লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্ষাকাল মানেই যখন-তখন অঝর ধারায় বৃষ্টি। হুটহাট এই বৃষ্টির উচ্ছ্বলতা বড়দের সঙ্গে ছোটদেরও আন্দোলিত করে। নিজেদের সুরক্ষায় বড়রা নানা ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। অপরদিকে ছোটরা হাত বাড়ায় পানি ধরতে। সুযোগ পেলেই বৃষ্টির পানিতে লাফালাফিসহ নানা খেলা আবিষ্কার করে মুহূর্তের মধ্যে। স্কুলের পথে, বাইরে কোথাও গেলে বা বাড়িতেই বৃষ্টির পানিতে ভিজে সোনামনি বাধিয়ে বসে নানা অসুখ-বিসুখ। ছাতা বা রেইনকোট ব্যবহার না করার জন্য নানা বাহানাও ধরে। কাদাপানির মধ্যে অবলীলায় পা ডুবায়। এতে দেখা যায়, সর্দি-জ্বর-কাশি এবং নোংরা পানি ঘাটাঘাটিতে চুলকানি পাঁচড়া বাধিয়ে বসেছে। তাই-
শিশুর শরীরে বৃষ্টির পানি লাগলে দেরি না করে শরীর ভালোভাবে মুছে দিতে হবে।
শিশুকে কাদাপানিতে একদম নামতে দেয়া যাবে না। আর যদি শিশুর গায়ে কাদাপানি লেগেই যায়, তবে সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে দিতে হবে।
আদ্র আবহাওয়ায় ত্বকে সহজেই ময়লা জমে খোস-পাঁচড়াসহ নানা ধরনের ইনফেকশন হতে পারে। তাই শিশুকে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
বর্ষাকালে স্কুলে যাওয়ার সময় শিশুকে অবশ্যই রেইনকোট, ছাতা, গামবুট ব্যবহার করতে হবে। শরীরে কাদা, ময়লা পানি লাগলে তা পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
খাওয়া, গোসল, খেলাধুলা, হাত-মুখ ধোয়া, ঘামযুক্ত শরীর মুছিয়ে দেয়া শিশুর সুন্দর ত্বকের জন্য খুবই প্রয়োজন। তাই মায়েদের অবশ্যই এসব বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
গরমে শিশু ঘেমে গেলে শিশুর ত্বকে বেবি পাওডার ব্যবহার করতে হবে।
বর্ষাকালে শিশুকে ভিটামিন-সি জাতীয় ফলমূল ও পানি জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়াতে হবে। সেইসঙ্গে শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে। এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে বেশি।

