নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সবক্ষেত্রেই নারী-পুরুষের অংশগ্রহণ ফিফটি ফিফটি হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি।
সোমবার মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সফররত আফগান পার্লামেন্টের মহিলা সংসদ সদস্যদের সাথে মত বিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। আফগান পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষের (হাউজ অব দ্য পিপল) উইমেন অফ দ্য উইমেন কমিটির চেয়ারম্যান মিজ ফাওজিয়া কোফি এমপি’র নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রতিমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।
এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, শত অর্জনের মধ্যে বাংলাদেশ এখনও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে।
প্রতিনিধি দলের মধ্যে আরো ছিলেন উইমেন কমিটির মেম্বার মিজ মারিয়াম কোফি এমপি; উইমেন কমিটির মেম্বার টোপাকেই পাটমেন এমপি; কোবরা মোস্তাফাওয়াই এমপি, জাহরা টকরি যাবুলি এমপি, রুবাবা পারওয়ানি দারওয়িশ এমপি, মিজ আকিজি জালিস এমপি প্রমূখ।
প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান প্রায় একই অঞ্চলের মুসলিম অধ্যুষ্যিত দেশ। তারপরও নারীর ক্ষমতায়নে বাংরাদেশের অর্জন ঈর্ষনীয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেত্রী ও স্পিকার মহিলা। তারা বাংলাদেশের এই অর্জনকে অভিনন্দন জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে নারী উন্নয়নের প্রধান চালিকা শক্তি হল রাজনৈতিক সদিচ্ছা। প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন, নারীর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, নারী শিক্ষা প্রসার, কোটা পদ্ধতি, ছাত্রী বৃত্তি, অতি দরিদ্র নারীদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, নারীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রভৃতি কারনে বাংলাদেশ নারীর ক্ষমতায়ন আজ সারাবিশ্বে রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

