নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৫ সালের ৬ মে’র ঘটনা। মিরপুর শের-ই-বাংলায় দ্বিতীয় টেস্টে মুখোমুখি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে এবং খুলনায় প্রথম টেস্ট তামিম ও ইমরুলের অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ড্র করে ঢাকা টেস্টে আপারহ্যান্ডে ছিল বাংলাদেশ। টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল দূর্দান্ত।
রুবেল হোসেনকে টপকে একাদশে শাহাদাত হোসেন। কিন্তু দ্বিতীয় বলেই শেষ শাহাদাত। পায়ে টান লাগায় মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান ডানহাতি পেসার। প্রচণ্ড চাপে বাংলাদেশ। চতুর্থ ওভারে নিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা পেসার মোহাম্মদ শহীদ বাংলাদেশকে এনে দিলেন সাফল্য। উইকেট থেকে হাল্কা বাউন্স পেয়ে আউটসুইং ডেলিভারিতে আউট করেন মোহাম্মদ হাফিজকে। ১২তম ওভারে আবারও পাকিস্তান শিবিরে শহীদের আঘাত। শহীদের ফুলারলেন্থ বল ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দেন আজহার আলী। দ্বিতীয় স্লিপে বল তালুবন্দি করেন সৌম্য সরকার। বল তালুবন্দী করতেই শহীদ ও টিম বাংলাদেশেল উল্লাস।
কিন্তু আম্পায়ার নো বল কল করলেন। ১২তম ওভারের দ্বিতীয় বল করার আগে আরও দুটি নো বল করেন শহীদ। ক্রিকইনফোর ধারাভাষ্যকার বলেছিলেন,‘শহীদ অগোছালো বোলিংয়ের খেসারত দিল। লাইফলাইন ফর আজহার।’ ১৮ রানে জীবন পেয়ে আজহার পরবর্তীতে করেছেন ২২৬ রান! ২২ মাস পর আবারও একই চিত্র। এবার ভেন্যু গল। প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। কুশল মেন্ডিস শূন্য রানে নো বলে জীবন পেয়ে প্রথম দিন শেষে ১৬৬ রানে নটআউট। শুভাশীষের শরীর কাছের বল কাট করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মেন্ডিস। আউট হয়েছেন বুঝতে পেরে নিজেই ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। পাকিস্তানের আম্পায়ার আলীম দারও মাথা নেড়ে সম্মতি দিয়েছিলেন। কিন্তু টিভি রিপ্লেতে দেখায়, শুভাশীষের পা ক্রিজ ছেড়ে অনেক দূর বেরিয়ে গেছে! লাইফলাইন ফর কুশল। যার নামের পাশে থাকত না কোনো রান, সেই ব্যাটসম্যান ১৬৬ রানে অপরাজিত! দেখা যাক দ্বিতীয় দিনে ‘আজহার আলী’ হয়ে উঠেন কি না কুশল মেন্ডিস!

