ঢাকাThursday , 3 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নের বেহাল দশা

Link Copied!

nariরাজশাহী প্রতিনিধি : পেশাগত আর অর্থনৈতিক দিক থেকে নারীরা দিন দিনই এগিয়ে যাচ্ছে। বাড়ছে নারী শিক্ষার হার। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীর দায়িত্বশীলতাও প্রশংসনীয়। এ কারণে বিভিন্ন পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে। তবে এতোকিছুর পরেও রাজনৈতিক দিক থেকে নারীরা এখনো অনেক পিছিয়ে।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর পৌরসভার নির্বাচন ঘিরে মাঠ পর্যায়ে এমন চিত্রই চোখে পড়েছে। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী হলেও রাজশাহী বিভাগে এবার মেয়র প্রার্থী হিসেবে নারীর অংশগ্রহণ একেবারেই নগন্য।
রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ৫২টি পৌরসভায় এবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এসব পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের একক প্রার্থী ঘোষণা করা হচ্ছে। তবে এর আগে ৫২ মেয়র পদের বিপরীতে আড়াইশ’র বেশি প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে নামেন। তারা ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়াতে শুরু করেন। তবে এতো মেয়র পদের প্রার্থীর মধ্যে পুরো বিভাগে নারী প্রার্থী দেখা গেছে মাত্র চারজন। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এ সংখ্যা নারীর ক্ষমতায়নের বেহাল দশাই প্রমাণ করে।
পুরো বিভাগ জুড়ে নারী প্রার্থী বলতে রাজশাহীতে ২ জন, নাটোর ও সিরাজগঞ্জে এক জন করে নারী প্রার্থী মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। যদিও নাটোর সদর পৌরসভার নির্বাচনের শুরু থেকেই প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন জলি চৌধুরী। কিন্তু কেন্দ্রে তালিকা পাঠানো তালিকায় নাম নেই জেলা আওয়ামী লীগের এ নেত্রীর।
নারীর ক্ষমতায়নের বেহাল দশার কারণ হিসেবে রাজনৈতিক অস্বচ্ছতা আর পেশিশক্তিকেই চিহ্নিত করেছেন রাজশাহী জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কল্পনা রায়।
রাজশাহীর ১৪টি পৌরসভার মধ্যে ১৩টিতে নির্বাচন হচ্ছে। ১৩টি মেয়র পদে ৮৭ প্রার্থী নেমেছেন প্রচারণায়। এর মধ্যে চারঘাট পৌরসভায় প্রার্থী হচ্ছেন বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেত্রী নার্গিস খাতুন আর তাহেরপুর পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শামসুন নাহার।
সিরাজগঞ্জের ৬টি পৌরসভাতেই বইছে ভোটের হাওয়া। এখানকার বেলকুচি পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী হচ্ছেন দৌতলপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আশা নুর বিশ্বাস।
বিভাগের বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, জয়পুরহাটের ৪৯টি পৌরসভায় মেয়র পদে কোনো নারীকে দেখা যায়নি।
রাজশাহী জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কল্পনা রায় জানান, রাজনীতিতে নারী অলঙ্কারস্বরূপ। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তারা থাকে মিছিলের অগ্রভাগে, ভোট প্রচারেও তাদের কদর ব্যাপক। যদিও সকল ক্ষেত্রেই নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে কিন্তু নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বা সরাসরি ভোটের রাজনীতিতে তাদের সুযোগ ও অংশগ্রহণ কম।
কল্পনা রায় বলেন, নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নয়, সেই সঙ্গে রাজনীতিতে এখনও স্বচ্ছতা নেই। রাজনীতি পেশীশক্তির ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার কারণে নারীরা পেরে উঠছে না।
বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির বিভাগীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট দিল সেতারা চুনি বলেন, এটা খুব দুঃখজনক। আসলে এ বিষয়ে বড় দলগুলোকেই এগিয়ে আসতে হবে। নারীর ক্ষমতায়নের ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।