ঢাকাSunday , 25 January 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নিজ দলের কেউ অপরাধ করলেও ছাড় দেওয়া হবে না ঠাকুরগাঁওয়ে – মির্জা ফখরুল

Link Copied!

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার বা কোনো ধরনের অপরাধে জড়িত থাকলে নিজের দলের লোককেও ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “পরিষ্কার করে বলতে চাই আমার দলের কেউ যদি দুর্বৃত্তায়ন বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে, আমাদের জানাবেন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব। আওয়ামী লীগ যা করেছে, আমার দলের লোককে তা করতে দেব না।”
রোববার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বরুনাগাঁও মাদ্রাসা মাঠ ও চেরাডাঙ্গী এলাকায় গণসংযোগের তৃতীয় দিনে পৃথক দুটি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, “আগে আমরা সবসময় নৌকা আর ধানের শীষের লড়াই দেখে অভ্যস্ত ছিলাম। এখন নতুন করে একটি মার্কা দাঁড়িপাল্লা সামনে এসেছে, যা এ অঞ্চলের মানুষের কাছে ততটা পরিচিত নয়। জামায়াত পুরনো দল হলেও আমাদের এই অঞ্চলে তাদের প্রভাব আগে সেভাবে ছিল না।” বিএনপি ও জামায়াতের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল, যারা পাঁচবার সুনামের সঙ্গে সরকার পরিচালনা করেছে। আমরা রাজনীতি করে সম্পদ বাড়াইনি; বরং অনেক ক্ষেত্রে বাপ-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করেছি।” বিগত সরকারের সময়কে ‘তাড়া খাওয়ার সময়’ উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “গত ১৫ বছর পুলিশ আমাদের তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমার নিজের বিরুদ্ধেই ১১১টি মামলা হয়েছে, ১১ বার জেলে যেতে হয়েছে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ছয় বছর এবং তারেক রহমান ১৮ বছর নির্বাসনে ছিলেন। জুলাই আন্দোলনের পর সেই দমবন্ধ করা পরিস্থিতি থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি।”
চেরাডাঙ্গীর পথসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সতর্ক করে তিনি বলেন, “জুলাই আন্দোলনের পর আমরা মুক্ত বাতাস পেয়েছি। এখন আমাদের দায়িত্ব সুন্দর দিন তৈরি করা, হানাহানি বন্ধ করা। ওরা মামলাবাজি করেছে বলে আমাদেরও তা করতে হবে এমনটা ভাবা যাবে না। এটা কোনো আপস নয়; এটি ভ্রাতৃত্ববোধের নতুন সমাজ গড়ার লড়াই।” সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, “হিন্দু ভাই-বোনদের বলছি আপনারা নিজেরা শক্ত হন, প্রতিরোধ গড়ার সাহস অর্জন করুন। নিজের ভোট যাকে খুশি তাকে দেবেন। এজন্য আপনাদের নির্যাতনের শিকার হতে হবে কেন? যারা এমন করে, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।” জামায়াতের নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, “১৯৭১ সালে আমরা এই মার্কাকে দেখেছি। তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, আমাদের মা-বোনদের তুলে দিয়েছিল। এটি ঐতিহাসিক সত্য। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সঠিক পথ বেছে নিতে হবে।” এ সময় জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।