ঢাকাWednesday , 10 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘মোদির সফর কংগ্রেস-আ.লীগ সম্পর্ক ছিন্ন করেছে’

Link Copied!

amaj uddinনিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের ম‌ধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের সাথে কংগ্রেসের নাড়ির সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. এমাজ উদ্দিন আহমেদ।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতীয়তাবাদী দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সফর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক ওই গোলটেবিল আলোচনা সভায় ড. এমাজ উদ্দিন বলেন, ‘১৯৭১ এর পর থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে কংগ্রেসের যে নাড়ির সম্পর্ক ছিল মোদির বাংলাদেশ সফলে এ নাড়ির সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে কিনা তা জানি না। তবে এই সম্পর্ক আর শক্তিশালী নেই। এবং ভারতের নির্বাচন ও মোদির সফরের পর আমার মনে হয় এই সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে ২২টি যু্ক্তি হয়েছে এ চুক্তি সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে যারা কথা বলবেন বিশ্লেষণ করবেন তার উপরই নির্ভর করবে এই চুক্তি সফল হবে কিনা। আর কমিশন নেয়া ব্যক্তিরা যদি এই আলোচনার অংশগ্রহণ করেন তাহলে ফল পাওয়া যাবে না।’
আমরা দুই দিক থেকেই শুন্য অবস্থায় রয়েছি উল্লেখ করে এমাজ উদ্দিন বলেন, ‘আমার ছোট ছোট আশা ছিল নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের জনগণের চিন্তা-চেতনা মাথায় রেখে কিছু কথা বলবেন। প্রথমত, বাংলাদেশ ভারত বর্ডারে বছরে এক হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়। কিন্তু এই বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো দাবি তুলেনি এবং মোদিও চুপচাপ থেকেছেন। দ্বিতীয়ত, তিস্তা নদী নিহত হলো কিন্তু এই তিস্তাকে প্রাণবন্ত করতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কথা বলা হয়নি এবং মোদিও কিছু বলেননি এজন্য আমি আশাহত।’
বাংলাদেশ সরকারকে হাতেমতাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার হাতেমতাই সেজে মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ভারতকে দিয়ে দিচ্ছে। অপরদিকে বলা হচ্ছে চারটা দেশ মিলে আমরা বাড়ির মতো করবো। এই ভাষা হচ্ছে মোদির। সবাই সব যায়গায় যেতে পারবেন কিন্তু আমার কথা হচ্ছে অন্যের উঠানে কি আমাদের পা দেয়ার মতো সুযোগ থাকবে?’
১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার ভারতকে বাংলাদেশের এক অংশ দিয়ে দিয়েছে। সীমান্তে যে তিন বিঘা করিডোর রয়েছে এই করিডোর সম্পর্কে কোনো কথা হয়নি। বলা হচ্ছে বাংলাদেশকে এই তিন বিঘা ফিরিয়ে দেয়া হবে কিন্তু এটা কতটা বাস্তবে রূপ নেবে সেটাই এখন প্রশ্ন। এর ফলে ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু ও ইন্দিরা চুক্তি নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।’
২২টি চুক্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এই চুক্তি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করবেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি সংসদে জাতিকে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানাবেন। তাহলেই এই চুক্তিগুলো কতটা সঠিক তা জনগণ বিশ্লেষণ করতে পারবে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান বাংলাদেশ সরকার যদি জনপ্রতিনিধিত্বের সরকার হতো তাহলে ভারতকে এক ইঞ্চিও জায়গা ছেড়ে দিতো না। কারণ এটা আমাদের জায়গা, ভারতের নয়।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে গোলটেবিল আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেজর অব. রুহুল আলম চৌধুরী, সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর প্রমূখ।