বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। দেশে ছোট বড় প্রায় ৩২০টি নদ-নদী এবং প্রতিটির সাথে যুক্ত অসংখ্য খাল-নালা রয়েছে। আদিকালে খাল-নালাগুলো ছিল মানুষের যোগাযোগের একমাত্র অবলম্বন এবং সেভাবে গড়ে উঠে ছিল গ্রাম ও গঞ্জ। আর বৃষ্টি ও বন্যার পানি এসকল নদ-নদী এবং খাল-নালা দিয়ে প্রবাহিত হতো। এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, দেশের ভূপরিস্থ পানির সর্বনিম্ন প্রবাহ ২৯ হাজার ঘনমিটার/সেকেন্ড এবং সর্বোচ্চ প্রবাহ ১৩৭.৭০ লাখ ঘনমিটার/সেকেন্ড। প্রবাহকালে বছরে প্রায় ১৪০০ মিলিয়ন টন পলি নিয়ে আসে, যা এ সকল নদ-নদী, খাল-নালার প্লাবন ভূমি এবং সাগর-মহাসাগরে পতিত হয় (সূত্র:বাংলাপিডিয়া)। ফলে পুনঃখননের ৫-৭ বছরের মধ্যে নদ-নদী, খাল-নালা ভরাট হয়ে তলদেশের উচ্চতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কালের পরিক্রমায় নদ-নদীগুলো প্রায় বিলুপ্তির পথে এবং বিলুপ্তি হয়ে যাচ্ছে খাল ও নালাগুলো। অপরদিকে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে সারাদেশ বন্যায় কবলিত হয়ে ফসল ও জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পানির আন্তঃপ্রবাহ বা বহিঃপ্রবাহ এবং মানবসৃষ্ট উন্মুুক্ত পানি প্রবাহের গতিপথকে খাল এবং খালের চেয়ে ছোট আকৃতির জল প্রবাহের গতিপথকে নালা বলা হয়ে থাকে। খালসমূহ নদীর সাথে সংযুক্ত অথবা ২টি নদী/প্রাকৃতিক জলাশয়কে সংযুক্ত করে থাকে। ধারণা করা হয়, সম্ভবত সেচের প্রয়োজনেই খাল খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়। বাংলার ইতিহাসে প্রায় ৩,০০০ (তিন হাজার) বছর পূর্বে এ অঞ্চলে প্রথম সেচ খাল খনন করা হয়েছিল। সে থেকে আজ পর্যন্ত দেশে সর্বত্র পানির প্রবাহ এবং নিষ্কাশনের প্রয়োজনে খাল খনন কার্যক্রম চলে আসছে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম জলবায়ু পরিবর্তন। তার প্রভাবে গলে যাচ্ছে লাখ লাখ বছরের জমাট বাঁধা হিমবাহ। ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং সৃষ্ট হচ্ছে অনাবৃষ্টি, অকাল বৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রকৃতির এ ভারসাম্যহীনতার সবচেয়ে ভয়ংকর প্রভাব পড়ছে নদ-নদী, খাল-নালা ও সর্বোপরি কৃষির ওপর।
পানির উৎস ২টি, ভূগর্ভস্থ ও ভূপরিস্থ। ভূপরিস্থ পানির উৎস হলো-সাগর, মহাসাগর, নদ-নদী, খাল-নালা, বিল, পুকুর, জলাশয় ইত্যাদি। কৃষিতে নদ-নদী, খাল-নালার পানির গুরুত্ব অপরিসীম। দেশে সেচের পানির উৎস ও সেচের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে খাল-নালা বড় অবদান রাখছে। সেচে ভূপরিস্থ পানির গুণাগুণের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার খাল-নালা পুনঃখনন/সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এছাড়াও খাল-নালা বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও ভূগর্ভস্থ পানি পুনর্ভরণে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।
খাল-নালা পুনঃখনন/সংস্কারের উদ্দেশ্যসমূহ:
১। ভূপরিস্থ পানির জলাধার সৃষ্টির মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারণকরণ;
