ঢাকাFriday , 21 October 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তৃণমূল নেতাদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ

Link Copied!

hasina1নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন সম্মেলনে তৃণমূল নেতাদের যথাযথ মর্যাদা ও আতিথেয়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বিশেষ করে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের বিশেষ মর্যাদা, তাদের সঙ্গে আগত তৃণমূলের নেতাদের আতিথেয়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এ লক্ষ্যে গত ১৬ অক্টোবর রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দপ্তর উপ-কমিটির সঙ্গে অন্যান্য উপ-কমিটির তাৎক্ষণিক সমন্বয় সভায় নির্দেশের কথা দলীয় নেতাদের জানিয়ে দিয়েছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের।
বৈঠকে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশ আছে- সম্মেলনে তৃণমূল থেকে আগত নেতাদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে। বিশেষ করে জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের প্রতি বিশেষ নজর রাখার নির্দেশ আছে। নেত্রী চান না তৃণমূলের কোনো নেতা কেন্দ্রীয় সম্মেলনে এসে কোনো কারণে অসম্মানিতবোধ করে দলের কাছে অভিযোগ করেন। তাহলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের কৈফিয়ত দিতে হবে। সেদিন নানকের বক্তব্যের সূত্র ধরে দলের সাংগঠিনক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমও এ বিষয়ে কথা বলেন বলে বৈঠক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
দলীয় সূত্র আরও জানান, নেত্রী অনেক আগেই দলীয় নেতাদের এ ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। যার প্রতিফলন ঘটে গত ৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দপ্তর উপ-কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির বৈঠকে। ওই বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘আমরা যখন দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তৃণমূলে যাই, তখন তারা আমাদের ভালো আতিথেয়তা দেন। কিন্তু তারা (তৃণমূলের নেতাকর্মীরা) যখন কেন্দ্রে আসেন, তখন তাদের সেভাবে আতিথেয়তা দিতে পারি না। তাই এবার সম্মেলনে আগত তৃণমূলের নেতাকর্মীদের যথাযথভাবে সন্মান জানাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্মেলনে আগত কাউন্সিলর এবং ডেলিগেটদের ঢাকায় এসে যেন কোনো রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়, আমরা সেই ব্যবস্থা করব। তাদের সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের নির্দিষ্ট (বিভাগওয়ারী) কিছু বুথ থাকবে।
এবারের জাতীয় সম্মেলনে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলরের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৭০ জন। আরও আসবেন সমসংখ্যক ডেলিগেট। সম্মেলনস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১০০ টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক ও শৃংখলা উপ-কমিটির নেতৃত্বে ৫০ ইউনিটে ২০০০ স্বেচ্ছাসেবক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিয়োজিত থাকবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের এক সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, নেত্রী মনে করছেন, তিনি হয়ত বেশি দিন দলের ভার বইতে পারবেন না। তিনি এই তৃণমূল নেতাদের কারণে বঙ্গবন্ধু কন্যা থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এই নেতারাই তার পাশে ছিলেন বলেই তিনি দীর্ঘ সময়ে নৌকার হাল ধরে আজকে বিশ্বনেত্রীর কাতারে পৌছে গেছেন। এ জন্যই তিনি কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেতাদের যথাযথ মর্যাদা দিতে। যে কারণে সম্মেলন উপলক্ষে খাদ্য উপ-কমিটিকে দুইদিনে ৫০ হাজার মানুষের খাদ্য সরবরাহ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
গত ১৬ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা, মঞ্চ ও সাজ-সজ্জা, অভ্যর্থনা এবং খাদ্য উপ-কমিটির সমন্বয় সভায় খাদ্য উপকমিটির আহ্বায়ক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ‘নেত্রী সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। উনি খাবারের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য আমাকে বলেছেন। আমাদের আগে টার্গেট ছিল ৩০ থেকে ৩২ হাজার মানুষের জন্য খাদ্য সরবরাহ। এখন এই টার্গেট হবে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার। এটা আমাদের সবাইকে সহযোগিতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।’
এবার সম্মেলনে তৃণমূল নেতাদের উৎসব সামনে থেকে দেখতে চান শেখ হাসিনা। তৃণমূল নেতাদের কথার মধ্যে তিনি সংগঠনের হালচিত্রের ধারণা নিতে চান। যে কারণে সম্মেলনে সব সাংগঠনিক জেলার একজন করে নেতার বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্মেলনের সময় একদিন থেকে বাড়িয়ে দুইদিন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।