ঢাকাMonday , 24 November 2014
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কর্মজীবী শিশুদের বিনোদন কেন্দ্র!

Link Copied!

1নিজস্ব প্রতিবেদক : সারাদিনের কর্মক্লান্তিতে মাত্র এক ঘণ্টার ছুটি, তাও আবার কাজের ফাঁকে। কর্মজীবী শিশুদের জন্য এই অবিশ্বাস্য সুযোগের সৃষ্টি করেছে অ্যাসিস্ট্যান্স ফর স্লাম ডুয়েলার্স (এএসডি) নামের একটি এনজিও সংস্থা।
জানা যায়, বেসরকারি এই এনজিও সংস্থার উদ্যোগে মালিক পক্ষের সঙ্গে একটি চুক্তি থেকে সৌহাদ্যপূর্ণ পরিবেশে কর্মজীবী শিশুকে একটু বিনোদন ও লেখাপড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্যই কর্মের মাঝখান থেকে ১ ঘণ্টার ছুটির ব্যবস্থা করা হয়।
জানা যায়, সংস্থাটির দায়িত্ত্বশীলরাও শিশুটির মনোভাবে কোন প্রভাব না ফেলে ঘুমোনোর সুযোগ করে দেন। এরপর তাদের ভালোবাসা আর আদরে ঘুম থেকে জেগে উঠে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ক্যারাম কিংবা লুডু খেলতে। এরই ফাঁকে চলে জীবনের জন্য ব্যবহৃত শিক্ষার ব্যবস্থা। রয়েছে শিশুদের জন্য যৎসামান্য নাস্তার ব্যবস্থাও।
অ্যাসিস্ট্যান্স ফর স্লাম ডুয়েলার্স (এএসডি) নামের ওই এনজিও’র তত্ত্বাবধায়নে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ৫টি বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টারে শিখনও বিনোদন কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এখানে কর্মজীবী শিশুদেরকে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৩টি শিফটে পর্যায়ক্রমে বিনোদন ও আক্ষরিক জ্ঞান দিতে কাজ করে যাচ্ছে এনজিওটির কর্মকর্তা ও দায়িত্ত্বশীলরা।
এএসডি’র নির্বাহী পরিচালক জামিল এইচ চৌধুরী জানান, কর্মজীবী শিশুদেরকে টেকসই ভাবে ক্ষমতায়ন করা এবং তাদের অধিকার ভোগের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে অ্যাসিস্ট্যান্স ফর স্লাম ডুয়েলার্স (এএসডি) জাতীয় পর্যায়ের একটি সংস্থা, সেভ দ্যা চিলড্রেন এর কারিগরী এবং আর্থিক সহায়তায় জাগরণ প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প কর্মজীবী শিশু অধ্যুসিত কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য স্থানীয় প্রশাসন,কারখানার মালিক, অভিভাবক ও সমাজের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের যৌথ উদ্দ্যোগে একটি শিশু বান্ধব ও নিরাপদ কামরাঙ্গীরচর প্রতিষ্ঠা করে শিশুর জীবনে তাৎক্ষণিক বা সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে এরূপ সকল সহিংসতা ও নির্যাতন প্রতিরোধ এবং স্থানীয়ভাবে সামাজিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা।
এএসডি জাগরণ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী বাসু মৈত্র বলেন, ‘শিশুবান্ধব পরিবেশ মানেই হলো একটি শিশু শারীরিক ও মানষিক দিক থেকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠার জন্য যা যা প্রয়োজন তা যেন সে সহজেই পেতে পারে। তাই শিশু যাতে কোন প্রকার নির্যাতন, শোষণ ও অত্যাচারের সিকার না হয় তার জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরিতে মালিক,অভিভাবক ও সুশীল সমাজ একযোগে কাজ করতে হবে।’