ঢাকাSunday , 26 November 2023
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসন
নৌকার প্রার্থী হতে চান ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম হোসেন

Link Copied!

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) সংসদীয় আসনে আবারো ঘুরে ফিরে সবার সামনে এসেছে ক্লিন ইমেজ ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের নাম। বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ ও বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। পাশাপশি যুবকদের দিয়ে টিমওয়ার্কের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে নৌকায় ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করছেন। এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করছেন। ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন ছাত্র জীবনে তিনি শিক্ষাবোর্ডে শ্রেষ্ঠ ছাত্রদের একজন হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত অধ্যক্ষ সৈয়দ আমিনুল ইসলাম জাকিরের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।
১৯৭৯ সালে বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী অধ্যক্ষ সৈয়দ আমিনুল ইসলাম জাকিরের পক্ষে নির্বাচন করে বিএনপি দলীয় প্রার্থী শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকের ছেলে একে ফাইজুল হকের সমর্থকদের হামলার শিকার হয়েছিলেন ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। পরে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন। চাকরিকালে তিনি জার্মানি, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। তিনি জার্মানিতে প্রশিক্ষণকালে চ্যান্সেলর পদক পান। অবসরকালে দীর্ঘ বছর ধরে মার্চেন্ট নেভিতে ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন। বিভিন্ন সময় মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা, মন্দিরসহ সকল প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষকে আর্থিক সাহায্য দেয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্কুলব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণসহ বৃত্তি প্রদান করে আসছেন।
অন‍্যদিকে একটি সূত্রের দাবি, পরপর তিনবার আওয়ামী লীগের মনোনীত ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও বিগত ১০ বছরে উজিরপুরে আশানুরূপ উন্নয়ন না হওয়ায় খোদ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ সংসদীয় এলাকায় আওয়ামী লীগের মধ্যে গ্রুপ সৃষ্টি করে নিজেদের পছন্দের লোকজনের পকেট ভারী করেছেন। কোন সংসদ সদস্য রাজনৈতিক বিরোধে না জড়ালেও উজিরপুরের উন্নয়নে কোন ভূমিকাই রাখেননি। এলাকার প্রতিটি সড়ক যেনো মরণফাঁদ। এ নিয়ে খোদ আওয়ামী লীগের স্থানীয় শীর্ষ নেতাকর্মীরা অস্বস্তিতে রয়েছেন। এতকিছুর কারণে এলাকাবাসী সৎ ও যোগ্য আওয়ামী লীগের নতুন প্রার্থীর দাবি করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে আবারও সবার কাছে আলোচনায় এসেছে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের নাম। কারণ হিসেবে এলাকাবাসী জানান, ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন একজন শিল্পপতি। নির্বাচনী এলাকা থেকে তার নেওয়ার কিছু নেই। ইচ্ছে করলে সরকারি অর্থায়ন ছাড়াও নিজের অর্থায়নে এলাকার উন্নয়ন করতে পারবেন। এ কারনে তিনি সবার থেকে যোগ্য প্রার্থী বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী আরও জানান, ইতোপূর্বে উজিরপুর ও বানারীপাড়ার কচিকাচা ও কোমলমতি শিক্ষার্থিদের মাঝে ১৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ১ কোটি টাকার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করে নতুন ইতিহাস গড়েছিলেন জননন্দিত এই নেতা। শুধু শিক্ষা বৃত্তিই নয়, এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু করছিলেন কোটি টাকা মূল্যের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কর্মসূচি। এ কারনে তিনি উজিরপুর ও বানারীপাড়ায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিলেন।
