ঢাকাMonday , 17 October 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে সমৃদ্ধি আনয়নে কাজ করছে দশমিনা বীজ বর্ধন খামার

Link Copied!

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

হাসান রেজা : দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিখাতে সমৃদ্ধি আনয়নে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের আওতাধীন দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে (বরিশাল ও পটুয়াখালী) বীজ বর্ধন খামার স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্পটি ব্যাপকভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
জানা গেছে, প্রকল্পের মাধ্যমে বরিশাল সদর উপজেলায় একটি ৩ হাজার মে. টন ক্ষমতা সম্পন্ন প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ও ২ হাজার মে. টন ক্ষমতা সম্পন্ন হিমাগার নির্মাণ করা হচ্ছে যা এ অঞ্চলে মানসম্পন্ন বীজের প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণসহ বীজ আলু সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় প্রকল্পটির বীজ বর্ধন খামারে প্রতিকূলতা সহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের ভিত্তি বীজ উৎপাদিত হচ্ছে যার মাধ্যমে দুর্যোগপ্রবণ দক্ষিণাঞ্চলে বীজের চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া সম্প্রতি দশমিনা খামারে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে যার মাধ্যমে খামারের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে প্রকল্প অফিস।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। খাদ্য ঘাটতি হ্রাসের পাশাপাশি বিশাল জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে কৃষিখাতের সামগ্রিক উন্নয়ন অপরিহার্য। বিএডিসি বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র থেকে অবমুক্ত জাতসমূহের বীজ বর্ধিতকরণের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকে। দিন দিন গুণগত মানসম্পন্ন বীজ বিশেষ করে ভিত্তিবীজের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানান তারা।
পরিসংখ্যান মতে, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বিএডিসি মানসম্পন্ন বীজের মোট চাহিদার ৮.৪ শতাংশ সরবরাহ করেছে। প্রতি বছর এই সরবরাহের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ২০২১ সাল নাগাদ সরবরাহের হার ২৩ শতাংশে উন্নীতকরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু জাতীয় চাহিদা অনুযায়ী নতুন জাতসমূহের বীজ বর্ধিতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় খামার বিএডিসি’র নেই। এ প্রেক্ষাপটে দশমিনা বীজ বর্ধন খামারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এক সময় বরিশাল খাদ্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু বন্যা, খরা, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মাটির গুণাগুণ হ্রাস পেয়ে বর্তমানে এ অঞ্চল অনুৎপাদনশীল হয়ে পড়ছে। ফলে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে অধিক সমৃদ্ধি আনয়নসহ বিভিন্ন শস্যের প্রতিকূলতা সহিষ্ণু জাতের বীজ বর্ধিতকরণ অত্যন্ত জরুরি ছিল। অন্যদিকে, মূল ভূমিতে বৃহদাকার খামার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সমতলভূমিও এ অঞ্চলে অপ্রতুল। আবার দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চরে অনেক খাসজমি অব্যবহৃত বা স্বল্প ব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় খাদ্য ঘাটতি পূরণ, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নসহ অঞ্চলভিত্তিক স্থানীয় ফসলের পাশাপাশি উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে দশমিনা বীজ বর্ধন খামার বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
দক্ষিণাঞ্চলে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দারিদ্র দূরীকরণ এবং প্রকল্প এলাকার জনগণের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে জানুয়ারি-২০১২ থেকে শুরু হয়ে আগামী জুন-২০১৭ (২য় সংশোধিত) মেয়াদে প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রকল্পের মাধ্যমে পটুয়াখালীর দশমিনায় স্থাপিত বীজ বর্ধন খামারে ধান, গম, ভুট্টা, আলু, ডাল ও তৈল ফসলের মৌল বীজ হতে ভিত্তি বীজ উৎপাদিত হচ্ছে। এছাড়া, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে এসব ফসলের মৌল বীজ সংগ্রহ করে ভিত্তি বীজ উৎপাদন করা হচ্ছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রতিকূলতা সহিষ্ণু জাত বিশেষ করে লবণাক্ততা, খরা, জলমগ্নতা সহিষ্ণু জাতের বীজ উৎপাদন বৃদ্ধিতেও কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়া, খামারের উৎপাদিত বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও গুণগতমান পরীক্ষা করে সরবরাহের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করে পারিবারিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবদান রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মতামত ব্যক্ত করেছেন।

