ঢাকাSunday , 25 December 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দ্বিতীয় শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্পের অর্জন শীর্ষক জাতীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Link Copied!

বক্তব্য দিচ্ছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান; মঞ্চে উপবিষ্ট (বাম দিক হতে) প্রকল্প পরিচালক মো. ফজলুল হক, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নজমুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মোশারফ হোসেন এবং ডিএই’র হর্টিকালচার উইং-এর পরিচালক মো. কুদরত-ই-গণী

বক্তব্য দিচ্ছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান; মঞ্চে উপবিষ্ট (বাম দিক হতে) প্রকল্প পরিচালক মো. ফজলুল হক, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নজমুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মোশারফ হোসেন এবং ডিএই’র হর্টিকালচার উইং-এর পরিচালক মো. কুদরত-ই-গণী

নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র আওতাধীন দ্বিতীয় শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্প (এসসিডিপি)’র অর্জন বিষয়ক জাতীয় কর্মশালা গত ২২ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর খামারবাড়িস্থ আ.কা.মু. গিয়াস উদ্দীন মিল্কী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডিএই’র মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নজমুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মো. মোশারফ হোসেন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ডিএই’র হর্টিকালচার উইং-এর পরিচালক মো. কুদরত-ই-গণী।
মোহাম্মদ নজমুল ইসলাম বলেন, এসসিডিপি অত্যন্ত সফল একটি প্রকল্প এবং এর ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে আরো একটি প্রকল্প গ্রহণের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। ঐ প্রকল্পের মাধ্যমে আরো অধিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় এসসিডিপি’র মাধ্যমে নির্মিত স্থাপনাগুলো সুষ্ঠুভাবে রক্ষণাবেক্ষণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারকির জন্য সফটওয়্যার প্রণয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের প্রচারণা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
মোশারফ হোসেন বলেন, এসসিডিপি প্রকল্পভুক্ত এলাকায় দারিদ্র দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড ও নিরাপদ ফল, সবজি, মসলা উৎপাদন ও সম্প্রসারণ সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রেক্ষাপটে প্রতিকূলতা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে মনোযোগী হতে হবে। দেশের কৃষিখাতের অনেক অর্জন রয়েছে উল্লেখ করে এর ধারাবহিকতা রক্ষার্থে সবাইকে আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় আগামী ৫, ৬ ও ৭ জানুয়ারি জাতীয় সবজি মেলা এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ফুল মেলার আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।
হামিদুর রহমান বলেন, এসসিডিপি’র অর্জনগুলোকে ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রকল্পের কার্যক্রমের ফলে বারি মাল্টা-১, পেয়ারা, সবজি ও ফল উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সম্ভবত এসসিডিপি একমাত্র প্রকল্প যেখানে সুবিধাভোগীদের ৫৩ শতাংশই নারী। প্রকল্পভুক্ত এলাকায় বিভিন্ন জাতের উচ্চ গুণাগুণ সমৃদ্ধ ফল ও সবজি চাষের পাশাপাশি ফুল ও ভেষজ সবজি চাষেও ব্যপক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে ৯২টি কৃষিপণ্য সংগ্রহ ও বিপণন কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে যার মাধ্যমে কৃষকেরা বড় বাজারের সাথে সংযুক্ত থেকে তাদের উৎপাদিত পণ্যে আধুনিক বিপণন সুবিধা ভোগ করছেন। এ সময় তিনি নিরাপদ কৃষি পণ্য উৎপাদনে কৃষকের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিসহ কৃষিখাতের প্রচারণা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
এসসিডিপি’র প্রকল্প পরিচালক মো. ফজলুল হকের স্বাগত বক্তব্যে শুরু হওয়া কর্মশালায় প্রকল্পের অর্জন ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন ড. এস. পি. ঘোষ। কর্মশালার কারিগরি সেশনে অংশ নেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং-এর পরিচালক মো. গোলাম মারুফ, সরেজমিন উইং-এর পরিচালক চৈতন্য কুমার দাস, টিএ টিমের ড. মো. আব্দুল হক, এটিএম আজমল হুদা।