নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)’র বীজ বিতরণ বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বার্ষিক কর্মশালা গত ২১ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর গাবতলীস্থ বীজ ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় ২০১৭-১৮ বিতরণ বর্ষের বোরো ধানবীজ, গমবীজ ও বীজআলু বরাদ্দ এবং আগামী ২০১৮-১৯ বিতরণ বর্ষের সকল ফসলের জন্য বীজ উৎপাদন পরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়।
বিএডিসি’র মহাব্যবস্থাপক (বীজ) নূর মোহাম্মদ মন্ডলের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান। সদস্য পরিচালক (বীজ ও উদ্যান) মো. মাহমুদ হোসেন, মহাব্যবস্থাপক (সার ব্যবস্থাপনা) আশুতোষ লাহিড়ী, মহাব্যবস্থাপক (পাট বীজ) ফারুক জাহিদুল হক, মহাব্যবস্থাপক (এগ্রো সার্ভিস সেন্টার) মো. নূরনবী সরদার কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, মাঠ পর্যায়ে যেসব জাতের চাহিদা রয়েছে সেসব জাতের বীজ উৎপাদন করতে হবে। বিএডিসি’র কিছু জাতের বীজ অনেক সময় অবিক্রিত থেকে যায়, পরে এগুলোকে পুশ সেল করতে হয়। এ প্রবণতা থেকে বের হয়ে আসতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, আমরা এমন কোনো জাতের বীজ উৎপাদন করবো না যার পুশ সেলের প্রয়োজন হয়। চেয়ারম্যান এ সময় বিএডিসি’র দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত মাঠ পর্যায়ে জনবল ও যানবাহন সংকট দ্রুত দূরীকরণের আশ্বাস দেন। প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের পরিবহন সংকট মোকাবেলায় একটি প্রকল্প হাতে নেয়া যেতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কর্মশালায় বিএডিসি’র বীজ বিতরণ অঞ্চলের ২০১৭-১৮ এবং ২০১৮-১৯ বিতরণ বর্ষে বীজের চাহিদা, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে নিজস্ব আয়ের হিসাব, অভ্যন্তরীণ ও বাণিজ্যিক অডিটের প্রতিবেদন, কোনো অঞ্চলে বীজের চাহিদা অতীতের চেয়ে কম/বেশি হলে তার যথাযথ কারণ ও এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিএডিসি’র বীজ বিতরণ বিভাগের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সকল যুগ্মপরিচালক, উপপরিচালক ও সিনিয়র সহকারী পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।

