ঢাকাWednesday , 10 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৬২বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Link Copied!

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও মহাপরিচালক (বীজ) আনোয়ার ফারুকসহ ‍আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

কর্মশালায় উপস্থিত কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও মহাপরিচালক (বীজ) আনোয়ার ফারুকসহ ‍আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটস্থ গিয়াস উদ্দিন মিল্কী অডিটরিয়ামে ‘জিংকসমৃদ্ধ ব্রি ধান৬২ জাতের মিনিকিট প্রদর্শনী বাস্তবায়ন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও মহাপরিচালক (বীজ) আনোয়ার ফারুক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হার্ভেস্ট প্লাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ড. খায়রুল বাশার এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং-এর পরিচালক শেখ হেমায়েত হোসেন। কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ জেড এম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হার্ভেস্ট প্লাস বাংলাদেশ (ডিএই পার্ট)-এর প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ও ডিএই‘র চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, বিতরন ও সংরক্ষণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ছারওয়ার জাহান।
আনোয়ার ফারুক তার বক্তব্যে পুষ্টিসমৃদ্ধ ধান, ডাল ও গমের চাষ বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে তাগিদ দেন। এ সময় তিনি জান‍ান, বোরো মৌসুমে লাল রং-এর চিকন জিংক ধান মুক্তির অপেক্ষায় আছে, যা সকল শ্রেণীর জনগণের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।
শেখ হেমায়েত হোসেন তার বক্তব্যে জিংকসমৃদ্ধ ধান ব্রি ধান৬২ জাতটি দ্রুত বিস্তারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে  অনুরোধ করেন।
ড. খায়রুল বাশার পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে জিংকের অভাবজনিত অপুষ্টির শিকার নারী ও শিশুদের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন এবং জিংক ধান সহজেই এর অভাব দূর করতে পারে বলে মতামত দেন।
ছারওয়ার জাহান তার বক্তব্যে বলেন, জিংক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। জিংকের অভাবে মানবদেহে জ্বর ও ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। জিংকের অভাবে শিশুদের মাঝে ক্ষুধা মন্দা দেখা দেয়। গর্ভবতী মায়ের জিংকের অভাব হলে শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয়, গর্ভের বাচ্চার স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শিশুদের মানসিক ও  জ্ঞানেয় দক্ষতার সমন্বয়হীনতা পরিলক্ষিত হয়। এ সময় তিনি জানান, মহিলাদের দৈনিক ৮-৯ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন যার মধ্যে বাংলাদেশের মহিলারা গড়ে ৩.৬১ মিলিগ্রাম গ্রহণ করে। শিশুদের দৈনিক ৩-৫ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন যার মধ্যে আমাদের শিশুরা গড়ে ২.৬৭ মিলিগ্রাম গ্রহণ করে। শতকরা ৪৪ ভাগ শিশু এবং ৫৭ ভাগ নারী জিংকের অভাবজনিত অপুষ্টিতে ভুগছে বলেও জানান তিনি।
ছারওয়ার জাহান আরো জানান, ব্রি ধান৬২ জাতটি জিংকসমৃদ্ধ বিধায় এর চাষের বিস্তারের জন্য ৫০ জেলার ৩শ উপজেলায় ১৩ হাজার কৃষকের মাঝে প্রদর্শনী দেয়া হয়েছে। রোপা আমন-২০১৫ মৌসুমে ডিএই পার্টের আওতায় জিংকসমৃদ্ধ ধান ব্রি ধান৬২-এর আওতায় জমির পরিমাণ ৩৪ হাজার ৮০ হেক্টর, সম্ভাব্য ফলন  ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ মে. টন এবং সম্ভাব্য বীজ উৎপাদন ৬৮ হাজার ১৬০ মে. টন।
কারিগরী অধিবেশনে ড. আলমগীর হোসেন জিংকের প্রয়োজনীয়তা, অভাবজনিত লক্ষণ এবং জিংক ধানের জাতসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সেশনে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে ৫০টি জেলার ৩শ উপজেলায় প্রদর্শনীর বরাদ্দ বিভাজন করা হয়।