২। জলাবদ্ধতা দূরীকরণের মাধ্যমে অনাবাদী জমি আবাদীতে রূপান্তরকরণ;
৩। উপকূলীয় অধঃপতিত জমি সেচের আওতায় আনয়ন;
৪। বৃষ্টির পানির সংগ্রহ ও সংরক্ষণ মাধ্যমে সেচ প্রদান;
৫। ফসলের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান সরবরাহকরণ;
৬। ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখছে;
৮। পাট পঁচানো ও আঁশ ছাড়ানো কাজে ব্যবহারকরণ;
৯। মৎস্য, পশুপালন ও গৃহস্থালি কাজের সুবিধাদি সৃষ্টিকরণ;
১০। খনন/পুনঃখননকৃত খালের পাড়ে গ্রামীণ মেঠো পথের সৃষ্টিকরণ;
১০। খালের পাড়ে ও মাঝে মাঁচা করে শাকসবজি উৎপাদন;
১১। খালের পাড়ে বজ্র নিরোধক গাছ রোপণ করে কৃষি শ্রমিকের জানমাল রক্ষাকরণ;
১২। কৃষিজ যন্ত্রপাতি ও উৎপাদিত ফসল পরিবহন এবং ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ;
১৩। সরকারি খাস জমি পুনরুদ্ধারকরণ ও নৌ যোগাযোগের সুবিধা বৃদ্ধিকরণ;
১৪। সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকরণ।
খাল-নালা পুনঃখনন/সংস্কারের চ্যালেঞ্জসমূহ:
১। প্রবাহ ও প্রশস্থতা অনুযায়ী প্রি-ওয়ার্ক ড্রইং ও ডিজাইন না হওয়া;
২। ভূমিদস্যু কর্তৃক দখল, ফসল ফলানো ও স্থাপনা তৈরি করা;
৩। রেকর্ড অনুযায়ী মৌজা ম্যাপে খালের চিহ্ন না পাওয়া;
৪। স্থানীয়ভাবে খালের পাড়ে রোপিত বৃক্ষ কর্তন সমস্যা;
৫। নতিমাত্রা (Gradient) অনুযায়ী খাল পুনঃখননের না হওয়া;
৬। খালের পাড়ের বাণ (Bun) রেখে কর্তনকৃত মাটি ফেলা সমস্যা;
৭। পাড়ের মাটি কম্পেকশন, ড্রেসিং ও লেভেলিং সঠিকমাত্রায় না হওয়া;
৮। খালের দুই পার্শ্বের জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়া;
৯। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বন্যায় পুনঃখনন কাজে সমস্যা;
১০। জনসাধারণ কর্তৃক কর্তনকৃত মাটি অন্যত্র সরিয়ে নেয়া;
১১। প্রি-ওয়ার্ক এবং পোস্ট-ওয়ার্ক কাজে নানা অভিযোগ আনয়ন;
১২। পলি ভরাট ও তলদেশের উচ্চতা বৃদ্ধি ফলে ধারণ ক্ষমতা কমে যাওয়া।
করণীয়সমূহ:
১। অনেক সময় স্থানীয় জনসাধারণ খালের প্রবাহ, গতিপথ ও প্রশস্থতাকে ভিন্নভাবে প্রদর্শন এবং পুনঃখননে নানা রকমের বাধার সৃষ্টি করে থাকে। ফলে প্রি ওয়ার্ক ড্রইং ও ডিজাইনে কিছুটা বিচ্যুতি দেখা যায়। এছাড়া খাল-নালা পুনঃখনন/সংস্কার কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় জমির মালিকের যোগসাজশে সঠিকভাবে প্রি-ওয়ার্ক ড্রইং ও ডিজাইনে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের প্রকৌশলীকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/ব্যক্তিবর্গ বা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগপূর্বক ব্যবস্থা নিতে হবে।
২। খালের পাড়ের জমির মালিক বা ভূমিদস্যু কর্তৃক খাল ভরাটকরণ, ফসল চাষ ও স্থাপনা তৈরির মাধ্যমে পুনঃখনন কাজে বাধা সৃষ্টি করে থাকে। যেহেতু খননকৃতব্য খালটি সরকারি খাস খাল, তাই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/ব্যক্তিবর্গ বা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগপূর্বক পুনঃখননের ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩। অনেক এলাকায় বিএসআর রেকর্ডে খালের সঠিক অবস্থান জানা যায় না, তাই