স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম টেস্টটি প্রত্যাশার চেয়েও বাজেভাবে হেরেছে বাংলাদেশ। বুধবার থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে দ্বিতীয় টেস্ট। যা বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের শততম টেস্ট। এই টেস্টকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তা, নির্বাচক, প্রধান কোচ ও ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশার পারদ উর্ধ্বমুখী। প্রত্যাশাটা ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালসেরও। তিনি মনে করছেন এই বিশেষ টেস্টে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা তাদের সামর্থের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে ভালো কিছু করার চেষ্টা করবে।
ওয়ালস বলেন, ‘শততম টেস্ট বিশেষ কিছু। গর্বের বিষয়। আশা করছি এই টেস্টে ছেলেরা তাদের সামর্থের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে বিশেষ এই টেস্টটি জেতার জন্য।’
বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের যেসব ঘাটতি দেখছেন সে বিষয়ে বোলিং কোচ বলেন, ‘আর একটু ধারাবাহিকতা, ধৈর্য্য ও নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। আমি মনে করি তারা চেষ্টা করছে। কিন্তু ভিন্নতার কারণে ঠিক যেমনটি চাচ্ছে তেমনটি হচ্ছে না। তারা আসলে বিষয়টি উপলদ্ধি করতে পেরেছে। বিশেষ করে আগের টেস্টটি থেকে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা শিখছেও। দ্বিতীয় টেস্টে আমি ভালো কিছু প্রত্যাশা করছি।’
শততম টেস্টে দলে কী কী পরিবর্তন আসতে পারে জানতে চাইলে কোচ বলেন, ‘এটা আসলে প্রধান কোচ ও নির্বাচকদের কাজ। আমি নিশ্চিত তারা তাদের অভিজ্ঞতা ও এখানকার কন্ডিশনের বিষয়টি বিবেচনা করে সেরা দল সাজাবে। সেরা অবস্থানে সেরা কম্বিনেশনটা প্রয়োজন। বিষয়টি যেকারো চেয়ে ভালো জানেন কোচ। যা কিছুই হোক না কেন আমি ও অন্যান্য স্টাফদের পূর্ণ সমর্থন পাবেন কোচ।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের আসলে টেস্টে ইতিবাচক একটি ফল দরকার। আমি আসলে বলে বোঝাতে পারব না যে এই টেস্টেটি বাংলাদেশের জন্য কতোটা স্পেশাল। এই টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের জয়গান শুনতে পছন্দ করব আমরা। আমি মনে করি ছেলেরা সেটার জন্য প্রস্তুত। যখন আমরা আমাদের মতো পারফরর্ম করি তখন সেটা যেকোনো দলের জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’
পেসারদের কাছে প্রত্যাশার বিষয়ে ওয়ালস বলেন, ‘এই পরিবেশ পরিস্থিতিতে পেসারদের উপর ধৈর্য্য রাখতে হবে। মুস্তাফিজ বিশেষ একজন বোলার। অন্যান্য বোলাররাও বেশ দক্ষ।’