বরিশালে নির্মিতব্য বীজ ভবন ও হিমাগারের থ্রি-ডি ভিউ

বরিশালে নির্মিতব্য বীজ ভবন ও হিমাগারের থ্রি-ডি ভিউ

বরিশালে নির্মিত হচ্ছে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ও হিমাগার : জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় বরিশাল সদর উপজেলায় ৩ হাজার মে. টন ক্ষমতা সম্পন্ন একটি প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ও ২ হাজার মে. টন ক্ষমতা সম্পন্ন একটি আলু বীজ হিমাগার নির্মাণের কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। বরিশাল অঞ্চলে বিএডিসি’র বিভিন্ন খামারে উৎপাদিত বীজ ও কন্ট্রাক্ট গ্রোয়ার্স (চুক্তিবদ্ধ চাষী)-এর মাধ্যমে উৎপাদিত বীজ নির্মিতব্য ঐ সেন্টারে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। ফলে এ অঞ্চলে চাষী পর্যায়ে বিভিন্ন ফসলের গুণগতমান সম্পন্ন বীজ সরবরাহ সম্ভব হবে; চাষীরা গুণগত মানসম্পন্ন বীজ ব্যবহার করে অধিক ফসল উৎপাদন করবেন যা দক্ষিণাঞ্চলের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া নির্মিতব্য আলু বীজ হিমাগারটিও বৃহত্তর দক্ষিণাঞ্চলের বীজ আলু সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে; যা দক্ষিণাঞ্চলে শস্য উৎপাদনের পাশাপাশি আলু বীজ উৎপাদনে সহায়ক হবে। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, সামগ্রিকভাবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে মানসম্পন্ন বীজের প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণের ফলে এ অঞ্চলের কৃষির উন্নয়নসহ মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব।
প্রতিকূলতা সহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের ভিত্তি বীজ উৎপাদন : সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, দশমিনা বীজ বর্ধন খামারটি দক্ষিণাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত। খামারটি চতুর্পাশে খরস্রোতা তেঁতুলিয়া নদী দ্বারা পরিবেষ্টিত হওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলে পড়েছে এবং প্রতিনিয়ত জোয়ারের পানি প্রবেশ করে। তাই দক্ষিণাঞ্চলে চাষের উপযোগী ও জলাবদ্ধতা সহিষ্ণু জাতগুলোর চাষ এবং এসব ফসলের কাক্সিক্ষত উৎপাদন প্রকল্পের সফলতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

