ঢাকাFriday , 9 June 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিএনপিকে কোনঠাসা করতে দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ বাড়ানো

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহাবুব হোসেন বলেছেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে কোনঠাসা করতে দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঘুরে দাঁড়াও বাংলাদেশ নামক একটি সংগঠন আলোচনা সভার আয়োজন করে।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, দ্রুত বিচার আইন নতুন না। ২০০২ সালে অপরাধ সামাল দিতে বিএনপি দ্রুত বিচার আইন করে। সেই সময় আওয়ামী লীগ এই আইনকে কালো আইন আখ্যা দিয়ে সংসদ ত্যাগ করেছিল। আর আজ তারা সেই আইনের মেয়াদ বাড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ কারো কথা ভেবে নয় নিজের স্বার্থ অনুযায়ী কাজ করে থাকে।
দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, সন্ত্রাস দমনের এই আইন অবৈধ সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বর্তমানে ব্যবহার করছে। তবে বিএনপি নেতাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাদের এই আইনের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই।
এই আইনজীবী বলেন, ক্ষমতা হারানোর ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে আওয়ামী লীগ অস্বাভাবিক ভাবে বেসামাল হয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগের মধ্যে যায় যায় ভাব চলে এসেছে। আগামী নির্বাচনে কারো করুণায় নয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে বিএনপি নির্বাচন আদায় করে নেবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, সাহস থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন দেন। আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে। তবে তা হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। আর এ জন্য যা যা করার দরকার বিএনপি তাই করবে। নির্বাচনে সহায়ক সরকারের জন্য আপসে না এলে রাজপথ উপ্তপ হবে।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য, ‘হেট্রিক করবে আওয়ামী লীগ’ এ কথার সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, আপনারা তো আতঙ্কিত হয়ে গেছেন, বেসামাল হয়ে গেছেন। আপনারা তো দুর্নীতিবাজ। একবার যদি বলি ধর, তাহলে তো পালাবেন।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহম্মদ আযম খান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ, স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, কৃষক দলের নেতা শাজাহান মিয়া সম্রাট প্রমুখ।