
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. হামিদুর রহমান, মঞ্চে উপবিষ্ট আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র সিলেট অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের জাতীয় কর্মশালা সম্প্রতি রাজধানীর খামারবাড়িস্থ কেআইবি কমপ্লেক্সের থ্রিডি কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডিএই’র সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ চৈতন্য কুমার দাসের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. হামিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ মো. মনজুরুল হান্নান, ক্রপস উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ মো. গোলাম মোস্তফা, পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ প্রদীপ কুমার মন্ডল এবং হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ এস এম আবু জার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক মো. ওহিদুজ্জামান।
প্রধান অতিথি মো. হামিদুর রহমান বলেন, সিলেট অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিতে এই প্রকল্পটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে প্রচুর অনাবাদি জমি রয়েছে; এগুলোকে চাষাবাদের আওতায় এনে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধির যে পরিকল্পনা ছিল বর্তমানে তা এগিয়ে চলছে। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি ফসলের মাঠে প্রয়োগধর্মী ও ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক বিভিন্ন প্রযুক্তি ও কৌশল যথাযথ প্রয়োগের উদাত্ত আহ্বান জানান। এ ছাড়া, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিকট থেকে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধির কৌশল সংক্রান্ত প্রস্তাবনারও আহ্বান জানানো হয়।
সভাপতির বক্তব্যে চৈতন্য কুমার দাস বলেন, সিলেট অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধির কৌশলগুলো খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের অনাবাদি জমিগুলোকে আবাদের আওতায় নিয়ে আসতে হলে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করে তুলতে হবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে মাঠ দিবস, প্রদর্শনী স্থাপন, কৃষক প্রশিক্ষণ, মোটিভেশনাল ট্যুর প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে এ অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রকল্প পরিচালক মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, সিলেট অঞ্চলে বেশ বড় একটি পরিবর্তনের আশায় এই প্রকল্পটি কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা তথা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে এখানকার কৃষকদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ব্যাপকভিত্তিক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে অদূর ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। কর্মশালায় তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক ও রূপরেখা তুলে ধরেন।
কর্মশালায় অঞ্চল, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন পরামর্শ, মতামত ও প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।

