ঢাকাSunday , 11 June 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তুলা বিষয়ক গবেষণা কার্যক্রম জোরদারকরণের পরামর্শ কৃষি সচিবের

Link Copied!

তুলা উন্নয়ন বোর্ডের বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালায় বক্তব্য দিচ্ছেন কৃষি সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ্; মঞ্চে উপবিষ্ট আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক : তুলা বিষয়ক গবেষণা কার্যক্রম জোরদারকরণের পরামর্শ দিয়েছেন কৃষি সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ্। তিনি বলেন, বাংলাদেশে তুলা চাষের অমীত সম্ভাবনা রয়েছে; তাই এর উৎপাদন বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে অধিকতর কার্যকরী গবেষণার কোন বিকল্প নেই। রাজধানীর খামারবাড়িতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ২দিনব্যাপী (১০-১১ জুন) বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালার উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সচিব এসব কথা বলেন।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. ফরিদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফজলে ওয়াহেদ খোন্দকার এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জালালউদ্দিন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. গোলাম মারুফ।
কৃষি সচিব বলেন, তুলার উৎপাদন বাড়াতে হলে তুলা বিষয়ক গবেষণা আরো জোরদার করতে হবে। এক্ষেত্রে যৌক্তিক গবেষণা প্রকল্প তৈরিরও পরামর্শ দেন তিনি। সচিব বলেন, প্রতি বছর তুলা আমদানিতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। তুলার উৎপাদন বাড়াতে পারলে আমদানি ব্যয় কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব। তিনি আরো বলেন, দেশের চরাঞ্চল, লবণাক্ত, পাহাড়ি ও বরেন্দ্র ভূমিতে তুলা চাষের অধিক সম্ভাবনা রয়েছে; এসব অঞ্চলে চাষাবাদ উপযোগী উন্নত ও হাইব্রিড জাতগুলো চাষিদের কাছে নিয়ে যেতে হবে, তাদেরকে এগুলো চাষে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের জনবল সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করে তুলা চাষ ও গবেষণার ক্ষেত্রে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরসহ কৃষি বিশ্ববিদ্যাগুলোর সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন কৃষি সচিব।
সম্প্রসারিত তুলা চাষ প্রকল্প (ফেজ-১)’র অর্থায়নে আয়োজিত কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. মনজুরুল আলম, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, বাংলাদেশ জিনিং এসোসিয়েশনের মহাসচিব সাবের হোসেন লাল, বাংলাদেশ কটন এসোসিয়েশনের মহাসচিব, ঢাকা কটন লি.-এর স্বত্ত্বাধিকারী, ইস্পাহানি এগ্রো লি.-এর পরিচালকসহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সংশ্লিষ্ট অধ্যাপকগণ উপস্থিত ছিলেন।