ঢাকাFriday , 21 October 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৬৭ বছরের হালচিত্রে সময় এখন আ.লীগের

Link Copied!

a-legue-sommelonনিজস্ব প্রতিবেদক : ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন রোজ গার্ডেন চত্ত্বরে জন্ম। সময় গড়িয়ে আওয়ামী লীগের বয়স এখন ৬৭ বছর।
বর্তমান সভাপতি শেখ হাসিনার বয়সও দলের থেকে মাত্র তিন বছর বেশি। চলতি বছরে শেখ হাসিনা ৭০ বছরে পা রেখেছেন। কালব্যাপ্তি ও সময়ফ্রেমে আওয়ামী লীগ ১৯টি সম্মেলনের মধ্যে ৬টি বিশেষ সম্মেলন পার করেছে। ২২ ও ২৩ অক্টোবর ২০তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সময় ফ্রেমে আওয়ামী লীগ তাই ৬৭ বছর ইতিহাসের হালচিত্রে বার্তা দিচ্ছে- এখন সময় আওয়ামী লীগের।
‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ নামে আওয়ামী লীগের যাত্রা শুরু হয় ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন। সময়বাস্তবতায় ১৯৫৫ সালে দলটি ধর্মনিরপেক্ষতা ধারণ করে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’ নামে পুনর্যাত্রা করে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে দলটির অবদান অনস্বীকার্য ও অপরিসীম। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া আওয়ামী লীগ আজ এশিয়া তথা ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।
শনিবার দলটির ২০তম জাতীয় সম্মেলন। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে এ সম্মেলন।
সাম্প্রদায়িক দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি পৃথক ভূখণ্ড নিয়ে পাকিস্তান গঠিত হয়। এই পটভূমিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪ মাস ২০ দিন পর ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি তৎকালীন পূর্ব বাংলায় প্রথম সরকারবিরোধী ছাত্র সংগঠন ‘পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ’ আত্মপ্রকাশ করে। তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এ ছাত্র সংগঠনটি পরবর্তীকালে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। ছাত্রলীগের হাত ধরেই ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কেএম দাস লেনের ‘রোজ গার্ডেন’-এ এক কর্মী সম্মেলনের ভেতর দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে আজকের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি, টাঙ্গাইলের শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক ও কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান দলটির অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সেই থেকে শুরু হয় আওয়ামী লীগের নতুন পথচলা।
১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষাকে পূর্ব বাংলার রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনের সূচনা হয়। তা ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের পথ বেয়ে বাঙালির স্বতন্ত্র রাষ্ট্রচিন্তার অঙ্কুর অঙ্কুরিত হয়। ভাষা আন্দোলনে বিজয়ের পর ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় হয়। তৎকালীন তিন জাতীয় নেতা শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে গঠিত যুক্তফ্রন্টের নিরঙ্কুশ বিজয় এবং ২১ দফার পক্ষে বাংলার মানুষের ‘ঐতিহাসিক রায়’ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে নতুন পর্যায়ে উন্নীত করে। এই বিজয়ের পেছনে ভূমিকা রাখে আওয়ামী লীগ।
১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তি সনদ ৬ দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন। তার নেতৃত্বে আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র বাংলাদেশে। স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকারের দাবিতে সৃষ্টি হয় অভূতপূর্ব জাতীয় জাগরণ। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ১৯৬৬ সালের ৮ মে মধ্যরাতে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। ছাত্রসমাজের নেতৃত্বে ১৯৬৯ সালে ৬ দফাভিত্তিক ১১ দফা আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তুলে নেওয়া হয় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন শেখ মুজিব। তিনি ভূষিত হন ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে। পতন ঘটে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসন।
১৯৭০ সালের নির্বাচন ছিল আওয়ামী লীগের বিশাল টার্নিং পয়েন্ট। ওই নির্বাচনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে পূর্ব বাংলার ১৬২ আসনের মধ্যে ১৬০টি এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৭টিসহ মোট ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার গণমানুষের অবিসংবাদিত নেতা হয়ে ওঠেন। নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগের কাছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তরের বদলে টালবাহানা শুরু করে পাকিস্তানি সামরিক শাসকগোষ্ঠী। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকায় আহূত জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ১ মার্চ আকস্মিকভাবে স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু কার্যত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তিনি উচ্চারণ করেন বাংলাদেশের মুক্তির বাণী ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
