
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস ফর আন্ডার প্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ’ (টেকাব) প্রকল্পের উদ্যোগে প্রশিক্ষক ও সহকারি প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম ও আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক : যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আজ সোমবার অধিদপ্তরাধীন ‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস ফর আন্ডার প্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ’ (টেকাব) শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের উদ্যোগে প্রশিক্ষক ও সহকারি প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কোর্স (TOT)-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্ম সচিব আব্দুস সোবহান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মঞ্জুরুল কাদের, অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) শিশির কুমার রায় (যুগ্ম সচিব), পরিচালক (দারিদ্র বিমোচন ও ঋণ) মো. এরশাদ উর রশীদ, পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মো. শহিদুল ইসলাম (যুগ্ম সচিব), জোরদারকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ,এস,এম সামসুজ্জামানসহ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও সহকারি পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ কোর্সে ১২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।
পরিচালক (পরিকল্পনা) ও প্রকল্প পরিচালক (টেকাব) আবুল হাছান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) শিশির কুমার রায়। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের ফলে মাঠ পর্যায়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকাণ্ড অধিকতর গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিশির কুমার রায়। তিনি প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের সফলতা কামনা করেন।
যুগ্ম সচিব মঞ্জুরুল কাদের বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যেসব কার্যক্রম গৃহীত হয়েছে এই প্রকল্পটি সেগুলোর অন্যতম। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৮০ শতাংশ গ্রামীণ জনবলকে তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশের ৭ বিভাগের ২৩ জেলায় ৪৪৭টি উপজেলায় ট্রেনিং ভ্যানে দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে এবং প্রতিটি ভ্যানে ১২টি কম্পিউটার থাকবে বলে তিনি জানান।
মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম বলেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদের তথ্য প্রযুক্তি খাতকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। মোবাইল ভ্যানে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিতে গ্রামীণ যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। এক্ষেত্রে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় তিনি বলেন, যেহেতু তথ্য প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে সেহেতু আমাদেরও সমানতালে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। প্রশিক্ষণ এবং এ সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডকে আরো উন্নত, আধুনিক ও সময়োপযোগী করতে এই প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে এবং এর সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে সবাইকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান। মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকাণ্ডে সূদুর প্রসারী প্রভাব পড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আনোয়ারুল করিম।
পরিচালক (পরিকল্পনা) ও প্রকল্প পরিচালক (টেকাব) আবুল হাছান খান তার বক্তব্যে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষক ও সহকারী প্রশিক্ষকদের স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে গঠনমূলক পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

