ঢাকাThursday , 16 February 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিশ্বব্যাংক আইনের ঊর্ধ্বে নয়

Link Copied!

Anisulনিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বব্যাংক আইনের ঊর্ধ্বে নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি। প্রশিক্ষণে অংশ নেন ৪২ জন বিচারক।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি পরিষ্কারভাবে বলছি, বিশ্বব্যাংক আইনের ঊর্ধ্বে নয়। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে সম্মানহানি করা হয়ে থাকে, তাহলে ওই ব্যক্তি নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নিতে পারেন। ইতিমধ্যে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছেন। যখন এটা আদালতে গড়িয়েছে, তখন বক্তব্য আদালতের মাধ্যমে আসাই ভালো।’
আইনমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন বিশ্বব্যাংকের সদস্য হয়, তখন বিশ্বব্যাংকের সাথে একটি এগ্রিমেন্ট হয়। ঋণ বাতিল করলে বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলে কোনো বিধান সেই চুক্তিতে আছে বলে আমার মনে হয় না।’
বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অন্য দেশগুলোর আস্থা ফেরাতে পদ্মা সেতু ইস্যুতে বিশ্বব্যাংককে পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
তিনি বলেন, ‘আমার কথা হচ্ছে, আমরা বিশ্বব্যাংকের কাছে এই ব্যবহারের জন্য প্রতিকার চাই। প্রতিকার ক্ষতিপূরণ দিয়েও হতে পারে, যেসব কর্মকর্তা আমাদের বিরুদ্ধে এই অবিচার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েও প্রতিকার হতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী এবং যাদের ওপর দোষারোপ করা হয়েছে, তাদের কাছে বিশ্বব্যাংককে ক্ষমা চাইতে হবে, সংসদে দেওয়া এই বক্তব্যে অটল থাকার কথাও জানান আইনমন্ত্রী।
প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিচারকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘বিচারিক কাজে হস্তক্ষেপ করতে আমরা সরকার গঠন করিনি। আমরা চাই মানুষ ন্যায়বিচার পাক। বিচার বিভাগ স্বাধীন না হলে সেটা সম্ভব না। গত ৪৬ বছরে অনেক ক্ষেত্রে আমরা সেই ন্যায়বিচার পাইনি। এখন বিচার বিভাগের যে কাজ, সেটা আপনারা করবেন।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মোহাম্মদ জহিরুল হক এবং বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদ উপস্থিত ছিলেন।