
ডিএই’র আওতাধীন চাষি পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আঞ্চলিক কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওমর আলী শেখ
বরিশাল প্রতিনিধি : কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র আওতাধীন চাষি পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের উদ্যোগে গত ২৪ জুলাই সোমবার বরিশালের সাগরদিস্থ ব্রি’র সম্মেলনকক্ষে দিনব্যাপি আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকল্প পরিচালক মো. ছারওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে কর্মশালার আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএই’র বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওমর আলী শেখ।
মো. ওমর আলী শেখ বলেন, মাঠে এখন ফলন্ত আঁউশ ধানের পাশাপাশি আমনের বীজতলা রয়েছে। এ বছল প্রচুর বৃষ্টি হওয়ার দরুণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ফসল নষ্ট হতে পারে। সে কারণে আমাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। নারিকেলের ‘অপি ভ্যারাইটি’ সম্পর্কে তিনি বলেন, খাটো জাতের নারিকেল বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি। উপকূলীয় অঞ্চলে এ জাতের নারিকেল চাষের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। অভিজ্ঞতা এবং মাঠের বাস্তবতা তুলে ধরে প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানান।
বরিশাল সদরের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহের মালিকার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (এটিআই) অধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাক, বরিশালের উপপরিচালক রমেন্দ্র নাথ বাড়ৈ, পিরোজপুরের উপপরিচালক মো. আবুল হোসেন তালুকদার, ঝালকাঠির উপপরিচালক শেখ আবু বকর সিদ্দিক, বরগুনার উপপরিচালক সাইনুর আজম খান, বরিশালের অতিরিক্ত উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক, উপ-প্রকল্প পরিচালক সুরজিত সাহা রায়, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ হোসেন, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, পটুয়াখালীর অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. আবদুল অদুদ খান প্রমুখ।
কর্মশালার কারিগরি সেশনে প্রকল্পের চলতি বছরের জেলাওয়ারি কার্যক্রম এবং প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ের কর্মপরিকল্পনা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্রি, বারি, কৃষি তথ্য সার্ভিস, বিএডিসি, এটিআই, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, বিজেআরআই, হর্টিকালচার সেন্টারসহ কৃষিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রায় শতাধিক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

