ঢাকাWednesday , 28 January 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাকা–১৪ আসনে নির্বাচনী ইশতেহার ও আচরণবিধি প্রতিপালন বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Link Copied!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকা–১৪ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী ইশতেহার, আচরণবিধি প্রতিপালন এবং সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিতকরণ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভাটি মিরপুর কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট আসনের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা উপস্থিত থেকে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন এবং অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা–১৪ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি। তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার আরমান। এছাড়াও অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা, প্রচারণায় শালীনতা বজায় রাখা, কালো টাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার পরিহার করা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, “একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সকল প্রার্থীর সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। আইন মেনে নির্বাচন পরিচালনায় প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর থাকবে।” প্রার্থীরা তাদের বক্তব্যে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের আস্থা রক্ষায় আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রচারণা চালানো, প্রতিপক্ষের প্রতি সহনশীল আচরণ এবং ভোটারদের কাছে উন্নয়নমূলক ইশতেহার তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি বলেন, “জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা ও একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমরা আইন মেনে প্রচারণা চালাবো। সহিংসতা ও অনিয়মের কোনো স্থান নেই।” পুরো সভা অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে সৌজন্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ লক্ষ্য করা যায়, যা নির্বাচনী সংস্কৃতির জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের মতবিনিময় সভা প্রার্থীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াবে এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।