ঢাকাSunday , 16 September 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দক্ষ ও বুদ্ধিভিত্তিক জাতি গঠনে পুষ্টিমান উন্নয়ন অত্যাবশকীয়

দৈনিক পাঞ্জেরী
September 16, 2018 10:46 pm
Link Copied!

৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক জ্যোতি লাল বড়ুয়া; এ সময় আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষ ও বুদ্ধিভিত্তিক জাতি গঠনে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় পুষ্টিমান উন্নয়ন অত্যাবশকীয়। খাদ্যে আমাদের স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে। সময় এসেছে এখন খাদ্যে পুষ্টিমান নিরুপণ করার। আজ রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউস্থ সেচ ভবনে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)’র প্রধান কার্যালয়ে খাদ্যভিত্তিক পুষ্টি বিষয়ক ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।
সমন্বিত কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ প্রকল্প (বারটান অংগ)’র আওতায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার ৯ম/তদূর্ধ্ব গ্রেডের ৩০ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)’র পরিচালক (যুগ্মসচিব) কাজী আবুল কালাম এতে সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র পরিচালক (সরেজমিন উইং) ড. মো. আবদুল মুঈদ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন সমন্বিত কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ প্রকল্প (ডিএই অংগ)’র প্রকল্প পরিচালক মহাম্মদ মাইদুর রহমান। কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বারটান’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক জ্যোতি লাল বড়ুয়া।
ড. মো. আবদুল মুঈদ বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের দিকে আমাদের ধাবিত হতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ২৬ শতাংশ মহিলা রক্ত স¦ল্পতায় ভুগছেন। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পরও আমাদের পুষ্টি ঘাটতি রয়েছে। বহির্বিশ্বে খাদ্য গ্রহণ করার আগে ক্যালরি পরিমাপ করে খাদ্য গ্রহণ করে। জনগণের পুষ্টিস্তর উন্নয়নে তাই জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মহাম্মদ মাইদুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পটি দেশের ২৯টি জেলার হাওর-বাওর ও দরিদ্রপ্রবণ ৮৮টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। জনগণের পুষ্টিস্তর উন্নয়ন ও পুষ্টি সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
কাজী আবুল কালাম প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনারা খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যে জ্ঞান অর্জন করবেন তা স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রসহ সাধারণ মানুষকে অবহিত করতে হবে; এই কাজটি করতে পারলেই এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সার্থক হবে।
স্বাগত বক্তব্যে জ্যোতি লাল বড়ুয়া বলেন, বাংলাদেশে শিশু-কিশোরদের মধ্যে মারাত্মক অপুষ্টিজনিত খর্বাকৃতি ও কৃশকায় সমস্যা প্রকট। জনসাধারণের পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতার অভাব, রন্ধন প্রক্রিয়ায় পুষ্টির অপচয় ও খাদ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় পুষ্টির অপচয় এর অন্যতম কারণ।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বারটান’র প্রাক্তন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও পুষ্টি পরামর্শক মো. মাহফুজ আলী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বারটানের বিজ্ঞানী ও বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বারটান’র সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. কাওসার আহমেদ। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ২৭টি সেশন এবং বারডেমে সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।