ঢাকামঙ্গলবার , ২ এপ্রিল ২০২৪
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কৃষি ও অন্যান্য
  5. খেলাধুলা
  6. গল্প ও কবিতা
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. দেশজুড়ে
  10. ধর্ম ও জীবন
  11. প্রবাস
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশেষ প্রতিবেদন
  15. মুক্তমত
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই : জি এম কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
এপ্রিল ২, ২০২৪ ৮:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দেশের মানুষের জীবন ও ব্যক্তিগত সম্পদের নিরাপত্তা নেই বলে মন্তব্য করেছেন সংসদে বিরোধীদল নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের) এমপি।‌
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয় যুব সংহতির পরিচিতি সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, দেশে মানুষের জীবন ও ব্যক্তিগত সম্পদের নিরাপত্তা নেই। দেশের শাসনকার্যে দৃশ্যমান ব্যর্থতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শাসনকার্য ভালোভাবে চলছে না, অর্থাৎ সুশাসনের অভাব। সুশাসন হচ্ছে আইনের শাসন ও ন্যয় বিচারভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা। আইনের শাসনের মধ্যে দুটি প্রধান বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। এরমধ্যে আইনের চোখে সবাই সমান ও শিষ্টের পালন এবং দুষ্টের দমন। ন্যয়বিচারভিত্তিক সমাজ বলতে বৈষম্য, নিপিড়ন ও নির্যাতনহীন সমাজকে বুঝি।
তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের দ্বিতীয় নিবাস গড়ায় নতুন করে উৎসাহ জোগাচ্ছে মালয়েশিয়া। মাঝে কড়াকড়ি করলেও এখন বিনিয়োগ টানতে ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম (এমএম২এইচ)’ কর্মসূচির শর্ত শিথিল করছে দেশটির সরকার। গত ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস গড়েছেন ৫৬ হাজার ৬৬ জন। এরমধ্যে তিন হাজার ৬০৪ জন বাংলাদেশী।
জাপা চেয়ারম্যান বলেন, বিশেষ বিবেচনায় বৈধভাবে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে এমন বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে ১৭ প্রতিষ্ঠান। তবে এরপর থেকে ডলার-সঙ্কটের কারণে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। সর্বশেষ গত বছরের আগস্টে অনুমোদন পেয়েছে পাঁচটি কোম্পানি। তবে বিদেশে দ্বিতীয় নিবাস গড়ার জন্য কাউকে বিনিয়োগের অনুমতি দেয়া হয়নি। তাহলে বাংলাদেশীরা কীভাবে মালয়েশিয়া দ্বিতীয় নিবাস গড়ল। কীভাবে টাকা নিয়ে গেল?
জি এম কাদের বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা না হলে সুশাসন আশা করা যায় না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণই দেশের মালিক, জনগণই শাসক নির্বাচন করবে ও পরিবর্তন করবে। এমন অবস্থায় আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এটা নিশ্চিত করা যায় এবং বৈষহীন সমাজও প্রতিষ্ঠা করা যায়। গণতান্ত্রিক সমাজে জবাবদিহিতা থাকে। কেই ইচ্ছা করলেই জবাবদিহিতা এড়িয়ে নিজস্ব বা গোষ্ঠি স্বার্থ উদ্ধার করতে পারে না। জবাবদিহিতার কারণেই দুর্নীতি ও দুঃশাসন কায়েম হতে পারে না। গণতান্ত্রিক সমাজে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় না। আমরা এমন একটি গণতান্ত্রিক সমাজ কামনা করছি।
জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি ও ভাইস-চেয়ারম্যান এইচ এম শাহারিয়ার আসিফের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আহাদ ইউ চৌধুরী শাহিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে-উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মো: রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম মিলন, ড. নূরুল আজাহার শামীম, নুরুল ইসলাম তালুকদার, মো: খলিলুর রহমান খলিল, ভাইস-চেয়ারম্যান সফিউল্লাহ শফি, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, মো: বেলাল হোসেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ভাসানী, সম্পাদক মণ্ডলির সদস্য এম এ রাজ্জাক খান, মো: মিজানুর রহমান মিরু, ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন হেলাল, আজাহারুল ইসলাম সরকার, মাহমুদ আলম, সমরেশ মণ্ডল মানিক, সামসুল আলম লিপ্টন ও দ্বিন ইসলাম শেখ।

%d bloggers like this: