
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম, মঞ্চে উপবিষ্ট অন্যান্য অতিথিবৃন্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক : যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতাধীন টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস ফর আন্ডারপ্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ (টেকাব) শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বার্ষিক সেমিনার আজ সোমবার রাজধানীর মতিঝিলস্থ যুব ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) শিশির কুমার রায়ের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আজিজুল হক। পরিচালক (পরিকল্পনা) ও প্রকল্প পরিচালক আবুল হাছান খানের স্বাগত বক্তব্যে শুরু হওয়া সেমিনারে তথ্যসমৃদ্ধ কী-নোট পেপার উপস্থাপন করেন উপ-পরিচালক আতিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির ভাষণে আনোয়ারুল করিম বলেন, টেকাব প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের বেকার যুবদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের প্রদানের মাধ্যমে আত্মকর্মী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের সনদ চাকরির নিশ্চয়তা না দিলেও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবরা কম্পিউটারের দোকান নিয়ে বসতে পারেন, অনেকে আউটসোর্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন; আবার চাকরি ক্ষেত্রে এ প্রশিক্ষণ বাড়তি যোগ্যতা হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পড়লে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় তা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন তিনি। দেশের ৪৮৬টি উপজেলায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য অবকাঠামো গড়ে তোলা অত্যন্ত কঠিন; সেক্ষেত্রে মোবাইল ভ্যানে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রাখা অত্যন্ত যৌক্তিক বলে মতামত দেন তিনি। তবে প্রতিটি জেলার জন্য একটি করে ভ্যানের ব্যবস্থা করতে পারলে ঐ জেলার সবগুলো উপজেলা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব এবং এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সুফল শতভাগ অর্জন সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি। গ্রামীণ জনপদের যেসব স্থানে মোবাইল ভ্যান নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না সেসব স্থানে নৌকা বা বিকল্প উপায়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়টি বিবেচনার পরামর্শ দেন তিনি।
সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন পরিচালক (দাবি ও ঋণ) এরশাদ উর-রশীদ, পরিচালক (বাস্তবায়ন, মনিটরিং ও যুব সংগঠন) মো. আখতার আলী সরকার, পরিকল্পনা কমিশনের উপ-প্রধান ফয়সল আহমেদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সিস্টেমস এনালিস্ট মো. আব্দুস সোবহান প্রমুখ।

