ঢাকাMonday , 1 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের উদ্যোগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে মতবিনিময় সভা

Link Copied!

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম

নিজস্ব প্রতিবেদক : গতকাল সোমবার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা (ইমপ্যাক্ট)-২য় পর্যায় প্রকল্পের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনোয়ারুল করিম, বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মঞ্জুরুল কাদের এবং অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) শিশির কুমার রায় (যুগ্ম সচিব)। প্রকল্প পরিচালক মো. আ. হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রকল্পের আওতায় ৬৩টি উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মার্কেটিং অফিসার, উপজেলা বায়োগ্যাস ইঞ্জিনিয়ারসহ অধিদপ্তরের পরিচালক ও উপ-পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনোয়ারুল করিম বলেন, এই প্রকল্পের কার্যক্রম ব্যতিক্রমধর্মী এবং জনসেবামূলক। বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের অবহেলিত বেকার যুব ও যুব মহিলাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রকল্পটি বিরাট ভূমিকা পালন করছে।  তিনি বলেন, এই প্রকল্পের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের যুব সম্প্রদায়কে গবাদিপশু ও হাঁসমুরগী পালন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে উৎসাহিত করা হচ্ছে; এর মাধ্যমে একদিকে যেমন জ্বালানি সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব তেমনি ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণেও সহায়ক ভূমিকা রাখা যাবে। প্রকল্প এলাকায় প্রতিটি বাড়িতে একটি করে খামার স্থাপন এবং বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণ ও এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টন কেরোসিনের ব্যবহার হ্রাস করা সম্ভব হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বায়োগ্যাস প্লান্ট একদিকে যেমন প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার হ্রাস করবে তেমনি ভবিষ্যতে কখনও প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট দেখা দিলে তা সহজেই মোকাবেলা করা সম্ভব হবে। তিনি আরো বলেন, বায়োগ্যাস প্লান্টের বর্জ্য স্বাস্থ্যসম্মত; এই বর্জ্য মশামাছিসহ ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের বংশবিস্তার রোধ করে। ফসল উৎপাদনে এই বর্জ্যরে প্রয়োগ রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাবে এবং তা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতেও অনেক বড় অবদান রাখবে। প্রকল্পের সুফল প্রচারণাসহ ঘরে ঘরে এর কার্যক্রম সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান আনোয়ারুল করিম।
শিশির কুমার রায় প্রকল্পের শতভাগ সফলতার লক্ষ্যে সবাইকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ ও জাতি গঠনে রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার পূরণ করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানের কর্মঅধিবেশনে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন যুগ্ম সচিব মঞ্জুরুল কাদের।