
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা পরিষদে মৎস্য অধিদপ্তরের আওতাধীন ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (২য় পর্যায়)’র নিবিড় পরিবীক্ষণ বিষয়ক স্থানীয় কর্মশালায় আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ
নিজস্ব প্রতিনিধি : মৎস্য অধিদপ্তরের আওতাধীন ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (২য় পর্যায়)’র নিবিড় পরিবীক্ষণ বিষয়ক স্থানীয় কর্মশালা গত ১৮ এপ্রিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মির্জাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)’র মহাপরিচালক নাসিমা মহসিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন আইএমইডি’র পরিচালক মো. মুজিব-উল-ফেরদৌস। আইএমইডি’র উপ-পরিচালক বেগম আফরোজা আক্তার চৌধুরীর স্বাগত ভাষণে শুরু হওয়া কর্মশালায় ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (২য় পর্যায়)’র বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও বাস্তবায়নজনিত সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা ও সমাধানের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন প্রকল্প পরিচালক ড. জোয়ার্দ্দার মো. আনোয়ারুল হক।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ও প্রকল্পের বিবরণ তুলে ধরেন নিবিড় পরিবীক্ষণ সমীক্ষার (পার্টিসিপেশন প্রমোটার্স বাংলাদেশ লি.) টিম লিডার মো. খালেদুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলায় প্রকল্পের কার্যক্রম তুলে ধরেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (টাঙ্গাইল) মো. নুরুল ইসলাম। কর্মশালায় মির্জাপুরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব খানও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সুফলভোগী, স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধি (লিফ), ক্ষেত্র সহকারি, প্রকল্পভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় আইএমইডি’র প্রতিনিধি দল প্রকল্পের সুফলভোগী, লিফ, ক্ষেত্র সহকারিদের সাক্ষাৎকার নেন; প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চান। তারা এ সময় বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথেও কথা বলেন; প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের মতামত ও পরামর্শ নেন।
কর্মশালার উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে প্রকল্পের সুফলভোগী, লিফ, ক্ষেত্রসহকারি ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ তাদের বক্তব্য, মতামত ও পরামর্শ উপস্থাপন করেন। এ সময় তারা বলেন, লিফদের বেতন-ভাতা অত্যন্ত অপ্রতুল। এছাড়া, প্রকল্প থেকে নিয়োগ পাওয়া ক্ষেত্র সহকারিদের রাজস্ব খাতে নেয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি, প্রদর্শনী বাবদ বরাদ্দকৃত মৎস্য খাদ্য উপকরণ সহায়তাও অপ্রতুল উল্লেখ করে এই অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধির জোর দাবি জানানো হয়।

