ঢাকাSunday , 26 November 2023
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দিল্লিতে পররাষ্ট্র সচিবের বৈঠককে বিস্ময়কর বললেন রিজভী

Link Copied!

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দিল্লিতে ৯০ দেশের কূটনীতিকের সঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের বৈঠক বিস্ময়কর বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শনিবার বাংলাদেশের পরাষ্ট্র সচিব দিল্লিতে ৯০টি দেশের কূটনৈতিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বাংলাদেশে কি সেসব দেশের দূতাবাস নেই? দিল্লিতে গিয়ে বৈঠক করতে হলো কেন? ভারতই বা কেন আয়োজন করে দিলো? ভারত যদি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হয় তাহলে তো তাদের বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের পক্ষে থাকার কথা ছিল। আজ তো ইউরোপ-আমেরিকা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের পক্ষে স্বোচ্চার। যে সরকারের একদলীয় দুঃশাসনে দেশের সাধারণ মানুষ সবাই পিষ্ট সেই সরকারের পক্ষে কাজ করানোর জন্য দিল্লিতে ৯০টি দেশের কূটনৈতিকের বৈঠক আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। আমি বিস্মিত হয়েছি।
রোববার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, দেশ এক ক্লান্তিকাল অতিক্রম করছে। এক দুর্বিষহ দুর্ভিক্ষের কাছে আটকে আছে দেশের জনগণ। রাষ্ট্রক্ষমতাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যা ইচ্ছে তাই করছেন রাষ্ট্র শক্তিকে ব্যবহার করে। সেই রাষ্ট্রশক্তি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যারা কথা বলছেন তাদের এলিমিনেট করছে। সেটা অনেক আগে থেকেই তিনি করে আসছেন, এবার তিনি পুরোদমে করছেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন অগ্নিসন্ত্রাসীদের ছাড় দেওয়া হবে না। ছাড় তো এরই মধ্যে আপনি দিয়েছেন আসল অপরাধীকে। এখন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ধরবেন, নির্যাতন করে অন্য নেতাদের নাম বলাবেন। গত ১৫ বছর যাবৎ এই কাজগুলোই তো করেছে প্রধানমন্ত্রীর সাজানো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রধানমন্ত্রী মনে করেছেন তিনি যা বলেন অবলীলায় দেশের জনগণ তা বিশ্বাস করেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীরা যা বলেন মানুষ তার উল্টোটা ভাবেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা বাসায় থাকতে পারেন না। অধিকাংশ নেতাকর্মী জেলে। বাকি যারা আছেন তারা বাসায় থাকতে পারেন না, কোনো আত্মীয়স্বজন বা পরিচিত মানুষের বাসায় থাকতে হয়। গ্রামগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজ বাসায় থাকতে পারেন না, আত্মীয়স্বজনের বাসায় থাকতে পারেন না। ধানখেতে মশারি টাঙিয়ে থাকতে হয়। পুলিশের নির্যাতন থেকে বাঁচতে বাঁশঝাড়ে কোনোরকমে থাকতে হয়। এক বীভৎস পৈশাচিক অভিযান চলছে সারাদেশে।