সিএস রেকর্ড অনুযায়ী খালের সঠিক অবস্থান, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয় করে পুনঃখননের ব্যবস্থা নিতে হবে। আবশ্যিকভাবে খাল পুনঃখননের পূর্বে উপজেলা সেচ কমিটি হতে অনুমোদন, পানি ব্যবহারকারী দল গঠন এবং পুনঃখনন পরবর্তী পানি ব্যবহারকারী দলের নিকট হস্তান্তর করতে হবে। এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের প্রকৌশলীকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/ব্যক্তিবর্গ বা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগপূর্বক ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪। সাধারণত খালের পাড়ে জনসাধারণ বা সরকারিভাবে রোপিত বৃক্ষ কর্তনে বাধা প্রদান করা হয়ে থাকে। দেশ ও কৃষির স্বার্থে সরকারি বিধি মোতাবেক কর্তনের ব্যবস্থা নিতে হবে। খালগুলো সাধারণত মাঠের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়, তাই খাল পুনঃখনন পরবর্তী বন বিভাগের নিয়মানুযায়ী খালের দুই পাড়ে ফসল উৎপাদনের স্বার্থে ছায়াবিহীন ও বজ্র নিরোধক বৃক্ষরোপণ করতে হবে। এতে মাঠে কৃষি কাজে কৃষক/শ্রমিক ও অন্যান্য প্রাণীর জানমালও বজ্রপাত হতে রক্ষা পাবে।
৫। পানির উৎস নদী আর নদীর সাথে সংযুক্ত থাকে খাল। বন্যার সময় উজানের পলি নদীতে পতিত হয়ে অনেক সময় তলদেশ উঁচু হয়ে যায়। ফলে নিষ্কাশন খাল পুনঃখনন করা সম্ভব হয় না। তাই অনেক স্থানে খাল পুনঃখননের পূর্বে নদী খননের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হয়। এছাড়াও অনেক সময় প্রি-ওয়ার্ক সার্ভে সঠিকভাবে না করায় পানির প্রবাহে বিঘœতার সৃষ্টি হয়। তাই সঠিকভাবে প্রি-ওয়ার্ক সার্ভের নতিমাত্রা ঠিক রেখে পুনঃখননের ব্যবস্থা নিতে হবে।
৬। খাল পাড়ে প্রি-ওয়ার্ক ড্রইং ও ডিজাইন অনুযায়ী বাণ রেখে খননকৃত মাটি সঠিকভাবে ফেলতে গেলে অনেক সময় স্থানীয় জনসাধারণ কর্তৃক বাধার সম্মুখিন হতে হয় এবং পাড় ঘেঁষে মাটি ফেলতে বাধ্য করে। এতে দেখা যায়, খালের পাড় ঘেষে মাটি ফেলার কারণে বৃষ্টি/বন্যা/অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাড়ের মাটি এক হতে দুই বছরের মধ্যে খাল-নালায় পতিত হয়ে ভরাট হয়ে যায়। তাই খাল পুনঃখননে বাণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/ব্যক্তিবর্গ বা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নিতে হবে।
৭। খাল-নালা পুনঃখননের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো-কম্পেকশন, ড্রেসিং ও লেভেলিং। এ কাজগুলো খাল পুনঃখননের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। খালের পাড়ে বাণ রেখে কর্তনকৃত মাটি অনেক সময় সঠিকভাবে কম্পেকশন, ড্রেসিং ও লেভেলিং করা হয় না। কম্পেকশন না করায় কিছু দিনের মধ্যে মাটি ধসে খালে পড়ে এবং ড্রেসিং ও লেভেলিং সঠিকভাবে না করার ফলে পাড় উঁচু-নিচু হয়ে যায়। টার্ফিং করা হলে বন্যা বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাড় ভাঙন রক্ষা করা যায়। উক্ত কার্যক্রম সঠিকভাবে করা হলে স্থানীয়ভাবে গ্রামীণ মেঠো পথের সৃষ্টি হয়।
৮।পাড়ের জমাকৃত মাটি এবং মেঠো পথ সৃষ্টির কারণে অনেক সময় কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। উক্ত জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট স্থানে সাইজ মোতাবেক আউটলেট স্থাপন করতে হবে। যাতে জমাকৃত পানি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন করা যায়।
৯।বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার দেশ। দেশে সাধারণত মে হতে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বৃষ্টি, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়ে থাকে। আবার বর্ষা বা বন্যার পানি ডিসেম্বর মাস নাগাদ খাল-নালায় অবস্থান করে। এছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় অনেক সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ- যেমন জলোচ্ছ্বাস ও সাইক্লোন এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলে অগ্রিম বন্যা হয়ে থাকে। তাই খাল পুনঃখনন সময়কাল মাত্র ৪ (চার) মাস এবং এসময়ের মধ্যে পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
১০। খাল পুনঃখনন/সংস্কার পরবর্তী পাড়ের মাটি জনসাধারণ কর্তৃক অন্যত্র নিয়ে যায়। ফলে খালের পাড় উঁচুনিচু হয়ে গ্রামীণ মেঠো পথে চলাচলের সমস্যা সৃষ্টি এবং খালের পানি ধারণ ক্ষমতা কমে যায়। খাল পুনঃখননের মূল উদ্দেশ্য হলো জলাধার সৃষ্টি এবং ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি। তাই জনসাধারণ কর্তৃক মাটি সরানো কাজে বাধা এবং প্রয়োজনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/ব্যক্তিবর্গ বা প্রশাসনের সাথে যোগযোগপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।
১১। খাল পুনঃখনন কাজে প্রায়শই অভিযোগ পাওয়া যায়, কম গভীরতায় পুনঃখনন বা কাটা সঠিক এবং ড্রইং ডিজাইন অনুযায়ী খনন করা হয়নি। তাই প্রতিটি খালের একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য পর পর খালের তলদেশে নির্দিষ্ট পরিমাণ (১০/×৬/) জায়গায় আরসিসি ঢালাই দেয়া যেতে পারে। যাতে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পরিমাপ করে প্রমাণ করা যায়। এ ছাড়াও খাল পুনঃখননের একই স্থানের খনন পূর্ব, চলমান এবং খনন পরবর্তী অবস্থার স্থির চিত্র ও ভিডিও ধারণ করা যেতে পারে।
১২।বাংলাদেশ ভাটির দেশ। বন্যার সময় উজানের দেশ হতে পলি এসে নদ-নদী ও খাল নালা জমাট হয়ে তলদেশের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। ফলে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সারাদেশ বন্যায় কবলিত হয়ে ফসল ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। তাই নির্দিষ্ট সময়ান্তে খালের ক্যাটাগরি অনুয়ায়ী ৫-৭ বছর পর পর পুনঃখননের ব্যবস্থা নিতে হবে। মাটির গঠন ও বুণটের ওপর নির্ভর করে প্রয়োজনে খালের পাড় রক্ষার জন্য দেশীয় পদ্ধতিতে পাট ও নারিকেলের ছোবড়ার তৈরি চট অর্থাৎ ভোভাস্ট্রা (Bhoovastra) অথবা আধুনিক প্রযুক্তির জিও-ট্যাক্সটাইল (Geotextiles) ব্যবহার করে খুব সহজেই খাল-নালার পাড় ভাংগন রোধ করা সম্ভব।
লেখক : প্রধান প্রকৌশলী (ক্ষুদ্রসেচ), বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), কৃষি ভবন, ঢাকা।

