ঢাকাSaturday , 6 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মোদির কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার আহ্বান

Link Copied!

khalequezamanনিজস্ব প্রতিবেদক : ফারাক্কাবাঁধ ও সীমান্তে হত্যার কারণে বাংলাদেশের জনগণের যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালিকুজ্জামান। একই সঙ্গে তিনি ট্রানজিটের কারণে দেশীয় সড়কের যে ক্ষতি হবে তা মেরামতের জন্য মোদির কাছে পর্যাপ্ত অর্থ চাইতেও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে এ আহ্বান জানান তিনি।
খালিকুজ্জামান বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৫৪টি নদী ভারত হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। আমরা পানির হিস্যা চাই। ফারাক্কাবাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের নদীগুলো মৃত্যুর মুখে পড়ে। এতে দেশের প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ক্ষতিপূরণ দাবি করতে হবে। ন্যায্য দাবি উত্থাপন করলে বন্ধুত্ব নষ্ট হয় না।’
তিনি বলেন, ‘ভারত সব সময় জাতীয় স্বার্থ নিয়ে কথা বলে। ৬০ বছর ধরে তিস্তা চুক্তি ঝুলিয়ে রেখেছে। কিন্তু আমাদের সরকার এ নিয়ে কখনো চিন্তাও করে না। আমরা পানির ন্যায্য হিস্যা চাই।’
ট্রানজিট প্রসঙ্গ এনে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের বিনা শুল্কে ট্রানজিট দিচ্ছি। আমাদের সড়ক দিয়ে তাদের পণ্য আসা-যাওয়া করবে। তারা আমাদের সড়কের ক্ষতি করবে। কিন্তু আমরা আমাদের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে সে রাস্তা মেরামত করবো। ভারতে কাছে রাস্তা মেরামতের জন্য টাকা চাইতে হবে।’
শ্রমিকদের অধিকারের কথা উল্লেখ করে খালিকুজ্জামান বলেন, ‘শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দিলে তার চাকরি চলে যায়। কিন্তু মালিকরা কারখানা বন্ধ করে দিলে মালিকানা চলে যেতে হবে। সেই আইন তৈরি করতে হবে। আইন না থাকায় মালিকরা তাদের ইচ্ছে মতো কারখানা চালু করে আর বন্ধ করে।’
তিনি বলেন, ‘যদি কেউ কারখানা চালাতে পারছে না এ মর্মে বন্ধ করতে চায় তাহলে সেখানে সরকার কর্তৃক একটি তদন্ত কমিটি করতে হবে। কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী সরকার ব্যবস্থা নেবে।’
বিদেশে শ্রমিক রপ্তানীর বিষয়ে খালিকুজ্জামান বলেন, ‘আজ মালেশিয়ায় ৫ হাজার গৃহকর্মী বন্ধি অবস্থায় আছে। তাদের উদ্ধার করে আনতে হবে। শ্রমিকদের পেটে খাবার নেই। দেখা যায়, একজন আমলার বেতন ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু সে তার সন্তানের স্কুলের বেতন দেয় প্রতিমাসে ৯০ হাজার টাক। এটা সে কীভাবে পরিশোধ করে।’
সংগঠনের সভাপতি জাহেদুল হক নিলুর সভাপতিত্বে শ্রমিক সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।