দশমিনায় স্থাপিত বায়ো গ্যাস প্লান্ট

দশমিনায় স্থাপিত বায়ো গ্যাস প্লান্ট

খামারে স্থাপিত হয়েছে বায়োগ্যাস প্লান্ট : দশমিনা বীজ বর্ধন খামারে বীজ উৎপাদনের সময় যে খড় ও বিভিন্ন ফসলের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায় তা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সম্প্রতি খামারের অভ্যন্তরে একটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। এই বায়োগ্যাস প্লান্টের মাধ্যমে ৮০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে যা খামারের মেশিনারিজ চালাতে ব্যবহৃত হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া, বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের বাইপ্রোডাক্ট জৈব সার হিসেবে খামারের জমিতে ব্যবহৃত হবে এবং এর ফলে মাটির গুণাগুণ বৃদ্ধি পাবে।
প্রকল্প অফিস জানিয়েছে, ২০১৫-১৬ মৌসুমে দশমিনা বীজ বর্ধন খামারে প্রতিকূলতা সহিষ্ণু ৩০২ মে. টন ব্রিধান-৫২, ৭.৬১ মে. টন বিনা-৭ উৎপাদিত হয়েছে। একই মৌসুমে ২.১৪ মে. টন স্থানীয় আমন (বালাম, সাদা মোটা, কালো মোটা, কুটি অগ্রানী), ২৫০ মে. টন বোরো ধান, ৬.৯৫ মে. টন বারি মুগ-৬, ১.৮৫ মে. টন বারি সূর্যমুখী-২ এবং ১.৬১ মে. টন বারি ফেলন-১ উৎপাদিত হয়েছে। প্রকল্প মেয়াদে প্রতিকূলতা সহিষ্ণু বিভিন্ন জাতের ধান, গম, ডাল ও তৈল এবং আলুর উন্নতমানের ও উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ উৎপাদিত হলে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন ও দক্ষিণাঞ্চলের কৃষির উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
জানা গেছে, ব্যাপকভিত্তিক কার্যক্রমের ফলে প্রকল্প এলাকায় কর্মসংস্থানের বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্প এলাকার কৃষকরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে বাস্তবিক জ্ঞান অর্জন করছেন। তারা বীজ বর্ধন খামারে প্রতিকূলতা সহিষ্ণু ও উচ্চ ফলনশীল জাতের বিভিন্ন ফসলের বাম্পার ফলন দেখে তা উৎপাদনে আগ্রহী হচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রকল্প সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা এ জাতের বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করছেন বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দশমিনা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো. বনী আমিন খান দৈনিক পাঞ্জেরীকে বলেন, বিএডিসি’র এই খামারে উৎপাদিত বীজ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে করে ঐসব এলাকায় বীজের চাহিদা পূরণ হচ্ছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। তবে খামার এলাকায় নদী ভাঙন রোধ, ইঁদুরের উপদ্রব হ্রাস এবং জোয়ারের পানি প্রবেশ রোধে বেড়িবাঁধ করতে পারলে আরো বেশি উৎপাদন পাওয়া যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দশমিনার পাশে বাউফল উপজেলা পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মোশারেফ হোসেন বিগত দুই বছর ধরে তার নিজের ইউনিয়ন কালাইয়ে বোরো আবাদ করছেন। এ প্রতিবেদকের সাথে মোবাইলে আলাপকালে তিনি খামারের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দশমিনা খামারে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার পর আমি আমার পতিত প্রায় ২৭ একর জমিতে বোরো আবাদের সিদ্ধান্ত নিই এবং ফলনও ভাল পেয়েছি। তিনি বলেন, ডালজাতীয় ফসলের উৎপাদন ভাল হওয়ার কারণে এখানে ধানের আবাদ অনেকেই করতে চায় না; এরপরও দশমিনা খামারে ফসলের উৎপাদন দেখে আশপাশের উপজেলার অনেকেই তাদের পতিত ও অব্যবহৃত জমিতে ধান আবাদে উৎসাহী হচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)’র চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান দৈনিক পাঞ্জেরীকে বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানসহ অন্যান্য ফসল আবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণে এই খামারটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এখানে উৎপাদিত প্রতিকূলতা সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান বীজসহ অন্যান্য ফসলের বীজ চাষী পর্যায়ে খুব সহজে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে এবং দক্ষিণাঞ্চলে এসব জাতের প্রসার ঘটছে। তিনি আরো বলেন, বরিশালে বিভিন্ন ফসলের মানসম্পন্ন বীজের ঘাটতি রয়েছে, কৃষক যথাসময়ে তার প্রয়োজন অনুযায়ী বীজ পায় না, এতে করে খাদ্য উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে। এক্ষেত্রে বরিশালে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রটি নির্মিত হলে বিএডিসি’র বিভিন্ন খামারসহ চুক্তিবদ্ধ চাষীদের উৎপাদিত বীজ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালীসহ অন্যান্য জেলাগুলোতে মানসম্পন্ন বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে বরিশালে প্রচুর পরিমাণ আলু উৎপাদিত হচ্ছে। প্রকল্পের মাধ্যমে নির্মিতব্য আলু বীজ হিমাগার এ অঞ্চলে মানসম্মত আলু বীজ সরবরাহ ও উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।