ঢাকাFriday , 1 July 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরাধীন টেকাব প্রকল্পের বার্ষিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

Link Copied!

বক্তব্য দিচ্ছেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম; মঞ্চে উপবিষ্ট (বাঁ থেকে) যথাক্রমে যুগ্মসচিব আজিজুল হক, মঞ্জুরুল কাদের, শিশির কুমার রায় ও মো. মাশুক মিয়া

বক্তব্য দিচ্ছেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম; মঞ্চে উপবিষ্ট (বাঁ থেকে) যথাক্রমে যুগ্মসচিব আজিজুল হক, মঞ্জুরুল কাদের, শিশির কুমার রায় ও মো. মাশুক মিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক : যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস ফর আন্ডারপ্রিভিলেজড রুরাল ইয়াং পিপলস অব বাংলাদেশ (টেকাব)’ প্রকল্পের বার্ষিক সেমিনার গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলস্থ যুব ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) শিশির কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম।
অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা) ও টেকাব প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবুল হাছান খানের স্বাগত বক্তব্যে শুরু হওয়া কর্মশালায় ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুব সমাজের ভূমিকা : প্রেক্ষিত টেকাব প্রকল্প’ শীর্ষক তথ্য ও সাহিত্যিক অলংকারে সমৃদ্ধ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাট অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আছাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মাশুক মিয়া, যুগ্ম সচিব মঞ্জুরুল কাদের, যুগ্ম সচিব আজিজুল হক, উপ-সচিব নূমেরী জামানসহ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।
আনোয়ারুল করিম বলেন, বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এই প্রকল্পটি সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে। দেশের যুব সমাজকে আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষিত করতে প্রকল্পের ৭টি আইসিটি ভ্যান উপজেলাসহ গ্রামে-গঞ্জে অবস্থান করছে। এই ভ্যানে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা একদিকে যেমন আইসিটি সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে আত্মকর্মে নিয়োজিত হবে তেমনি তাদের দেখাদেখি অন্য যুবরাও প্রশিক্ষণ নিতে উৎসাহী হবে। তিনি বলেন, আইসিটি ভ্যানগুলো শুধুমাত্র প্রশিক্ষণের বাহন হিসেবে ব্যবহৃত হবে না-এগুলোর গায়ে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার জুড়ে দিয়ে প্রচারণার মাধ্যমে হিসেবেও কাজে লাগাতে হবে। যুবরা এই ভ্যানে প্রশিক্ষণ নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যজ্ঞে শামিল হবে এবং আত্মকর্মে নিয়োজিত হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। দেশের যুবসমাজকে আইসিটি ভ্যানে প্রশিক্ষণ নিতে উদ্বুদ্ধকরণ এবং প্রশিক্ষণের সিলেবাসকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানান তিনি। প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের মতামতও বিবেচনায় নেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
শিশির কুমার রায় বলেন, আইসিটি বিষয়ক যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পূর্ববর্তী প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের পর বর্তমান প্রকল্পটিও সফল হবে বলে আশা করা যায়। মাত্র ৭টি ভ্যান দিয়ে প্রকল্পকালীন ৫ বছরে দেশের সবগুলো উপজেলা হয়তোবা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় আনা সম্ভব হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মধ্য থেকেই আমরা চেষ্টা করবো সর্বোচ্চ ফলাফল বের করে আনতে। এ সময় তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের পর প্রশিক্ষণার্থীদের যদি ১টি বা ২টি কম্পিউটার ক্রয়ের ব্যবস্থাসহ তাকে বসার ব্যবস্থা করে দেয়া যায় তাহলে তা থেকে তিনি যেমন উপার্জন করতে পারবেন তেমনি অন্য যুবদের এখান থেকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা সম্ভব। তিনি বলেন, প্রচারণার মাধ্যমে এই কার্যক্রমে আরো অধিক সংখ্যক যুবকে সম্পৃক্ত করতে হবে। এ ছাড়া, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে নিবিড় মনিটরিংয়ের আওতায় এনে তা সফলভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিতের আহ্বান জানান তিনি।
স্বাগত বক্তব্যে আবুল হাছান খান প্রকল্পের পটভূমি, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা এবং কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের ৫ কোটি যুবক ও যুবনারীকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করে তাদেরকে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলে তারা যেমন নিজেরাই আত্মকর্মী হবে তেমনি জাতীয় উন্নয়নেও তারা অবদান রাখতে পারবে। প্রকল্পটি সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রায় উদ্দীপ্ত যুবশক্তির একটি গঠনমূলক কর্মোদ্যোগ উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।