ঢাকাTuesday , 9 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সেঞ্চুরির চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ফের অনুসন্ধানে দুদক

Link Copied!

Dudakনিজস্ব প্রতিবেদক : সেঞ্চুরি গ্রুপের চেয়ারম্যান এমজিআর নাসিরের বিরুদ্ধে আসা দুর্নীতির অভিযোগ পুনরায় অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ, আবাসন প্রকল্পের নামে অবৈধভাবে জমি দখল ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মতো কয়েকটি অভিযোগের পুনঃঅনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।
এরআগে এসব অভিযোগের অনুসন্ধানের দায়িত্বে ছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটওয়ারী। কিন্তু তার অনুসন্ধানে কোনো অগ্রগ্রতি না থাকায় আবার নতুন করে দুদকের সহকারী পরিচালক শেখ আব্দুস সালামকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে নবনিযুক্ত এই অনুসন্ধানী কর্মকর্তা অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র হাতে পেয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছেন। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এসব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তীতে নাসিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হবে।
দুদক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দুদকে আসা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে বেসরকারি খাতে আবাসন প্রকল্প হিসেবে কুয়াকাটায় গড়ে তোলা হচ্ছে ‘সেঞ্চুরি মডেল টাউন’। ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া এই আবাসন প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছে সেঞ্চুরি গ্রুপ। এই আবাসন প্রকল্পের আওতায় ২০১১ সালে ‘হোটেল গোল্ড কোস্ট’ নামের ফাইভ স্টার মানের একটি হোটেল নির্মাণের প্রচারণা চালায় তারা। এজন্য কুয়াকাটার গঙ্গামতি এলাকায় ১০ একর জমি এ প্রকল্পের আওতায় নিয়ে নজরকাড়া লিফলেট-ব্যানারসহ বিভিন্ন প্রচারের মাধ্যমে ১ হাজার শেয়ার নির্ধারণ করে গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় সেঞ্চুরি গ্রুপ। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১০ জানুয়ারি ১০ হাজার একর জমি নিয়ে কুয়াকাটা পর্যটন সংরক্ষণ এলাকা ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। তখন পর্যটন কেন্দ্রে মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে সরকার জোরালোভাবে কাজ শুরু করলে থমকে যায় সেঞ্চুরির কুয়াকাটার বাঁধের বাইরের জমিতে করা প্রকল্প। পরে রাতারাতি প্রকল্পের জায়গা পরিবর্তন করে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন জেলা পরিষদ ডাকবাংলো ঘেঁষে ১৭ শতাংশ জমিতে ফাইভ স্টার মানের হোটেল গোল্ড কোস্টের কাজ শুরু করে গ্রুপটি।
অভিযোগে বলা আছে, ফাইভ স্টার হোটেলের আদলে ‘হোটেল গোল্ড কোস্ট’ নির্মাণের কথা বলে বিভিন্ন প্রকার বিনিয়োগকারী ও গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে প্লটের জায়গা পরিবর্তন করাতে অনেক গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীরা তাদের টাকা ফেরত চাইলেও, এখনো পর্যন্তু তাদের টাকা ফেরত কিংবা অন্য জায়গায় প্লট বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। সেঞ্চুরি গ্রুপের চেয়ারম্যান এমজিআর নাসির এসব টাকা প্রতরণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া ওই আবাসন প্রকল্পের নামে স্থানীয় জমিদাতাদের কাছ থেকে অল্প মূল্য দিয়ে জোরপূর্বক জমি দখল, কারো কাছ থেকে ভুয়া চেকের মাধ্যমে জমি ক্রয় করে তা অবৈধ দখল করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা আছে।
অভিযোগে আরো বলা আছে, ১৯৯৮ সালে আবাসন শিল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে এমজিআর নাসিরের এই সেঞ্চুরি নামক প্রতিষ্ঠান। পরে অল্প সময়ে সেঞ্চুরিকে গ্রুপ অব কোম্পানিজ হিসেবে গড়ে তোলেন তিনি। এমজিআর নাসির আবাসন প্রকল্পের নামে সাধারণ মানুষের জমি অবৈধভাবে দখল ও বিনিয়োগকারীদের প্রতারণায় ফেলে টাকা আত্মসাতের মাধ্যমে এখন অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।