
অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘দেশসময় ডটকম’র প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষাবিদ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের সহধর্মিনী সৈয়দা রোকেয়া বেগম
নিজস্ব প্রতিবেদক : সমাজের বঞ্চিত অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে রাজনীতিবিদদের। মানুষের সেবার মধ্যে আত্মতৃপ্তি অনুভব করতে হবে। খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থাকতে হবে। বিশেষ করে দেশের উন্নয়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘দেশসময় ডটকম’র প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বুধবার এসব কথা বলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষাবিদ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের সহধর্মিনী সৈয়দা রোকেয়া বেগম। ওইদিন বিকেলে মিন্টু রোডস্থ নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দেশসময় ডটকম’র উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সৈয়দা রোকেয়া বেগম বলেন, সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হওয়ার ইচ্ছা নেই তার। নির্বাচন করে সংসদে যাওয়া বা অন্য কোনো পদে যাওয়ার ইচ্ছাও নেই। তবে সারাজীবন মানুষের সেবা করে যেতে চান তিনি। তিনি বলেন, আমি নেপথ্যে থেকে কাজ করতেই বেশী পছন্দ করি। তিনি বড় ছেলে আসিফুর রহমান আসিফ (ছাত্রলীগের যুক্তরাজ্য ও মাদারীপুর জেলা শাখার সহসভাপতি) ভবিষ্যতে রাজনীতিতে অংশ নেয়ার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, শাহাজান খানের অবসরের পর আসিফ রাজনীতিতে আসতে পারে।
এ সময় তিনি বলেন, দেশের রাজনীতির অনেক উত্থান-পতন দেখেছি। সংকটকাল ও দুঃসময়ে নীতির সঙ্গে কোনো আপোষ করিনি। মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। তিনি বলেন, সারা জীবন মানুষের সঙ্গে থেকেছি। এখনো প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার শাজাহান খানের (নৌ-পরিবহন মন্ত্রী) সঙ্গে ঢাকা থেকে নিজ জেলা মাদারীপুরে যাই, দুই দিন অবস্থান করি। এই সময়ে সাধারণ মানুষের কথা শুনি-তাদের সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করি। এতেই আত্মতৃপ্তি পাই।
বর্তমান সরকারের আমলে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙেছে উল্লেখ করে সৈয়দা রোকেয়া বেগম বলেন, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ-মন্দির, সড়ক নির্মাণ সহ তার জেলায় সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। এখনো উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলছে। তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের একান্ত প্রচেষ্টায় মাদারীপুরে প্রায় সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।
সৈয়দা রোকেয়া বেগম আরো বলেন, মানুষের ভালোবাসা পাচ্ছি বলেই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো তাদের জন্যে ব্যয় করেছি। নিজের জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ঈদের দিনেও একান্তে পারিবারিকভাবে সময় কাটানোর কোনো সুযোগ ছিল না। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঈদসহ সব ধরনের উৎসবে অংশ নিচ্ছি। একান্ত ব্যক্তিগত জীবন বলতে কিছু নেই রাজনীতিবিদদের।
প্রসঙ্গত, সৈয়দা রোকেয়া বেগম মাদারীপুরের চরমুগরিয়া মহাবিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। তার মরহুম পিতা রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক ছিলেন। সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। সৈয়দা রোকেয়া বেগমও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত আছেন।

