
সভাপতির বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মো. কামাল উদ্দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০১৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)-এ দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সংস্থাটির পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ (পিটিসি) বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (সিএসও) মো. নজরুল ইসলামের পরিচালনায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মহাপরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মো. কামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. নাসিমুল গনি, পরিচালক (কৃষি) ড. রহিমা খাতুন, পরিচালক (জুট-টেক্স) ড. মো. আবুল কালাম আজাদসহ সকল সিএসও, বিভাগীয় প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মহাপরিচালক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, গবেষণার অর্জন যখন জাতীয় আয়ে ধনাত্মক ভূমিকা রাখে তখন এর গুরুত্ব এবং তাৎপর্য বেড়ে যায়। এ সময় তিনি পাটের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে নতুন নতুন কর্মসূচি গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বিশ্ব বাজারে পাট পণ্য পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে যাতে মানুষ তার হাতের নাগালে পাট পণ্য পায়; তবেই পাটের উৎকর্ষ সাধন এবং উৎপাদনশীলতা যথার্থ হবে। এতে করে মানব কল্যাণে পাট একটি অত্যাবশ্যকীয় নিয়ামক হিসেবে অবস্থান নেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় তিনি বিজ্ঞানীদের প্রতি অধিক উৎপাদনশীল হতে এবং লক্ষ্য স্থির করে তা অর্জনে টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে নতুন নতুন কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান।
ড. মো. নাসিমুল গনি নতুন জাতীয় কৃষি নীতি অনুযায়ী দু’ধরনের উৎপাদনশীলতার লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করতে বিজ্ঞানীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের জিডিপিতে পাট গবেষণা অবদান রেখে চলেছে। আজ পাটের উৎপাদনশীলতা লক্ষ্যমাত্রার অধিক বলে প্রতীয়মান।
সভায় অন্যান্য বক্তারা পাটের উপযোগিতা এবং উৎকর্ষ সাধনে নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে জাতীয় আয়ে অবদান রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন। পাট ও পাট জাতীয় ফসলের উৎপাদন এবং বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করতে হবে বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।

