
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমায় বিজেআরআই উদ্ভাবিত জাতসমূহের মাঠ পর্যায়ের উপযোগিতা বিষয়ক মাঠ দিবসে বিজেআরআই’র মহাপরিচালক ড. মো. মনজুরুল আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) উদ্ভাবিত জাতসমূহের মাঠ পর্যায়ের উপযোগিতা বিষয়ক মাঠ দিবস ও মূল্যায়ন কর্মশালা গত ১৮ জুলাই ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজেআরআই’র মহাপরিচালক ড. মো. মনজুরুল আলম মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ইনস্টিটিউটের পরিচালক (কৃষি) ড. রহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ কিংকর চন্দ্র দাস। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিজেআরআই’র পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. এস, এম, মাহবুব আলী, পাট ও পাট জাতীয় ফসলের কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও হস্তান্তর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম এবং মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. চন্দন কুমার সাহা।
কর্মশালায় মহাপরিচালক ড. মো. মনজুরুল আলম বলেন, দেশে ৮ লাখ ১৩ হাজার জমিতে পাটের চাষ হয়, এর মধ্যে ২ লাখ ২০ হাজার হেক্টরই ফরিদপুরে আবাদ হয়। আবার এই তালমাতেই সবচেয়ে উৎকৃষ্টমানের পাট উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশের পাটের মান বিশ্বসেরা। তিনি বলেন, বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের বড় সাফল্য পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার; পাটের হারানো ঐতিহ্য বর্তমান সরকারই ফিরিয়ে দিয়েছে। বিজেআরআই উদ্ভাবিত পাটের নতুন জাত রবি-১ প্রসঙ্গে মহাপরিচালক বলেন, এ জাতটি চৈত্র মাসে আগাম বপন করা হলেও উপযুক্ত সময়ে ফুল আসে না এবং ফলন ফাল্গুনী তোষা থেকে শতকরা ২০ ভাগ বেশি। রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ অনেক কম এবং দেশি ও অন্যান্য জাতের তুলনায় এটি লম্বা ও পাটে তন্তুর পরিমাণ অনেক বেশি। এ জাতের ফলনে পাটচাষিরা আরো লাভবান হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আব্দুল আলীমের উপস্থাপনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই’র উপপরিচালক (ফরিদপুর) কৃষিবিদ জি এম আব্দুর রউফ, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শহিদুল ইসলাম ও মো. মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
মাঠ দিবসে খুলনা কৃষি তথ্য সার্ভিসের প্রতিনিধিসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিসহ শতাধিক কৃষক/কৃষাণি উপস্থিত ছিলেন।

