাচের চিরুনি ব্যবহার করুন।
চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে অনেকেই চুলে রঙ করে থাকেন। চুলে রঙ করলে চুল পড়ার পারিমান বেড়ে যায়। চুল সুস্থ ও সুন্দর রাখতে যতটা সম্ভব ভালো মানের প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন।
জাঙ্কফুড ও ফাস্টফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। প্রচুর পরিমাণে ফলমূল, সবুজ শাকসবজি খান ও দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।


