নিজস্ব প্রতিবেদক : নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি নির্যাতন ও সহিংসতা নিরসনে জাতীয় পাঠপুস্তক বোর্ড প্রণীত পুস্তকসমুহে নারীর অধিকার, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রবর্তিত আইন ও নীতিসমূহের অন্তর্ভূক্তকরণ জরুরি বলে মনে করছেন বিশিষ্ট জনরা।
তাদের মতে, বাল্য বিবাহ ও নিরাপত্তার কারণে স্কুল জীবন শেষ হবার আগেই মেয়ে শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ছে। তাই এ বিষয়ে সরকারকে আরো জোরদার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ আয়োজিত ‘নারী ও শিশু কিশোরের প্রতি সহিংসতা, নিরাপদ স্কুল, নিরাপদ সমাজ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এমন মতামত ব্যাক্ত করেন আলোচকরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ‘দেশে দিন দিন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা রোধে কঠোর আইন পয়োগ ও পুরুষদের এগিয়ে আসতে হবে।’
এ সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আইনুন নাহার বলেন, ‘বাল্য বিবাহ ও নিরাপত্তার কারণে স্কুল জীবন শেষ হবার আগেই মেয়ে শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ছে। তাই এ বিষয়ে সরকারকে আরো জোরদার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৬ বছর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার, যার মাধ্যমে সমাজে বড় ধরনের বিপর্যয় হবে।’
বক্তারা জানান, বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে অর্ধেকেরও বেশি মেয়ে শিক্ষার্থী তাদের স্কুলকে নিরাপদ মনে করছে না। তাছাড়া স্কুলে আসা-যাওয়ার পথ এবং স্কুল সংলগ্ন এলাকাসমুহ মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নয়।
আয়োজক সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীরের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.সাইখ ইমতিয়াজ, জাহাঞ্জীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাসির আক্তার হুসাইন প্রমুখ।

