
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে উত্তম উদ্ভাবন চর্চার শো-কেসিং অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ৩০ এপ্রিল রাজধানীর মতিঝিলস্থ যুব ভবনের সম্মেলন কক্ষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং এটুআই প্রোগ্রামের উদ্যোগে ‘উত্তম উদ্ভাবন চর্চার শো-কেসিং-২০১৭’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আসাদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের মহাপরিচালক মো. আবদুল হালিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের চিফ ইনোভেশন অফিসার মো. ফাইজুল কবীর কর্তৃক পটভূমি উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে উত্তম উদ্ভাবন চর্চার শো-কেসিংয়ের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ইনোভেশন অফিসার মো. এরশাদ-উর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম উদ্ভাবকগণ ও উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে সবগুলো ইনোভেশন অনুকরণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন। পাশাপাশি ইনোভেটরদের স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। সেবা প্রাপ্তির বিষয়ে জনগণের সন্তুষ্টির উপর প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। ইনোভেটরদের সফল কাহিনীগুলো সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে এবং ভবিষ্যতে উদ্ভাবনের এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মুক্ত আলোচনায় সঞ্চালনা করেন এটুআই প্রোগ্রামের ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট মানিক মাহমুদ।
উল্লেখ্য, মাঠ পর্যায়ে চলমান উদ্ভাবনী উদ্যোগুলোর মধ্যে সারাদেশে বাস্তবায়নযোগ্য উদ্ভাবনী উদ্যোগ চিহ্নিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও এটুআই এই আয়োজন করে। এরই ধারাবাহিকতায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর উত্তম উদ্ভাবন চর্চার শো-কেসিংয়ের আয়োজন করে। এতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক উদ্ভাবিত নানামুখি ৯টি বিষয় প্রদর্শিত হয়। এগুলো হলো-যুব প্রশিক্ষণ অধিকতর বাস্তব উপযোগী করে আত্মকর্মী সৃজন; যুব ঋণ বিতরণ সহজীকরণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি; বেকারমুক্ত গ্রাম সৃজন; ম্যানুয়াল পদ্ধতির পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ আবেদন গ্রহণ; যুব সংগঠন তালিকাভুক্তি/ নিবন্ধন সহজীকরণ ও সংগঠনের সদস্যদের আত্মকর্মসংস্থান সৃজন; পিডিএস, পেনশন সহজীকরণ ও ই-ফাইলিং; ই-লার্নিং, এসপিএস, লার্নিং কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও ট্রেনিং এ্যাটেনডেন্স ট্র্যাকিং; অনলাইনে যুব ঋণের আবেদন এবং রিপোর্টিং, যুব ঋণ আদায়ে মোবাইল ব্যাংকিং এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে উদ্ভাবন।
অনুষ্ঠানে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্ভাবনী চর্চা ও সেবা পর্যালোচনা, অনুকরণযোগ্য ধারণা চিহ্নিতকরণ ও উপযুক্ত ধারণা অনুকরণের পন্থা নির্ধারণ করা হয়।

