ঢাকাWednesday , 1 November 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চীনে ন্যাচার কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
বিজেআরআই’র মহাপরিচালকের নেতৃত্বে পাট বিজ্ঞানীদের যোগদান

Link Copied!

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বব্যাপী কৃষি জিনোমিকস-এ চলমান গবেষণা সাফল্যের বিষয়ে গত ২৩-২৭ অক্টোবর চীনের উহান-এ অনুষ্ঠিত ন্যাচার কনফারেন্সে অংশ নেয় বাংলাদেশ। সম্মেলনে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)’র মহাপরিচালক ড. মো. মনজুরুল আলমের নেতৃত্বে একটি দল বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। চীনের হুয়াজং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ন্যাচার (nature)-এর যৌথ আয়োজনে এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের কৃষি জিনোমিকস গবেষণার অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি চীন কর্তৃক গ্রিন সুপার রাইস উদ্ভাবনের ১০ বছর পূর্তি উৎসবও পালন করা হয়।
সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, চীন, বাংলাদেশ, মেক্সিকো, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইডেন, জাপান, সৌদি আরব, জার্মান ও ইসরাইলের ৩৬ জন বিজ্ঞানী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে তাদের গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। উন্নয়নশীল বিশ্ব থেকে একমাত্র বাংলাদেশ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. মনজুরুল আলমের নেতৃত্বে পাট বিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্পের বিজ্ঞানীগণ এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের পক্ষে পাটের জিনোমিকস গবেষণার অগ্রগতি ও কৌলিতাত্ত্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণের কলাকৌশল নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। জিনোমিকস গবেষণায় বাংলাদেশের অগ্রগতি সম্মেলনে প্রশংসিত হয়। উল্লেখ্য, অতি অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ পাটের দু’টি প্রজাতি এবং একটি ক্ষতিকর ছত্রাকের জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি এ গবেষণার সুফল হিসেবে পাটের ৪টি নতুন লাইনও উদ্ভাবিত হয়েছে।
ষাটের দশক থেকে বিশ্বব্যাপী শুরু হওয়া সবুজ বিপ্লব সম্ভব হয়েছে উচ্চহারে সেচ, সার, কীটনাশক এবং অন্যান্য অনুষঙ্গ প্রয়োগের ভিত্তিতে। কিন্তু পাশাপাশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ ফলন লাভের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহারসহ প্রাকৃতিক ভারসাম্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের এ পন্থা জলবায়ু, পরিবেশ ও প্রতিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য জিনোমিকস গবেষণালব্ধ সবুজ প্রযুক্তিতে কম কীটনাশক ও কম সার প্রয়োগ করে পানি সাশ্রয়ী ও ঘাত সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন একমাত্র উপায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সবুজ প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্বিতীয় সবুজ বিপ্লব সংঘটনের জন্য বিভিন্ন দেশ জিনোমিকস গবেষণাকে জোরদার করেছে।
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, ক্রমহ্রাসমান জমি এবং ক্ষয়িষ্ণু পরিবেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জিনোম গবেষণার কোন বিকল্প নেই। এ জন্য বাংলাদেশ সরকার কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে পাট বিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে বিশ্বমানের জিনোমিকস গবেষণার সুবিধাসম্পন্ন একটি প্লাটফর্ম গড়ে তুলেছে। কৃষি মন্ত্রণালয় পরিবেশ ও প্রতিবেশের সংরক্ষণ নিশ্চিত করে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে জিনোমিকস গবেষণাকে জোরদার করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।