লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঈদের কেনাকাটায় এখন সময় যাচ্ছে বেশি। আনন্দের উচ্ছ্বাসটাও তাই অনেক বেশি। তবে সারা বছর যেমনই হোক, ঈদের এই সময়টাতে উপহার পাওয়া এবং দেয়ার আনন্দই থাকে অন্যরকম। আর তাই, অনেকেই ঈদের আনন্দটা ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন প্রিয়জনকে বাহারি উপহার দেয়া এবং নেয়ার মাধ্যমে।
উপহার বলতে দামি বা সস্তা হিসেবে মোটেই বিবেচ্য নয়। উপহার মানে কাউকে খুশি করা। সেটা যে দামেরই হোক। ঈদ উপলক্ষ্যে দেশের উপহার বিপণি বিতানগুলো সেজেছে নানা রঙে। প্রিয়জনের জন্য মনের মতো উপহার সাধ্যের মধ্যেই কিনে নিতে পারেন।
বেকার হোন আর উপার্যনক্ষম হোন- অল্প খরচের মধ্যে মা-বাবার জন্য নিতে পারেন ছোট্ট কোনো উপহার। ছোট বোনটার জন্য পোশাক অথবা সামান্য জুয়েলারি। ভাইটার জন্য পাঞ্জাবি হলেতো কথায় নেই। তবে ঈদ উপহার হিসেবে পোশাকের বাইরেও ঘর সাজানোর টুকিটাকি জিনিস শোপিস, ল্যাম্প, ফুলদানি, চুড়ি, দুল, মালা, আংটি, ব্রেসলেট, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, ব্যাগ, কলমদানি, কার্ড হোল্ডার, বই, সিডি-যেকোনোটিই দিতে পারেন।
এক্ষেত্রে কার জন্য উপহার নির্বাচন করছেন, সেটাই বড় ব্যাপার। উপহার হিসেবে সুদৃশ্য কাপ, মগ, গ্লাসও দিতে পারেন। এছাড়া মাকে উপহার হিসেবে দিতে পারেন হাতব্যাগ, আয়না বা গয়নার বাক্স। বাবাকে চশমা, মোবাইল ফোনসেট, কলম, আর অফিসের কাগজপত্র রাখার ব্যাগও থাকতে পারে তার মধ্যে। ঈদ উপলক্ষে দিতে পারেন সুগন্ধি বা আফটার শেভ। প্রিয় মানুষটার জন্য থাকতে পারে পছন্দের যেকোনো জিনিস। শিশুদের খেলনা, পুতুল, বল দেওয়ার পাশাপাশি দিতে পারেন চকলেট বক্স। উপহার হিসেবে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। তাই উপহার হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন বই।
ঈদ মানে গরীব-দুঃখী আর ধনীর আনন্দের মিলন মেলা। এই দিনে যাদের সামর্থ্য আছে কেবল তারাই আনন্দ করবে তা নয়। আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা, উপহার পাওয়ার সম্ভাবনাময় জায়গায় বেশি করে উপহার দেয়। কিন্তু ভুলে যান নিজের কাছের অসচ্ছল মানুষ গুলোর কথা। ধর্মীয় এ উৎসবে ভুলে যায় ধর্মের আদর্শ ও নীতির কথা। সচ্ছল আত্মীয় বা প্রতিবেশিকে বাদ রেখে অসচ্ছলদের জন্য উপহার কেনা উচিৎ। ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেয়া উচিৎ শ্রেণিভেদ ভুলে। তবেই সম্ভব বিশ্বশান্তিু প্রতিষ্ঠিত হওয়া। আর সেই কাজের শুরু হতে পারে আপনার থেকেই।