সূত্র আরও জানায়, বরিশাল-২ (উজিরপুর বানারীপাড়া) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে গত কয়েক বছর ধরে নানান উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি সমাজসেবা ও জনসেবায় নিজেকে নিযুক্ত করে রেখেছেন বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ও জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের সভাপতি ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন। নির্বাচনী এলাকা উজিরপুর ও বানারীপাড়ার মানুষের সুখ-দুঃখে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তিনি। বিশেষ করে গরীব মেহনতি মানুষের জন্য তার দ্বার উন্মুক্ত রেখেছেন অনেক আগ থেকেই। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে মসজিদ-মন্দির, মাদরাসায় তার অনুদানের কথা সবার মুখে মুখে। খেলাধুলা ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আর্থিক অনুদানসহ নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন তাদের আপনজন হিসেবে । এছাড়া নিজের ১৮টি প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষকে চাকরি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। শুধু শিক্ষা বৃত্তি-শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সহায্যই নয়, বরিশালের শেষ সীমান্ত শিবপুর-কোটালীপাড়া এলাকায় ৪শ একর জমির উপর নির্মিত মাছের ঘের ও ফলের বাগান সাধারণ মানুষের জন্য অনেকটাই উন্মুক্ত রেখে নিজেকে দানবীর হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এ মাছের ঘের থেকে যে কোন গরীব মানুষ তাদের প্রয়োজনে মাছ শিকার করতে পারছেন বলেও জানান ওই এলাকার বহু মানুষ।
বাকপুর এলাকার শাকিল নামের এক বাসিন্দা বলেন, তিনি অনেক শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী দেখেছেন, কিন্তু ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেনের মতো এমন উদার মনের মানুষ দেখেননি। যে কোন গরীব মানুষের কন্যা কিংবা ছেলের বিয়ের জন্য যে মাছের প্রয়োজন হয় তা ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেনের মাছের ঘের থেকে বিনা টাকায় পাওয়া যায়। এ এলাকার মাছের ঘের তৈরির পর থেকেই এমন সুবিধা পাচ্ছেন এখানকার মানুষ।
উজিরপুরের ধামরাইল ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ৯ম শ্রেণীর স্কুলছাত্র কাইয়ুম বলেন, ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেনের মতো ভালো মানুষের বড়ই অভাব। তিনি আমাদের জন্য কোটি টাকার শিক্ষা বৃত্তি চালু করেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কোটি টাকার শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করবেন বলে শুনেছি। এর চেয়ে বেশি আমাদের আর কিছুই চাওয়ার নেই। শুধু ধামরাইল নয়, উজিরপুর বানারীপাড়ার অসংখ্য শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেনের এমন কর্মকাণ্ডকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি এ আসনে প্রার্থী হলে মানুষ সত্যিই তাকে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে বিজয়ী করবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।
বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আউয়াল বলেন, ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন একজন ভালো মানুষ। তিনি এখানে এমপি প্রার্থী হলে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের সমর্থন পাবেন। এ আসনে তার মতোই একজন ভালো মানুষের দরকার যে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি নিজের টাকাও খরচ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, আমরা সত্যিই অবহেলিত ও বঞ্চিত। আমাদের এখানে যারা এমপি হন তারা মানুষকে দিতে নয়, মানুষের কাছ থেকে নিতে আসেন। এটা আমাদের জন্য সত্যিই দুর্ভাগ্য।
বানারীপাড়ার চাখার এলাকার বাসিন্দা মো. ফাইজুল নাহার বলেন, ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম যেভাবে মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন তাতে অন্য কোন প্রার্থী তার ধারে কাছেও নেই। বরিশাল-২ আসনে তার মতোই একজন দানবীর এমপি দরকার। তাহলেই এ এলাকার অবহেলিত মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে।
এ বিষয়ে ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, তিনি এমপি হওয়ার জন্য নয়, বিবেকের তাড়নায় এসব কাজ করছেন। তিনি দেখেছেন, টাকার অভাবে অনেক শিক্ষার্থী বই-খাতা কিনতে পারে না, এমনকি পড়ানের জন্য ভালো পোশাক কিনতে পারে না। এসব মেধাবী শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করেই তিনি শিক্ষা বৃত্তি চালু ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করছেন। তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পেলে নিজ এলাকার পাশাপাশি বৃহত্তর দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করবো। এছাড়া বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে শিল্প কারখানা স্থাপন করবো। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে ১টি নার্সিং ইনস্টিটিউট এবং ১টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপনেরও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
আগামী নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি তাকে মনোনয়ন দেন তবে তিনি নির্বাচন করতে প্রস্তুত।