ঢাকাSunday , 4 September 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আ.লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির আকার বাড়ানোর ইঙ্গিত

Link Copied!

A.Legueনিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির আকার বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন গঠনতন্ত্র উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও দলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাক।
রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ‌কার্যালয়ে গঠনতন্ত্র উপ-কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ ইঙ্গিত দেন।
আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন হবে।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছি। গঠনতন্ত্রকে কীভাবে আরো যুগোপযোগী ও সময়োপযোগী করা যায় তা ভাবছি। কারণ, আমরা একটি আধুনিক গঠনতন্ত্র করতে চাই। এ লক্ষ্যে কোনো পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা সংযোজনের দরকারে আমরা কিছু সুপারিশ করব। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, আমাদের এই সুপারিশ দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদে আলোচনা হবে এবং সেখান থেকে সুপারিশ আকারে আগামী কাউন্সিলে যাবে। কারণ, এটাকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার ক্ষমতা কাউন্সিলের।
আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির পদের সংখ্যা নিয়ে অনেক সময় মিডিয়াতেও আলোচনা হয়। কারণ দেশে ১৬ কোটি মানুষ, কিন্তু দলের কার্যনির্বাহী সদস্য মাত্র ৭৩ জন।
কার্যনির্বাহী সংসদ আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের সর্বোচ্চ স্তর, এ কথা জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ ছাড়া আমাদের জাতীয় কাউন্সিল, উপদেষ্টা পরিষদ এবং জাতীয় কমিটি আছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময় বলে এসেছে, সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটি এবং পলিসি মেকিং কমিটির পরিধি ঢাউস মার্কা বা পাঁচশ, ছয়শ বা তিনশ হতে পারে না।
ভারতের বড় দুই রাজনৈতিক দল- কংগ্রেস ও বিজেপির কমিটির সদস্য সংখ্যার উদাহরণ দিয়ে রাজ্জাক বলেন, তাদের গঠনতন্ত্র পড়ার সুযোগ আমার হয়েছে। সেখানে সুস্পষ্ট লেখা আছে, কার্যনির্বাহী কমিটি ১২০ সদস্যের বেশি হবে না। এটা লিমিট করে দেওয়া আছে। এমনকি একসময় ভারতে কংগ্রেসের ২৭টি রাজ্যে কমিটির আকার ছিল মাত্র ৩২ জনের। ব্রিটিশ লেবার পার্টি, কনজারভেটিভ পার্টি কোনো দলেরই কার্যনির্বাহী কমিটির পরিসর বিশাল না। সব পার্টির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা সত্তর, আশি বা একশর মধ্যে সীমাবদ্ধ।
বৈঠকের এজেন্ডা তুলে ধরে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মোটামুটিভাবে এগুলোই আমরা আলোচনা করেছি- প্রেসিডিয়াম সদস্য কতজন হবে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক কত জন হতে পারে। তবে আমরা এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্তে আসি নাই। আমরা শুধু এগুলোর ব্যাপারে চিন্তা করে খসড়া তৈরি করেছি।
সাংগঠনিক সম্পাদকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের নতুন একটি বিভাগ হয়েছে। সাংগঠনিক সম্পাদক বিভাগ অনুযায়ী হয়। ময়মনসিংহ নতুন বিভাগ হয়েছে এবং কুমিল্লা ও ফরিদপুর বিভাগ করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় আছে। যদি এই দুটো বিভাগ হয় সেক্ষেত্রে হয়ত আমাদের বিভাগীয় সম্পাদক বাড়ানো হতে পারে।
প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদের সুপারিশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা একটি নতুন সম্পাদকীয় পদের চিন্তা করেছি- সেটি হলো প্রশিক্ষণ সম্পাদক। এটিও চূড়ান্ত নয়, সুপারিশ। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এ ছাড়াও গঠনতন্ত্রে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন প্রক্রিয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এক্ষেত্রে আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রার্থী বাচাইয়ে তৃণমূলকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। এ ব্যাপারে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাও ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন রাজ্জাক।
গঠনতন্ত্র উপ-কমিটির আহ্বায়ক ড. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে সভা হয়। বৈঠক পরিচালনা করেন কমিটির সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দিপু মনি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ফারুক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মেসবাহ উদ্দিন সিরাজ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য আখতারুজ্জামান, আব্দুর রহমান, সুজিত রায় নন্দী, আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।