ঢাকাTuesday , 31 July 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে অবদান রাখায় ১৭ ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান পুরস্কৃত

Link Copied!

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখায় ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। গতকাল ৩০ জুলাই (সোমবার) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। ১২ ক্যাটাগরিতে ১৭টি পুরস্কারের মধ্যে পাঁচ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণপদক ও ৫০ হাজার টাকা এবং ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে রৌপ্যপদক ও ৩০ হাজার করে টাকা প্রদান করা হয়।
মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. গোলজার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অরুণ কুমার মালাকার, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাহিনীর মহাপরিচালক রিয়াল এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান দিলদার আহমেদ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ। অনুষ্ঠানে যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিনও বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, অভ্যন্তরীণ মৎস্য উৎপাদনে আমরা বর্তমানে ৩য় স্থানে রয়েছি; আমাদেরকে ১ম স্থান অর্জন করার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে নদীর নাব্যতা হারানো, দূষণসহ বেশকিছু চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে এসেছে; এগুলোকে মোকাবিলা করতে হবে। সমুদ্র জয়ের সুফল ভোগে জরিপের মাধ্যমে সামুদ্রিক সম্পদ চিহ্নিতকরণ ও আহরণের আহ্বান জানান তিনি। ইলিশ এখন আমাদের একক পণ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, পৃথিবীর ৬৫ শতাংশ ইলিশ বাংলাদেশে উৎপাদন হয়। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাটকা নিধন রোধকল্পে সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন হতে হবে। চিংড়ির উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে নিরাপদ চিংড়ি চাষ, মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদন ও চাষ এলাকা সম্প্রসারণের আহ্বান জানান মন্ত্রী। ‘জাতির জনক চেয়েছিলেন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্য খাত হবে দ্বিতীয়’ উল্লেখ করে তিনি জাতির জনকের স্বপ্ন পূরণে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার অনুরোধ করেন।
জাতীয় মৎস্য পুরস্কার যারা পেলেন : মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখায় স্বর্ণপক পেয়েছেন ৫ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। গুণগতমানের মাছের রেণু উৎপাদনে অনুদান মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, আফিল এ্যাকুয়া ফিশ লি., মাছ উৎপাদনে মো. শাহদাৎ হোসেন, বাগদা চিংড়ির গুণগতমানের পিএল উৎপাদনে গোল্ডেন এাকুয়া শ্রীম্প হ্যাচারি লি. এবং মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাহিনী স্বর্ণপদক অর্জন করে।
রৌপ্যপদক পেয়েছেন রংপুরের মো. শাহীনুর ইসলাম, রাঙামাটির বাবু চক্রবর্তী, ঠাকুরগাঁওয়ের মো. সাইফুল ইসলাম, নরসিংদীর আবুল হাশেম মিয়া, ফরিদপুরের সীমা রাণী ধর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাব মৎস্য খামার প্রকল্প, খুলনার আবুল ফিস প্রোডাক্টস লি., যশোরের এম.ইউ সী ফুডস লি., সুনামগঞ্জের কাঁঠালিয়া ও আক্তাপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লি., রাজশাহীর উদনপুর নয়ন ক্লাব সিবিজি মৎস্যচাষি সমিতি, খুলনার সরোজ কুমার মিস্ত্রী এবং শরিয়তপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা ইয়াছমিন।
মৎস্যচাষ, উৎপাদন, রপ্তানিসহ মৎস্যখাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবছর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী দিনে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রদানের জন্য ১২টি ক্যাটাগরি হচ্ছে-মাছ উৎপাদন, গুণগতমানের মাছের রেনু উৎপাদন, গুণগতমানের মাছের পোনা উৎপাদন, বাগদাচিংড়ির গুণগতমানের পোস্ট লার্ভা বা পিএল উৎপাদন, গলদাচিংড়ির গুণগতমানের পোস্ট লার্ভা বা পিএল উৎপাদন, বাগদাচিংড়ির উৎপাদন, গলদাচিংড়ির উৎপাদন, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানিকরণ, মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে সমাজভিত্তিক সংগঠনের অবদান, মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে ব্যক্তির অবদান, গুণগতমানের মৎস্যখাদ্য উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ।