লাইফস্টাইল ডেস্ক : শরীরের সঙ্গে ত্বকের যত্নও অত্যন্ত জরুরি। ত্বক উজ্জ্বল হলে বন্ধুদের মধ্যে বা কর্মক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়। মুখ ও দেহের বিভিন্ন অংশে ব়্যাশ বা ফুসকুরির সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এক্ষেত্রে প্রথমে জানতে হবে, র্যাশ কেন হচ্ছে এবং তারপর এই সমস্যার সমাধানের মনোযোগী হতে হবে।
* জিমে ওয়ার্ক-আউট: অনেকেই শরীরচর্চার জন্য জিমকে বেছে নেন। নিয়মিত জিমে যাওয়ার পর যদি দেখেন, সারা শরীরে ব়্যাশ বা ফুসকুরি হয়েছে, তাহলে বুঝতে হবে জিমের মেশিন থেকেই এসেছে এই রোগ। ভাবছেন জিম থেকে কীভাবে দেহে ব়্যাশ হবে? আসলে, আপনি জিমে যেসব ফিটনেস মেশিন ব্যবহার করেন, তা অন্যেরাও ব্যবহার করে থাকেন। যার এই রোগ আছে, তার পরে আপনি মেশিনটি ব্যবহার করলেন এবং হাত না ধুয়ে সেই হাতই মুখে দিলেন। রোগ সংক্রমন হবে আপনার মধ্যে। তাই প্রতিবার মেশিন ব্যবহার করার আগে অবশ্যই মেশিনটি মুছে নিন। ওয়ার্ক-আউটের পর হাত না ধুয়ে কখনো মুখে হাত দেবেন না।
* গরমে ওয়ার্ক-আউট: গরমের মধ্যে শরীরচর্চা করলেও হতে পারে ব়্যাশ। লালচে রঙের ব্রণের মতোই দেখতে এই ফুসকরি। খুব রোদে মোটরবাইকে ঘুরলে বা হাঁটলেও শরীরে দেখা দিতে পারে এই ধরনের ব়্যাশ। ত্বকের এই রোগ থেকে নিজেকে বাঁচাতে চেষ্টা করুন ছায়া দিয়ে হাঁটার। ছায়াতে শরীরচর্চা করুন। সরাসরি সূর্যের তাপ দেহে লাগতে দেবেন না।
* সানস্ক্রিন ছাড়া রোদে ঘোরা: রোদের প্রখর তাপ আপনার মুখে শুধু ট্যানই তৈরি করে না, সারা দেহে ও মুখে ব়্যাশও হতে পারে। তাই রোদে বেরোনোর অন্তত আধ ঘণ্টা আগে মুখে ও দেহের খোলা অংশগুলোতে সানস্ক্রিন মেখে নিন। এসপিএফ ৫০ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভালো।
* আঁটসাট পোশাক: স্কিন ফিট পোশাক না পড়লে ফ্যাশন নষ্ট হয়ে যাবে। যুবপ্রজন্মের কাছে এটাই স্বাভাবিক ধারণা। কিন্তু অনেকক্ষণ টাইট পোশাক পরে থাকলে কোমর, হাত, গলার মতো বিভিন্ন অংশে হতে পারে ব়্যাশ। সেই ফুসকুরি চুলকালে হাতের নখ থেকেও ইনফেকশন ছড়াতে পারে। তাই গরমে খুব বেশি আঁটসাট পোশাক এড়িয়ে চলুন। ত্বক সুস্থ থাকবে। ওয়ার্ক-আউটের সময় এমন পোশাক পরলেও তাড়াতাড়ি গোসল সেরে পোশাক পরিবর্তন করে নিন।
* ফুসকুরি চুলকানো: মুখে বা শরীরের যেসব অংশে ব়্যাশ হয়েছে সেই অংশ অনেক সময় জেনে, আবার কখনো অজান্তেই চুলকে ফেলেন। বেশ খানিকক্ষণ সেসব জায়গা চুলকালে জায়গাটি লাল হয়ে যায়। এমনকি রক্তও বেরিয়ে যেতে পারে। এমনটা হলে জায়গাগুলো ভালো করে ধুয়ে অ্যান্টি-বায়োটিক মলম লাগান। অ্যান্টি-ফাঙ্গাল পাউডারও ব্যবহার করতে পারেন।