বঙ্গবন্ধুর কৌশলী ভাষণ বুঝতে পেরে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলার মানুষের ওপর ভারি অস্ত্রসহ ঝাঁপিয়ে পড়ে। গ্রেপ্তারের আগে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা। আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের মানুষ যে যেখানে আছেন, আপনাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দখলদারির মোকাবিলা করার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকেও বাংলাদেশের মাটি থেকে উৎখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আপনাদের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।’
চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে তার ওই ঘোষণা প্রচারিত হয়। ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার ভেতর দিয়ে শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এক অধিবেশনে মিলিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ প্রণয়ন করেন। একইসঙ্গে তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করে গঠন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর বলে খ্যাত মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা আম্রকাননে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সরকার আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করে। অতঃপর আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত ৯ মাসের বীরোচিত মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ও তিন লক্ষাধিক মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে হানাদারমুক্ত হয় বাংলাদেশ। ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি বাহিনী।
পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তিলাভের পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। শুরু হয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের সংগ্রাম। মাত্র ৯ মাসের মাথায় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ একটি সংবিধান উপহার দেয় আওয়ামী লীগ। গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই সংবিধানের ভিত্তিতে ১৯৭৩ সালের ৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অবাধ ও নিরপেক্ষ সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টিতে জয়ী হয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। মাত্র সাড়ে তিন বছরে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পুনর্গঠন সম্পন্ন হয়, উন্মোচিত হয় সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।
বাংলাদেশ যখন ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে, ঠিক ওই মুহূর্তে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে খুনিদের হাতে সপরিবারে নিহত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। খুনিচক্র এখানেই থেমে থাকেনি। একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামারুজ্জামানকেও রাতের অন্ধকারে হত্যা করে। এভাবেই বাংলাদেশের ইতিহাস কালো চাদরে ঢাকা পড়ে যায়।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ১৬ বছর বাংলাদেশে চলে সামরিক শাসন। ১৯৮১ সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর আওয়ামী লীগের হাল ধরেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের নতুন গতিবেগ সৃষ্টি হয়। আন্দোলনের ফসল হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে ১৯৯১ সালের মার্চে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসে। ৫ বছর মেয়াদ শেষে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আবারও ক্ষমতায় আসে বিএনপি। ওই নির্বাচনের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রতিষ্ঠিত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ১২ জুন অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ সাধারণ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা দিবসে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় ঐক্যজোট। এরপর ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে নতুন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। ফলে দেশে জরুরি অবস্থা জারি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ থাকে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট বিজয় অর্জন করে। সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৩৩টি ও অন্যান্য অংশীদার দলসহ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৬৩টি আসন লাভ করে। ‘নির্বাচনী ইশতেহার প্রদত্ত রূপকল্প ২০২১’ বা ‘দিনবদলের সনদ’-এর অঙ্গীকার দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে ধারাবাহিক সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোট।
২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সামনে রেখে দিনবদলের সনদ তথা নির্বাচনী ইশতেহারে আগামী ২০২১ সালে আমরা কেমন বাংলাদেশ দেখতে চাই; একটি রূপকল্প তুলে ধরা হয়।
২০০৯ সালের জানুয়ারিতে সরকার পরিচালনার দায়িত্বগ্রহণের পর থেকে সব একাগ্রতা, বিচক্ষণতা ও লক্ষ্যে পৌঁছার স্থির সংকল্প নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
আওয়ামী লীগের ‘জেগে ওঠো বাংলাদেশ, রুখে দাঁড়াও জঙ্গিবাদ’ শ্লোগানে সাড়া দিয়ে মানুষ জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ঘোষণা করে। স্বল্প সময়ের ব্যবধানেই মানুষের মধ্যে জঙ্গি দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ব্যাপক সমর্থন অর্জন করে এবং দেশে স্বস্তির পরিবেশ ফিরে আসতে থাকে। জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সরকারের দৃঢ়তার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পায়।
আসন্ন সম্মেলনের স্লোগান- ‘‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছি দুর্বার.. এখন সময় বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার।”