
প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. ফরিদ উদ্দিন, মঞ্চে উপবিষ্ট কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সনৎ কুমার সাহা ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক : তুলা উন্নয়ন বোর্ডে সরকারি কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে। ৫ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষন কার্যক্রম গতকাল ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর খামারবাড়িস্থ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে শুরু হয়েছে। সম্প্রসারিত তুলা চাষ প্রকল্প (ফেজ-১)’র অর্থায়নে এ প্রশিক্ষণে ৩০ জন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (গবেষণা) সনৎ কুমার সাহা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. ফরিদ উদ্দিন। সম্প্রসারিত তুলা চাষ প্রকল্প (ফেজ-১)’র প্রকল্প পরিচালক ড. মো. গাজী গোলাম মর্তুজা অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
সনৎ কুমার সাহা বলেন, তুলা চাষ সম্প্রসারণ ও বাণিজ্যিকীকরণে তুলাকে লাভজনক ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাজারে আরো অনেক ফসল আছে, চাষিরা তুলা চাষ করে লাভের মুখ না দেখলে তারা এ ফসল চাষে উৎসাহিত হবে না। কাজেই চাষিদের কাছে নতুন জাত ও এ সংক্রান্ত প্রযুক্তি নিয়ে যেতে হবে, সেগুলো চাষে তাদের উৎসাহিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মকর্তারা উদ্ভাবনী কৌশল রপ্ত করেন, সৃজনশীলতা ও সেবাধর্মী কর্ম সম্পাদনে উৎসাহিত হন, কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সচেষ্ট হন। এক্ষেত্রে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেন মন্তব্য করেন তিনি।
ড. মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, আমাদের তুলা ফসলের জীবনকাল কিভাবে আরো কমিয়ে আনা যায় সে বিষয়ে অধিক গবেষণা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতি হেক্টরে তুলার উৎপাদন ৩-৪ মে. টন, অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি হেক্টরে ৬-৬.৫ মে. টন তুলা উৎপাদিত হয়। এক্ষেত্রে আমাদের দেশে হেক্টর প্রতি তুলার উৎপাদন কীভাবে আরো বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে অধিকতর গবেষণার তাগিদ দেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে পারদর্শী, শুদ্ধাচার কৌশল ও বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শতভাগ উৎপাদনশীলতা আনয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা তাদের মেধা উন্নয়ন ও অর্পিত দায়িত্ব আরো নিষ্ঠার সাথে পালন করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নির্বাহী পরিচালক।

